ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন ৪১ জন পেলেন ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক “সন্ত্রাস-চাঁদাবাজিতে উদ্বেগজনক সময় পার করছে দেশবাসী” রামুতে পৃথক অভিযানে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩ রোহিঙ্গা সংকট জটিল ও স্পর্শকাতর ইস্যুতে পরিণত হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুতুবদিয়ায় পানিতে পড়ে নিখোঁজ শিশুকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত কারাগারে উখিয়ায় সতীনের সঙ্গে বিরোধের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করলেন আইনজীবী ইয়াছির আরাফাত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গভীর রাতে সাগরের মাছ পাচার তথ্য মহাসড়কে বাংলাদেশের ২০ বছরের গৌরবযাত্রা: কক্সবাজার থেকে শুরু হয়েছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের বৈশ্বিক সংযোগ নেইমারের বিশ্বকাপ আক্ষেপ—২০২৬ কি হবে শেষ স্বপ্নপূরণের মঞ্চ? ডিএনএ রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই চার্জশিট: আইনমন্ত্রী স্পোর্টস ও ইভি গাড়ি প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতির ৩ অপরাধে ভাষণ বর্জন : জামায়াত আমির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ বর্জন করেছে বিরোধী দল। রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জনের কারণ হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে তার ভাষণ বর্জন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের শুরুতেই বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়েন তিনি। এক পর্যায়ে বিরোধী দলের সদস্যরা অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করেন।

প্রথা অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি।

ওয়াক আউট শেষে সংসদে সাংবাদিক সামনে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এই সংসদ জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা অনুরোধ করেছিলাম, এই সংসদে ফ্যাসিস্টের দোসর, খুনির কোনো দোসর যেন বক্তব্য রাখতে না পারে।’

রাষ্ট্রপতি তিনটি অপরাধে অপরাধী বলে দাবি করেছেন জামায়াত আমির।

তিনি বলেন, ‘এই প্রেসিডেন্ট তিনটা কারণে অপরাধী। তার বক্তব্য এই মহান সংসদে আমরা শুনতে পারি না। প্রথম কারণ, তিনি সব খুনের সহযোগী ছিলেন। দ্বিতীয়ত, তিনি ২০২৪ সালের আগস্টের ৫ তারিখ তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন সেই ভাষণে তিনি বলেছিলেন, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা মঞ্জুর করেছেন।

কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তা অস্বীকার করেছেন। তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন।
তৃতীয় কারণ হিসেবে জামায়াত আমির বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজের হাতে অর্ডিন্যান্স স্বাক্ষর করেছেন। নির্বাচনে দুটি ভোট হবে, এতে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবে তারা সংস্কার সংশোধন পরিষদের সদস্য হিসেবেও নির্বাচিত হবেন। একই দিনে উভয় শপথ একই ব্যক্তি পড়াবেন।

এই শপথ দুটি আমরা নিলেও সরকারি দল নেয়নি।

রাষ্ট্রপতির প্রথম দায়িত্ব ছিল অধ্যাদের জারির ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা। তিনি সেই অধিবেশন ডাকেননি। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি এই ৭০ শতাংশ মানুষকে অপমান করেছেন। এখানেও তিনি অপরাধ করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘স্পিকারের কাছে নিবেদন থাকবে, কোনো ফ্যাসিস্ট বা তার দোসর যেন বক্তব্য দিয়ে সংসদকে কলুষিত করতে না পারেন।’

সূত্র: কালের কন্ঠ

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন

রাষ্ট্রপতির ৩ অপরাধে ভাষণ বর্জন : জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০৪:৪১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ বর্জন করেছে বিরোধী দল। রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জনের কারণ হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে তার ভাষণ বর্জন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের শুরুতেই বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়েন তিনি। এক পর্যায়ে বিরোধী দলের সদস্যরা অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করেন।

প্রথা অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি।

ওয়াক আউট শেষে সংসদে সাংবাদিক সামনে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এই সংসদ জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা অনুরোধ করেছিলাম, এই সংসদে ফ্যাসিস্টের দোসর, খুনির কোনো দোসর যেন বক্তব্য রাখতে না পারে।’

রাষ্ট্রপতি তিনটি অপরাধে অপরাধী বলে দাবি করেছেন জামায়াত আমির।

তিনি বলেন, ‘এই প্রেসিডেন্ট তিনটা কারণে অপরাধী। তার বক্তব্য এই মহান সংসদে আমরা শুনতে পারি না। প্রথম কারণ, তিনি সব খুনের সহযোগী ছিলেন। দ্বিতীয়ত, তিনি ২০২৪ সালের আগস্টের ৫ তারিখ তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন সেই ভাষণে তিনি বলেছিলেন, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা মঞ্জুর করেছেন।

কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তা অস্বীকার করেছেন। তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন।
তৃতীয় কারণ হিসেবে জামায়াত আমির বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজের হাতে অর্ডিন্যান্স স্বাক্ষর করেছেন। নির্বাচনে দুটি ভোট হবে, এতে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবে তারা সংস্কার সংশোধন পরিষদের সদস্য হিসেবেও নির্বাচিত হবেন। একই দিনে উভয় শপথ একই ব্যক্তি পড়াবেন।

এই শপথ দুটি আমরা নিলেও সরকারি দল নেয়নি।

রাষ্ট্রপতির প্রথম দায়িত্ব ছিল অধ্যাদের জারির ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা। তিনি সেই অধিবেশন ডাকেননি। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি এই ৭০ শতাংশ মানুষকে অপমান করেছেন। এখানেও তিনি অপরাধ করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘স্পিকারের কাছে নিবেদন থাকবে, কোনো ফ্যাসিস্ট বা তার দোসর যেন বক্তব্য দিয়ে সংসদকে কলুষিত করতে না পারেন।’

সূত্র: কালের কন্ঠ