কক্সবাজারের রামু থানাধীন ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৫)কে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রামু থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
বুধবার (১৪ মে ২০২৬) মধ্যরাতে পানিরছড়া এলাকার একটি গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
জানা যায়, গত ০৫ এপ্রিল ভোরে রামু থানাধীন ঈদগড় ইউনিয়নে স্থানীয় রুবেল মেম্বারের নেতৃত্বে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিনজন ডাকাতকে অস্ত্রসহ আটক করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারী ও আন্তঃডাকাত দলের সদস্য জাহিদ, নাছির উদ্দিন ও মোবারক মিয়াকে আটক করে।
এ ঘটনায় এএসআই (নিরস্ত্র) মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে রামু থানায় ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে মোঃ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মোঃ দেলোয়ার, মোঃ রেজাউল, সিরাজুল ইসলাম ও মোঃ সোহেলের নাম উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় তিনজন আটক থাকলেও বাকিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।
এরই মধ্যে বুধবার মধ্যরাতে পলাতক আসামি রশিদনগরের কাহাতিয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলামকে একটি গ্যারেজ থেকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আটকে কাজ করছে পুলিশ। তবে যাকে নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তিনি পুলিশের টার্গেটকৃত ব্যক্তি ছিলেন না। তার নামে কোনো ওয়ারেন্ট পাওয়া যায়নি। একই নাম থাকায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, তথ্যগত কোনো ঘাটতি থাকলে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এতে প্রকৃত আসামি সিরাজুল ইসলামকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তানভীর শিপু: 























