ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মিয়ানমারের উপকূলে দুই নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক রোহিঙ্গার প্রাণহানির আশঙ্কা: জাতিসংঘ ২ দিনের সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার আসছেন শুক্রবার বিশ্ব সাপ দিবস আজ লোহাগাড়ায় আসছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিদর্শন করবেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা কক্সবাজারে জুলাই শহিদ দিবস পালিত জননেতা নুরুল আবছারের বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন : আইসিইউতে স্থানান্তর বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের ট্যাকটিক্যাল লড়াই আন্দোলনকারীদের অনেকেই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবু সাঈদ এই আন্দোলনের শহীদদের ইমাম: নাহিদ ইসলাম ৭৫ মিনিটের পর ১১ গোল: আর্জেন্টিনা যেন ঘুরে দাঁড়ানোর অন্য নাম ৭৫ মিনিটের পর ১১ গোল, ক্যারিশমাটিক কামব্যাকের মহাকাব্য লিখছে আর্জেন্টিনা শ্রাবণের প্রথম দিন আজ চট্টগ্রামে কনফিডেন্স লবণ কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১০ শ্রমিক ঘনীভূত হতে পারে লঘুচাপ, সমুদ্র বন্দরে সতর্ক সংকেত অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

  • তানভীর শিপু:
  • আপডেট সময় : ১২:১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • 629

কক্সবাজারের রামু থানাধীন ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৫)কে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রামু থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৪ মে ২০২৬) মধ্যরাতে পানিরছড়া এলাকার একটি গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ০৫ এপ্রিল ভোরে রামু থানাধীন ঈদগড় ইউনিয়নে স্থানীয় রুবেল মেম্বারের নেতৃত্বে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিনজন ডাকাতকে অস্ত্রসহ আটক করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারী ও আন্তঃডাকাত দলের সদস্য জাহিদ, নাছির উদ্দিন ও মোবারক মিয়াকে আটক করে।

এ ঘটনায় এএসআই (নিরস্ত্র) মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে রামু থানায় ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে মোঃ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মোঃ দেলোয়ার, মোঃ রেজাউল, সিরাজুল ইসলাম ও মোঃ সোহেলের নাম উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় তিনজন আটক থাকলেও বাকিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।

এরই মধ্যে বুধবার মধ্যরাতে পলাতক আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলামকে একটি গ্যারেজ থেকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আটকে কাজ করছে পুলিশ। তবে যাকে নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তিনি পুলিশের টার্গেটকৃত ব্যক্তি ছিলেন না। তার নামে কোনো ওয়ারেন্ট পাওয়া যায়নি। একই নাম থাকায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, তথ্যগত কোনো ঘাটতি থাকলে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এতে প্রকৃত আসামি সিরাজুল ইসলামকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারের উপকূলে দুই নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক রোহিঙ্গার প্রাণহানির আশঙ্কা: জাতিসংঘ

ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ১২:১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

কক্সবাজারের রামু থানাধীন ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৫)কে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রামু থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৪ মে ২০২৬) মধ্যরাতে পানিরছড়া এলাকার একটি গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ০৫ এপ্রিল ভোরে রামু থানাধীন ঈদগড় ইউনিয়নে স্থানীয় রুবেল মেম্বারের নেতৃত্বে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিনজন ডাকাতকে অস্ত্রসহ আটক করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারী ও আন্তঃডাকাত দলের সদস্য জাহিদ, নাছির উদ্দিন ও মোবারক মিয়াকে আটক করে।

এ ঘটনায় এএসআই (নিরস্ত্র) মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে রামু থানায় ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে মোঃ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মোঃ দেলোয়ার, মোঃ রেজাউল, সিরাজুল ইসলাম ও মোঃ সোহেলের নাম উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় তিনজন আটক থাকলেও বাকিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।

এরই মধ্যে বুধবার মধ্যরাতে পলাতক আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলামকে একটি গ্যারেজ থেকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আটকে কাজ করছে পুলিশ। তবে যাকে নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তিনি পুলিশের টার্গেটকৃত ব্যক্তি ছিলেন না। তার নামে কোনো ওয়ারেন্ট পাওয়া যায়নি। একই নাম থাকায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, তথ্যগত কোনো ঘাটতি থাকলে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এতে প্রকৃত আসামি সিরাজুল ইসলামকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।