ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার প্রেসক্লাবে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে ৭০০ পরিবারের মাঝে তবারুক বিতরণ ২৪ বছর ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত পেকুয়ার নন্দীরপাড়া স্টেশন সড়ক ভেসে এলো নিখোঁজ আলবার্টের মরদেহ : জীবিত উদ্ধার নিউজিল্যান্ডের নাগরিকেরা কোস্টগার্ডের হেফাজতে উখিয়া সীমান্তে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ১ পুলিশ বাহিনীকে রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব ইসলামাবাদে হাসপাতালে আগুন, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ওয়ান শুটারগানসহ যুবক আটক পালংখালী খালে মাছ ধরতে গিয়ে দুই রোহিঙ্গা শিশু নিখোঁজ, একজনের মরদেহ উদ্ধার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ উখিয়ায় দুই রেস্তোরাঁয় অনিয়ম, ৪ লাখ টাকা জরিমানা বাঁকখালী নয়, রামু অথবা ঈদগাঁও উপজেলার সাথে থাকতে চেয়ে ঈদগড়বাসীর স্মারকলিপি কক্সবাজারে বহুল প্রত্যাশিত মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়ক বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ‎

মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও স্ত্রীর ৩৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং তার স্ত্রী সিতারা আলমগীরের নামে থাকা ৩৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছে আদালত।

এসব হিসাবে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার রয়েছে বলে দুদকের ভাষ্য।

দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আইএফআইসি ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, যমুনা ব্যংক, মধুমতি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মহীউদ্দিন খান আলমগীর এবং সিতারা আলমগীরের ব্যক্তিগত নামে পরিচালিত ৩৩টি হিসাবে ২০০৯ সালের ১৯ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫১ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২২ টাকা এবং ৬১৮৮ মার্কিন ডলার জমা করা হয়।

ওই সময়ে এসব অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশি ৪৪ কোটি ৯৫ লাখ ৯৪ হাজার ৪২৩ টাকা এবং ৬ হাজার মার্কিন ডলার উত্তোলন করা হয়। ওই ৩৩টি হিসাবে জমা-উত্তোলন শেষে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্থিতি ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার।

দুদক বলছে, “এসব হিসাবের তথ্যাদি পর্যালোচনায় হিসাব খোলার সময় থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত লেনদেনগুলো অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক মর্মে প্রতীয়মান হয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা যায়, আসামিরা তাদের নামীয় ব্যাংক হিসাবসমূহে রক্ষিত অর্থ উত্তোলন করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাছাড়া, ব্যাংক হিসাবগুলো ব্যবহার করে তারা অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ পাচার করার সম্ভাবনা রয়েছে।”

‘সুষ্ঠু’ তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা ‘প্রয়োজন’ বলে আর্জি জানানো হয় আবেদনে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার প্রেসক্লাবে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও স্ত্রীর ৩৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

আপডেট সময় : ০৪:১১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং তার স্ত্রী সিতারা আলমগীরের নামে থাকা ৩৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছে আদালত।

এসব হিসাবে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার রয়েছে বলে দুদকের ভাষ্য।

দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আইএফআইসি ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, যমুনা ব্যংক, মধুমতি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মহীউদ্দিন খান আলমগীর এবং সিতারা আলমগীরের ব্যক্তিগত নামে পরিচালিত ৩৩টি হিসাবে ২০০৯ সালের ১৯ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫১ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২২ টাকা এবং ৬১৮৮ মার্কিন ডলার জমা করা হয়।

ওই সময়ে এসব অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশি ৪৪ কোটি ৯৫ লাখ ৯৪ হাজার ৪২৩ টাকা এবং ৬ হাজার মার্কিন ডলার উত্তোলন করা হয়। ওই ৩৩টি হিসাবে জমা-উত্তোলন শেষে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্থিতি ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫০১ টাকা এবং ১৮৮ মার্কিন ডলার।

দুদক বলছে, “এসব হিসাবের তথ্যাদি পর্যালোচনায় হিসাব খোলার সময় থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত লেনদেনগুলো অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক মর্মে প্রতীয়মান হয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা যায়, আসামিরা তাদের নামীয় ব্যাংক হিসাবসমূহে রক্ষিত অর্থ উত্তোলন করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাছাড়া, ব্যাংক হিসাবগুলো ব্যবহার করে তারা অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ পাচার করার সম্ভাবনা রয়েছে।”

‘সুষ্ঠু’ তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা ‘প্রয়োজন’ বলে আর্জি জানানো হয় আবেদনে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম