ঢাকা ০১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতে নিহত প্রায় ৯০ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের চ্যালেঞ্জ শনাক্তে কক্সবাজারে যাচ্ছে ইসি মহেশখালীতে ড্রেন নির্মাণকাজে ডাম্পারের ধাক্কা, শ্রমিক নিহত টেকনাফে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি ঘটনায় অভিযুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মাঝি আটক কক্সবাজারে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬ তম আবির্ভাব উৎসব উপলক্ষে সাধারণ সভা ১৫ মে গর্জনিয়ায় সোহেলের বসতঘর থেকে মিললো ১ লাখ পিস ইয়াবা : এলাকায় চাঞ্চল্য কোরবানি পশুর চামড়ার দাম বাড়ল এবার কক্সবাজার সরকারি কলেজে ইউনিফর্ম পরে টিকটক-রিলস নিষিদ্ধ, নির্দেশনা অমান্য করলে শাস্তির সতর্কতা বাবার নামে হোটেল ‘সায়মন’ নামকরণ করেছিলেন ইঞ্জি. মোশাররফ ঢাকায় অপহৃত স্কুলছাত্রী কক্সবাজারে উদ্ধার, গ্রেফতার ২ ১ মাসের শিশু হুমাইরাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন…

ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

  • তানভীর শিপু:
  • আপডেট সময় : ১২:১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • 127

কক্সবাজারের রামু থানাধীন ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৫)কে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রামু থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৪ মে ২০২৬) মধ্যরাতে পানিরছড়া এলাকার একটি গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ০৫ এপ্রিল ভোরে রামু থানাধীন ঈদগড় ইউনিয়নে স্থানীয় রুবেল মেম্বারের নেতৃত্বে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিনজন ডাকাতকে অস্ত্রসহ আটক করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারী ও আন্তঃডাকাত দলের সদস্য জাহিদ, নাছির উদ্দিন ও মোবারক মিয়াকে আটক করে।

এ ঘটনায় এএসআই (নিরস্ত্র) মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে রামু থানায় ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে মোঃ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মোঃ দেলোয়ার, মোঃ রেজাউল, সিরাজুল ইসলাম ও মোঃ সোহেলের নাম উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় তিনজন আটক থাকলেও বাকিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।

এরই মধ্যে বুধবার মধ্যরাতে পলাতক আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলামকে একটি গ্যারেজ থেকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আটকে কাজ করছে পুলিশ। তবে যাকে নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তিনি পুলিশের টার্গেটকৃত ব্যক্তি ছিলেন না। তার নামে কোনো ওয়ারেন্ট পাওয়া যায়নি। একই নাম থাকায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, তথ্যগত কোনো ঘাটতি থাকলে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এতে প্রকৃত আসামি সিরাজুল ইসলামকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ১২:১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

কক্সবাজারের রামু থানাধীন ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৫)কে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রামু থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৪ মে ২০২৬) মধ্যরাতে পানিরছড়া এলাকার একটি গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ০৫ এপ্রিল ভোরে রামু থানাধীন ঈদগড় ইউনিয়নে স্থানীয় রুবেল মেম্বারের নেতৃত্বে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিনজন ডাকাতকে অস্ত্রসহ আটক করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারী ও আন্তঃডাকাত দলের সদস্য জাহিদ, নাছির উদ্দিন ও মোবারক মিয়াকে আটক করে।

এ ঘটনায় এএসআই (নিরস্ত্র) মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে রামু থানায় ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে মোঃ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মোঃ দেলোয়ার, মোঃ রেজাউল, সিরাজুল ইসলাম ও মোঃ সোহেলের নাম উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় তিনজন আটক থাকলেও বাকিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।

এরই মধ্যে বুধবার মধ্যরাতে পলাতক আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলামকে একটি গ্যারেজ থেকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আটকে কাজ করছে পুলিশ। তবে যাকে নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তিনি পুলিশের টার্গেটকৃত ব্যক্তি ছিলেন না। তার নামে কোনো ওয়ারেন্ট পাওয়া যায়নি। একই নাম থাকায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, তথ্যগত কোনো ঘাটতি থাকলে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এতে প্রকৃত আসামি সিরাজুল ইসলামকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।