কক্সবাজার শহরের পর্যটন জোনে পিকআপভর্তি বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ পাচারের সময় পাঁচজনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪০০ লিটার চোলাই মদ এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভোর রাতে কক্সবাজার সদরের লাবণী সৈকত এলাকার এসএসকে ঊর্মি হোটেলের বিপরীত পাশে সুগন্ধা সৈকতগামী সড়কে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের একটি টিম ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে সন্দেহভাজন একটি পিকআপে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের কম্বনিয়া এলাকার আনছার উল্লাহর ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (১৯), দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া এলাকার ছুরত আলমের ছেলে মো. এরশাদ (২০), খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পূর্ব ধেছুয়াপালং এলাকার জিন্নাত আলীর ছেলে মো. জিয়াউর রহমান (২৩), থোয়াইঙ্গাকাটা এলাকার মৃত ইব্রাহিমের ছেলে মো. মোরশেদ আলম (২১) এবং একই এলাকার মৃত মনছুর মিয়া ওরফে মোস্তাকের ছেলে ছৈয়দ নূর (২১)।
ডিএনসি জানায়, একটি সিঙ্গেল কেবিন পিকআপের পাটাতনে থাকা ১৯টি সিনথেটিক বস্তার ভেতরে বিশেষ কায়দায় চোলাই মদ বহন করা হচ্ছিল। এর মধ্যে ১৮টি বস্তায় দুটি করে পলিথিন প্যাকেটে মোট ৩৬০ লিটার এবং অপর একটি বস্তায় চারটি পলিথিন প্যাকেটে আরও ৪০ লিটার চোলাই মদ পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ৪০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।
অভিযানকালে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপটিও জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক পাঁচজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সোমেন মন্ডল।
তিনি অবগত করেন, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে কক্সবাজার জেলায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। মাদক উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
বিশেষ প্রতিবেদক 



















