দৈনিক যায় দিন ও কক্সবাজার নিউজ-সিবিএন মাল্টিমিয়িার টেকনাফ প্রতিনিধি আরাফাত সানিকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার। রবিার (২৫ জানুয়ারী) কক্সবাজার প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক আরাফাত সানির স্ত্রী জানান, আটকের পূর্বে তিনি (আরাফাত সানি) সেন্টমার্টিনে অবস্থান করছিলেন। পরে দ্বীপ থেকে ফেরার সময় শনিবার বিকাল পৌনে ৫টায় শাহপরীর দ্বীপ ঘাটে পৌঁছলে তাকে আটক করে কোস্টগার্ড। পরে সাজানো নাটকের অংশ হিসেবে তাকে অস্ত্র ও মাদক দিয়ে আটক দেখানো হয়। সানিকে যে সময় আটক করা হয় সেই সময় ঘাটে তার আরো কয়েকজন সহকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তাদের ভাষ্যমতে, হঠাৎ কোস্টগার্ডের সদস্যরা চা খাওয়ার কথা বলে ঘাট থেকে তাকে নিয়ে যায়। এরপর অস্ত্র ও মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়।
তিনি আরও বলেন, আরাফাত সানি দীর্ঘদিন সীমান্ত জনপদ টেকনাফে ঝুঁকি নিয়ে সাংবাদিকতা করে আসছে। ইতোপূর্বে তার অবস্থান ও বেশকিছু নিউজ বিভিন্ন বাহিনীর বিতর্কিত অভিযানের বিরুদ্ধে ছিলো। সেকারণে ক্ষুব্ধ কোস্টগার্ড প্রতিশোধ নিতে গিয়ে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে। তাকে আটকের পর অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমাকে একবার থানায় দেখতেও দেয়নি। যার প্রমাণ স্বরূপ, কোস্টগার্ড ও আইএসপিআরের পৃথকভাবে গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তির মিল নেই। অনতিবিলম্বে আরাফাত সানিকে মুক্তি দিন।
তিনি বলেন, রবিবার আদালতে তোলা হলে আদালত পাড়ায় তিনি আবারো প্রতিবাদ করেন এবং ভুক্তভোগীদের পক্ষে সংবাদ প্রকাশ করায় কাল হয় বলে জানায়, যা দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়ে বইছে। এদিকে কোনো ধরনের মামলা না থাকা সত্বেও কোনো আলামত তাঁর কাছ থেকে জব্দ না করেও গ্রেফতার করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কক্সবাজার জেলাসহ সারাদেশের কর্মরত সাংবাদিকরা। কোস্ট গার্ড অসহায় একজনকে মেরে লাশ গুম করেছিলো তাঁর প্রতিবাদ করায় তাঁকে মিথ্যাভাবে ফাঁসিয়েছে অনতিবিলম্বে সাংবাদিক আরাফাত সানির মুক্তির দাবি জানাচ্ছি
নিজস্ব প্রতিবেদক: 





















