ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে দুই বিদ্যালয়ের ৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চাষ করেছেন ৭ কানি, দিনভর লাইনে দাঁড়িয়ে সার পেলেন ৫ কেজি মাঝ আকাশে ইসরায়েলগামী বিমানের পাইলটকে ছুরিকাঘাত, তবুও যেভাবে বেঁচে ফিরল ১৮০ যাত্রী মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপস: জামিন পেলেন গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী ঘুষ হিসেবে জমি নিয়ে ফাঁসলেন উপ-সচিবসহ ৫ জন সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব করল বিএফআইইউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ববাজারে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ছাড়াল ১০৩ ডলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যেকোন অভিযানের জন্য প্রস্তুত পুলিশ উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত উখিয়ার পালংখালী থেকে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার উখিয়ায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযান: ৫ প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা সেন্টমার্টিনে পর্যটক ভ্রমনে বিধিনিষেধ শিথিল হচ্ছে! কলাতলীতে বাতিল প্লটে মার্কেট নির্মাণ, কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য কুতুবদিয়ায় বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু

মাঠ প্রশাসন সাজাচ্ছে নতুন সরকার : ঈদের আগেই প্রজ্ঞাপন

মাঠ প্রশাসনে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার। এর অংশ হিসেবে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকটি জেলার বর্তমান প্রশাসনিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন ডিসি নিয়োগের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ঈদের ছুটির আগেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর মাঠ প্রশাসনে সমন্বয় আনা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই রদবদল করা হচ্ছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জেলা প্রশাসন পর্যায়ে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম বড় ধরনের পরিবর্তন।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার শপথ গ্রহণ করে। সরকার গঠনের পর গত ১ মার্চ দেশের পাঁচ জেলার জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার করা হয়। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর জেলা প্রশাসক পর্যায়ে এটিই ছিল প্রথম প্রশাসনিক পদক্ষেপ। তবে, প্রত্যাহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে এখনও পদায়ন করা হয়নি; তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত (ওএসডি বা সংযুক্ত) রাখা হয়েছে।

প্রত্যাহার হওয়া জেলা প্রশাসকেরা হলেন— গাজীপুরের মোহাম্মদ আলম হোসেন, পঞ্চগড়ের কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, কুষ্টিয়ার মো. ইকবাল হোসেন, নেত্রকোনার মো. সাইফুর রহমান এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ। উল্লেখ্য, এই পাঁচ কর্মকর্তা গত বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করেছিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের প্রত্যাহার করা হলো।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই পাঁচ জেলা ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হবে। সেজন্য দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের একটি তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই পাঁচ জেলা ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হবে। সেজন্য দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের একটি তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, ডিসি নিয়োগের প্রক্রিয়াটি বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে এবং সরকারের নীতি বাস্তবায়নে দ্রুতই এসব জেলায় নতুন মুখ দেখা যাবে।

উল্লেখ্য, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকরা (ডিসি) সরকারের প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভূমি প্রশাসন পরিচালনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের সমন্বয়ে ডিসির পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাঠ প্রশাসনে গতি ফেরাতে নতুন সরকারের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র:ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে দুই বিদ্যালয়ের ৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

মাঠ প্রশাসন সাজাচ্ছে নতুন সরকার : ঈদের আগেই প্রজ্ঞাপন

আপডেট সময় : ১১:৩১:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

মাঠ প্রশাসনে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার। এর অংশ হিসেবে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকটি জেলার বর্তমান প্রশাসনিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন ডিসি নিয়োগের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ঈদের ছুটির আগেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর মাঠ প্রশাসনে সমন্বয় আনা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই রদবদল করা হচ্ছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জেলা প্রশাসন পর্যায়ে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম বড় ধরনের পরিবর্তন।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার শপথ গ্রহণ করে। সরকার গঠনের পর গত ১ মার্চ দেশের পাঁচ জেলার জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার করা হয়। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর জেলা প্রশাসক পর্যায়ে এটিই ছিল প্রথম প্রশাসনিক পদক্ষেপ। তবে, প্রত্যাহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে এখনও পদায়ন করা হয়নি; তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত (ওএসডি বা সংযুক্ত) রাখা হয়েছে।

প্রত্যাহার হওয়া জেলা প্রশাসকেরা হলেন— গাজীপুরের মোহাম্মদ আলম হোসেন, পঞ্চগড়ের কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, কুষ্টিয়ার মো. ইকবাল হোসেন, নেত্রকোনার মো. সাইফুর রহমান এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ। উল্লেখ্য, এই পাঁচ কর্মকর্তা গত বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করেছিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের প্রত্যাহার করা হলো।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই পাঁচ জেলা ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হবে। সেজন্য দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের একটি তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই পাঁচ জেলা ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হবে। সেজন্য দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের একটি তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, ডিসি নিয়োগের প্রক্রিয়াটি বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে এবং সরকারের নীতি বাস্তবায়নে দ্রুতই এসব জেলায় নতুন মুখ দেখা যাবে।

উল্লেখ্য, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকরা (ডিসি) সরকারের প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভূমি প্রশাসন পরিচালনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের সমন্বয়ে ডিসির পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাঠ প্রশাসনে গতি ফেরাতে নতুন সরকারের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র:ঢাকা পোস্ট