ঢাকা ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাসি-কান্নায় বিদায় নিল উখিয়া কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন: রাষ্ট্রের সোনার খনি, লাভের গুড় খাবে কে? আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মতবিনিময় সভা ঢাকাসহ সারাদেশে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা জা‌রি করলো পুলিশ সদর দপ্তর উখিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, মাইক্রোবাস জব্দ শাহপরীরদ্বীপে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ রোহিঙ্গা মোহাম্মদ কবিরের, শনাক্ত করল পরিবার টেকনাফে আসামি ধরতে গিয়ে গর্ভবতী নারীকে লাথি মারার অভিযোগ এসআই দুলালের বিরুদ্ধে: অভিযোগ সঠিক নয় – ওসি লোহাগাড়ায় প্রাইভেটকারের গোপন চেম্বারে ১৬ হাজার ইয়াবা, নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ আজ প্রেমিকা দিবস, সঙ্গীকে আনন্দ দেওয়ার দারুণ সুযোগ শাহপরীরদ্বীপে সাগরে ভেসে এলো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ প্রেসক্লাবে জুলাই শহীদ স্মৃতি শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনী ম্যাজিস্ট্রেট এড়িয়ে গেলেও ডিসি বললেন- অগোচরে চলছিল প্যারাসেইলিং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলতি মাসেই চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস, আসছে আরও নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ঈদগাঁওয়ে প্রাইভেটকারে ৭৬ কেজি গাঁজা, একাধিক মামলার আসামিসহ আটক ২ নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও বাড়ি ফেরা হলোনা গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাতের।

‎সোমবার(২৫ মে) কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে শাহীন বের হলে তাকে আবারো জেলা গোয়েন্দা শাখার(ডিবি) একটি টিম আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ‎একটি সূত্র বলছে, লাখ টাকার বিনিময়ে একটি পক্ষ কারাগার থেকে নিরাপদে গর্জনিয়া পৌছে দেয়ার কথা ছিলো শাহীন ডাকাতকে।কিন্তু শেষ পর্যায়ে তাদের মধ্যে বনি বনা না হলে জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি টিম শাহীন ডাকাত কারাগার থেকে জামিনের খবর পেয়ে তাকে ফের আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

‎এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো: অহিদুর রহমান, টিটিএনকে জানান,শাহীন ডাকাতকে চকরিয়া থানার একটি ডাকাতি মামলায় চকরিয়া থানা পুলিশ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় আটক করেছে।


‎কক্সবাজারের রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার এক আলোচিত অপরাধী শাহীন।
‎মাদক ও গরু চোরাচালান সিন্ডিকেটের প্রধান। যাকে স্থানীয়ভাবে “সীমান্তের ডন” বা “সীমান্তের ত্রাস” বলা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদক এবং চোরাচালানসহ ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

‎স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, চোরাচালান রোধে প্রতিবাদ করায় গত কয়েক বছরে অন্তত ১২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ গুলিতে নিহত হন থিমছড়ির আবু তালেব, ২২ এপ্রিল নিহত হন জাফর আলম ও তাঁর ছেলে সেলিম, ৮ মে খুন হন আবুল কাশেম। তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করায় ইউপি সদস্য মনিরুলের পা ভেঙে দেয় বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিবন্ধী নুরুল আবছারও গুলিবিদ্ধ হন।

‎২০২৪ সালের ৩ জুন মাদক চোরাচালানে বাঁধা দিতে গিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন শাহীন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড নেজাম উদ্দিন।

‎এছাড়া ২০২৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি বড় যৌথ অভিযানে রামু উপজেলার গর্জনিয়া থেকে বিপুল অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎সোমবার জামিনে বেরুল ফের চকরিয়া থানার ডাকাতি মামলায় আটক হন গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাসি-কান্নায় বিদায় নিল উখিয়া কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

আপডেট সময় : ১২:২০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও বাড়ি ফেরা হলোনা গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাতের।

‎সোমবার(২৫ মে) কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে শাহীন বের হলে তাকে আবারো জেলা গোয়েন্দা শাখার(ডিবি) একটি টিম আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ‎একটি সূত্র বলছে, লাখ টাকার বিনিময়ে একটি পক্ষ কারাগার থেকে নিরাপদে গর্জনিয়া পৌছে দেয়ার কথা ছিলো শাহীন ডাকাতকে।কিন্তু শেষ পর্যায়ে তাদের মধ্যে বনি বনা না হলে জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি টিম শাহীন ডাকাত কারাগার থেকে জামিনের খবর পেয়ে তাকে ফের আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

‎এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো: অহিদুর রহমান, টিটিএনকে জানান,শাহীন ডাকাতকে চকরিয়া থানার একটি ডাকাতি মামলায় চকরিয়া থানা পুলিশ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় আটক করেছে।


‎কক্সবাজারের রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার এক আলোচিত অপরাধী শাহীন।
‎মাদক ও গরু চোরাচালান সিন্ডিকেটের প্রধান। যাকে স্থানীয়ভাবে “সীমান্তের ডন” বা “সীমান্তের ত্রাস” বলা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদক এবং চোরাচালানসহ ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

‎স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, চোরাচালান রোধে প্রতিবাদ করায় গত কয়েক বছরে অন্তত ১২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ গুলিতে নিহত হন থিমছড়ির আবু তালেব, ২২ এপ্রিল নিহত হন জাফর আলম ও তাঁর ছেলে সেলিম, ৮ মে খুন হন আবুল কাশেম। তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করায় ইউপি সদস্য মনিরুলের পা ভেঙে দেয় বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিবন্ধী নুরুল আবছারও গুলিবিদ্ধ হন।

‎২০২৪ সালের ৩ জুন মাদক চোরাচালানে বাঁধা দিতে গিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন শাহীন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড নেজাম উদ্দিন।

‎এছাড়া ২০২৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি বড় যৌথ অভিযানে রামু উপজেলার গর্জনিয়া থেকে বিপুল অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎সোমবার জামিনে বেরুল ফের চকরিয়া থানার ডাকাতি মামলায় আটক হন গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত।