ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করতে নতুন সরকারের বহুমুখী চ্যালেঞ্জ দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, নতুন অস্ত্র আসছে : রেভল্যুশনারি গার্ড হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরেছে বাংলাদেশ : রাষ্ট্রপতি কুয়েতে মাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু ফেব্রুয়ারিতে দেশে ৪৪৮ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৪৭ জন চুক্তি করতে যুক্তরাষ্ট্রকে ডাকছে ইরান: ট্রাম্প আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরাইল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবার ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র উখিয়ার রেজুখালে রাতভর প্রার্থনার পর সকালে মিলল কিশোরের মরদেহ আজান পর্যন্ত সেহরি খেলে রোজা হবে কি না, জেনে নিন চট্টগ্রামে দরবেশকাটা সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল রাশিয়ার ফাঁদে ট্রাম্প! মধ্যপ্রাচ্যের নতুন ‘বাদশা’ ইরান? কলাতলীর সংঘর্ষের কারণ কি? সেন্ট মার্টিনের কাছে ধরা পড়ল পাঁচ মণ ওজনের বোল মাছ, বিক্রি ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান

মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও স্ত্রীর ৩৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং তার স্ত্রী সিতারা আলমগীরের নামে থাকা ৩৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছে আদালত।

এসব হিসাবে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার রয়েছে বলে দুদকের ভাষ্য।

দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আইএফআইসি ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, যমুনা ব্যংক, মধুমতি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মহীউদ্দিন খান আলমগীর এবং সিতারা আলমগীরের ব্যক্তিগত নামে পরিচালিত ৩৩টি হিসাবে ২০০৯ সালের ১৯ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫১ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২২ টাকা এবং ৬১৮৮ মার্কিন ডলার জমা করা হয়।

ওই সময়ে এসব অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশি ৪৪ কোটি ৯৫ লাখ ৯৪ হাজার ৪২৩ টাকা এবং ৬ হাজার মার্কিন ডলার উত্তোলন করা হয়। ওই ৩৩টি হিসাবে জমা-উত্তোলন শেষে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্থিতি ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার।

দুদক বলছে, “এসব হিসাবের তথ্যাদি পর্যালোচনায় হিসাব খোলার সময় থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত লেনদেনগুলো অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক মর্মে প্রতীয়মান হয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা যায়, আসামিরা তাদের নামীয় ব্যাংক হিসাবসমূহে রক্ষিত অর্থ উত্তোলন করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাছাড়া, ব্যাংক হিসাবগুলো ব্যবহার করে তারা অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ পাচার করার সম্ভাবনা রয়েছে।”

‘সুষ্ঠু’ তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা ‘প্রয়োজন’ বলে আর্জি জানানো হয় আবেদনে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :

আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করতে নতুন সরকারের বহুমুখী চ্যালেঞ্জ

মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও স্ত্রীর ৩৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

আপডেট সময় : ০৪:১১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং তার স্ত্রী সিতারা আলমগীরের নামে থাকা ৩৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছে আদালত।

এসব হিসাবে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার রয়েছে বলে দুদকের ভাষ্য।

দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আইএফআইসি ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, যমুনা ব্যংক, মধুমতি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মহীউদ্দিন খান আলমগীর এবং সিতারা আলমগীরের ব্যক্তিগত নামে পরিচালিত ৩৩টি হিসাবে ২০০৯ সালের ১৯ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫১ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২২ টাকা এবং ৬১৮৮ মার্কিন ডলার জমা করা হয়।

ওই সময়ে এসব অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশি ৪৪ কোটি ৯৫ লাখ ৯৪ হাজার ৪২৩ টাকা এবং ৬ হাজার মার্কিন ডলার উত্তোলন করা হয়। ওই ৩৩টি হিসাবে জমা-উত্তোলন শেষে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্থিতি ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার।

দুদক বলছে, “এসব হিসাবের তথ্যাদি পর্যালোচনায় হিসাব খোলার সময় থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত লেনদেনগুলো অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক মর্মে প্রতীয়মান হয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা যায়, আসামিরা তাদের নামীয় ব্যাংক হিসাবসমূহে রক্ষিত অর্থ উত্তোলন করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাছাড়া, ব্যাংক হিসাবগুলো ব্যবহার করে তারা অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ পাচার করার সম্ভাবনা রয়েছে।”

‘সুষ্ঠু’ তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা ‘প্রয়োজন’ বলে আর্জি জানানো হয় আবেদনে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম