ঢাকা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মিয়ানমারের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফের হ্নীলা-হোয়াইক্যং সীমান্ত সমুদ্রভ্রমণ থেকে অ’গ্নি’দ’গ্ধ দুঃস্বপ্ন, ১১ দিন পর দাদার কবরের পাশে মুক্তা মহেশখালীতে অস্ত্রসহ মালেককে আটকের দাবি পুলিশের “আহমদ গিয়াস থেকে যাবে, তাঁর না থাকা জুড়ে” রামুতে ৩ লাখ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেফতার দেশে ৪ কোটি ১৬ লাখ মানুষ সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে না সাতকানিয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, বাসে আগুন, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, এমপি কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগ, অভিযানের আবেদন কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ড : ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬ বসতবাড়ি সী-প্রিন্সেস হোটেলে আ গু ন, অল্পের জন্য ৩’শ পর্যটক পেলেন রক্ষা তিন দিন পর মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত বাহারছড়ার কৃষক রফিক টেকনাফে আগুনে পুড়ল আট কক্ষের ভাড়া বাসা নজরুল বর্ষ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হওয়া শিল্পীদের সংবর্ধনা

ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

  • তানভীর শিপু:
  • আপডেট সময় : ১২:১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • 663

কক্সবাজারের রামু থানাধীন ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৫)কে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রামু থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৪ মে ২০২৬) মধ্যরাতে পানিরছড়া এলাকার একটি গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ০৫ এপ্রিল ভোরে রামু থানাধীন ঈদগড় ইউনিয়নে স্থানীয় রুবেল মেম্বারের নেতৃত্বে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিনজন ডাকাতকে অস্ত্রসহ আটক করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারী ও আন্তঃডাকাত দলের সদস্য জাহিদ, নাছির উদ্দিন ও মোবারক মিয়াকে আটক করে।

এ ঘটনায় এএসআই (নিরস্ত্র) মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে রামু থানায় ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে মোঃ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মোঃ দেলোয়ার, মোঃ রেজাউল, সিরাজুল ইসলাম ও মোঃ সোহেলের নাম উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় তিনজন আটক থাকলেও বাকিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।

এরই মধ্যে বুধবার মধ্যরাতে পলাতক আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলামকে একটি গ্যারেজ থেকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আটকে কাজ করছে পুলিশ। তবে যাকে নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তিনি পুলিশের টার্গেটকৃত ব্যক্তি ছিলেন না। তার নামে কোনো ওয়ারেন্ট পাওয়া যায়নি। একই নাম থাকায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, তথ্যগত কোনো ঘাটতি থাকলে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এতে প্রকৃত আসামি সিরাজুল ইসলামকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফের হ্নীলা-হোয়াইক্যং সীমান্ত

ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ১২:১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

কক্সবাজারের রামু থানাধীন ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৫)কে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রামু থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৪ মে ২০২৬) মধ্যরাতে পানিরছড়া এলাকার একটি গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ০৫ এপ্রিল ভোরে রামু থানাধীন ঈদগড় ইউনিয়নে স্থানীয় রুবেল মেম্বারের নেতৃত্বে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিনজন ডাকাতকে অস্ত্রসহ আটক করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারী ও আন্তঃডাকাত দলের সদস্য জাহিদ, নাছির উদ্দিন ও মোবারক মিয়াকে আটক করে।

এ ঘটনায় এএসআই (নিরস্ত্র) মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে রামু থানায় ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে মোঃ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মোঃ দেলোয়ার, মোঃ রেজাউল, সিরাজুল ইসলাম ও মোঃ সোহেলের নাম উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় তিনজন আটক থাকলেও বাকিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।

এরই মধ্যে বুধবার মধ্যরাতে পলাতক আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলামকে একটি গ্যারেজ থেকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আটকে কাজ করছে পুলিশ। তবে যাকে নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তিনি পুলিশের টার্গেটকৃত ব্যক্তি ছিলেন না। তার নামে কোনো ওয়ারেন্ট পাওয়া যায়নি। একই নাম থাকায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, তথ্যগত কোনো ঘাটতি থাকলে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এতে প্রকৃত আসামি সিরাজুল ইসলামকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।