ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে জমি রেজিস্ট্রেশনে ডিসির অনুমতি বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর চিঠি উখিয়ার বরেণ্য আলেম আলিম উদ্দিন পীরের জানাযা সম্পন্ন চিরকুট পাঠালেই পুলিশ পৌঁছাবে ঠিকানায়: উখিয়ায় অপরাধ দমনে নতুন উদ্যোগ পুলিশী হেফাজতে থাকা সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধুরী অসুস্থ : চমেকে প্রেরণ টেকনাফের বাহারছড়ায় ৫০ লিটার দেশীয় মদসহ আটক ১ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত নারী এশিয়া কাপ : রাতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ রামুতে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া কক্সবাজার সমিতি কাতারের অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান লোহাগাড়ায় পেয়ারার প্রলোভনে ৫ বছরের কন্যাকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ : ৫৫ বছরের বৃদ্ধ আটক শিক্ষার মানোন্নয়নে গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ গঠনতন্ত্রের বাধ্যবাধকতায় প্রার্থী হতে পারিনি, সহকর্মীদের পাশে থাকবো-উখিয়া প্রেসক্লাবের ৩ বারের সভাপতি সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার মগনামায় বিএনপির প্রস্তুতি সভায় বাকবিতন্ডা- হট্টগোল

ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

  • তানভীর শিপু:
  • আপডেট সময় : ১২:১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • 641

কক্সবাজারের রামু থানাধীন ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৫)কে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রামু থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৪ মে ২০২৬) মধ্যরাতে পানিরছড়া এলাকার একটি গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ০৫ এপ্রিল ভোরে রামু থানাধীন ঈদগড় ইউনিয়নে স্থানীয় রুবেল মেম্বারের নেতৃত্বে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিনজন ডাকাতকে অস্ত্রসহ আটক করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারী ও আন্তঃডাকাত দলের সদস্য জাহিদ, নাছির উদ্দিন ও মোবারক মিয়াকে আটক করে।

এ ঘটনায় এএসআই (নিরস্ত্র) মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে রামু থানায় ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে মোঃ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মোঃ দেলোয়ার, মোঃ রেজাউল, সিরাজুল ইসলাম ও মোঃ সোহেলের নাম উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় তিনজন আটক থাকলেও বাকিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।

এরই মধ্যে বুধবার মধ্যরাতে পলাতক আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলামকে একটি গ্যারেজ থেকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আটকে কাজ করছে পুলিশ। তবে যাকে নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তিনি পুলিশের টার্গেটকৃত ব্যক্তি ছিলেন না। তার নামে কোনো ওয়ারেন্ট পাওয়া যায়নি। একই নাম থাকায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, তথ্যগত কোনো ঘাটতি থাকলে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এতে প্রকৃত আসামি সিরাজুল ইসলামকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে জমি রেজিস্ট্রেশনে ডিসির অনুমতি বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর চিঠি

ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ১২:১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

কক্সবাজারের রামু থানাধীন ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৫)কে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রামু থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৪ মে ২০২৬) মধ্যরাতে পানিরছড়া এলাকার একটি গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ০৫ এপ্রিল ভোরে রামু থানাধীন ঈদগড় ইউনিয়নে স্থানীয় রুবেল মেম্বারের নেতৃত্বে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিনজন ডাকাতকে অস্ত্রসহ আটক করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারী ও আন্তঃডাকাত দলের সদস্য জাহিদ, নাছির উদ্দিন ও মোবারক মিয়াকে আটক করে।

এ ঘটনায় এএসআই (নিরস্ত্র) মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে রামু থানায় ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে মোঃ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মোঃ দেলোয়ার, মোঃ রেজাউল, সিরাজুল ইসলাম ও মোঃ সোহেলের নাম উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় তিনজন আটক থাকলেও বাকিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।

এরই মধ্যে বুধবার মধ্যরাতে পলাতক আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলামকে একটি গ্যারেজ থেকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আটকে কাজ করছে পুলিশ। তবে যাকে নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তিনি পুলিশের টার্গেটকৃত ব্যক্তি ছিলেন না। তার নামে কোনো ওয়ারেন্ট পাওয়া যায়নি। একই নাম থাকায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, তথ্যগত কোনো ঘাটতি থাকলে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এতে প্রকৃত আসামি সিরাজুল ইসলামকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।