ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২ দিনের সফের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার আসছেন শুক্রবার বিশ্ব সাপ দিবস আজ লোহাগাড়ায় আসছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিদর্শন করবেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা কক্সবাজারে জুলাই শহিদ দিবস পালিত জননেতা নুরুল আবছারের বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন : আইসিইউতে স্থানান্তর বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের ট্যাকটিক্যাল লড়াই আন্দোলনকারীদের অনেকেই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবু সাঈদ এই আন্দোলনের শহীদদের ইমাম: নাহিদ ইসলাম ৭৫ মিনিটের পর ১১ গোল: আর্জেন্টিনা যেন ঘুরে দাঁড়ানোর অন্য নাম ৭৫ মিনিটের পর ১১ গোল, ক্যারিশমাটিক কামব্যাকের মহাকাব্য লিখছে আর্জেন্টিনা শ্রাবণের প্রথম দিন আজ চট্টগ্রামে কনফিডেন্স লবণ কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১০ শ্রমিক ঘনীভূত হতে পারে লঘুচাপ, সমুদ্র বন্দরে সতর্ক সংকেত অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন মানুষের সুস্থতাই একটি জনপদের প্রার্থনা

রামুতে পৃথক অভিযানে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩

কক্সবাজারের রামুতে পৃথক দুটি অভিযানে ৩২ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫। গ্রেফতারদের মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। শনিবার (২৩ মে) সকাল ও দুপুরে রামুর বসুন্ধরা অ্যামিউজমেন্ট পার্ক সংলগ্ন কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চকরিয়া উপজেলার হারবাং এলাকার মহোসিনের ছেলে মোজ্জামেল হক (৪৭), রামুর ধয়াপালং এলাকার সোলেমানের মেয়ে মাজেদা আক্তার মমতাজ (৪৩) এবং উখিয়ার মরিচা এলাকার শামসুল আলমের মেয়ে বুলবুল আক্তার (৩৮)।

র‌্যাব-১৫ জানায়, মাদকের একটি বড় চালান পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকাল থেকে রামু থানাধীন বসুন্ধরা অ্যামিউজমেন্ট পার্কের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল।

তল্লাশির একপর্যায়ে সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে একটি সন্দেহভাজন সিএনজি অটোরিকশাকে থামার সংকেত দেয় র‌্যাব। তবে চালক সংকেত উপেক্ষা করে পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে সিএনজিসহ চালক মোজ্জামেল হককে আটক করেন। পরে সিএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজিটি জব্দ করা হয়।

এর কয়েক ঘণ্টা পর একই এলাকায় র‌্যাবের নজরদারি চলাকালে দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে আরেকটি সন্দেহভাজন সিএনজি থামানো হয়। এ সময় সিএনজিতে থাকা দুই নারী যাত্রীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে নারী র‌্যাব সদস্যদের সহায়তায় তাদের দেহ ও সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিতে তাদের ব্যাগের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৬টি বান্ডেল থেকে আরও ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ এক হাজার ৫০০ টাকা এবং দুটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার ও বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তারা একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে রামু, উখিয়া, চকরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ করতেন বলেও জানিয়েছে র‌্যাব।

উদ্ধারকৃত ইয়াবা, জব্দকৃত আলামত ও গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের রামু থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।

র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে সীমান্ত জেলাগুলোকে মাদকমুক্ত করতে এ ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

২ দিনের সফের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার আসছেন শুক্রবার

রামুতে পৃথক অভিযানে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩

আপডেট সময় : ০৮:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

কক্সবাজারের রামুতে পৃথক দুটি অভিযানে ৩২ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫। গ্রেফতারদের মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। শনিবার (২৩ মে) সকাল ও দুপুরে রামুর বসুন্ধরা অ্যামিউজমেন্ট পার্ক সংলগ্ন কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চকরিয়া উপজেলার হারবাং এলাকার মহোসিনের ছেলে মোজ্জামেল হক (৪৭), রামুর ধয়াপালং এলাকার সোলেমানের মেয়ে মাজেদা আক্তার মমতাজ (৪৩) এবং উখিয়ার মরিচা এলাকার শামসুল আলমের মেয়ে বুলবুল আক্তার (৩৮)।

র‌্যাব-১৫ জানায়, মাদকের একটি বড় চালান পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকাল থেকে রামু থানাধীন বসুন্ধরা অ্যামিউজমেন্ট পার্কের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল।

তল্লাশির একপর্যায়ে সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে একটি সন্দেহভাজন সিএনজি অটোরিকশাকে থামার সংকেত দেয় র‌্যাব। তবে চালক সংকেত উপেক্ষা করে পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে সিএনজিসহ চালক মোজ্জামেল হককে আটক করেন। পরে সিএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজিটি জব্দ করা হয়।

এর কয়েক ঘণ্টা পর একই এলাকায় র‌্যাবের নজরদারি চলাকালে দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে আরেকটি সন্দেহভাজন সিএনজি থামানো হয়। এ সময় সিএনজিতে থাকা দুই নারী যাত্রীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে নারী র‌্যাব সদস্যদের সহায়তায় তাদের দেহ ও সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিতে তাদের ব্যাগের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৬টি বান্ডেল থেকে আরও ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ এক হাজার ৫০০ টাকা এবং দুটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার ও বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তারা একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে রামু, উখিয়া, চকরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ করতেন বলেও জানিয়েছে র‌্যাব।

উদ্ধারকৃত ইয়াবা, জব্দকৃত আলামত ও গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের রামু থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।

র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে সীমান্ত জেলাগুলোকে মাদকমুক্ত করতে এ ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।