ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ টেকনাফে ওয়াই-ফাই লাইনের কাজের অজুহাতে জাল নোটের কারখানা পেকুয়াকে পৌরসভা রুপান্তর করায় আনন্দ মিছিল সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে অপহৃত ৬ জন উদ্ধার, মায়ানমার মুদ্রাসহ নারী গ্রেফতার ঘুমধুম সীমান্তে স্থল মাইন বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মেয়েকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, আটক যুবক রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট জমা আজ, ছুটিতে বিশেষ কোর্টে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিচার বাংলাদেশ দ্রুতই সবুজ-টেকসই উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী শিশুর আচরণ দেখে বুঝে নিন শরীরে পুষ্টির অভাব আছে কি না কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গণে গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ১, বিদেশি পিস্তল সহ আটক ১ বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষ, নিহত ৫ রামিসা হত্যা : সোহেল ও তার স্ত্রীকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিচ্ছে পুলিশ অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন ৪১ জন পেলেন ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক “সন্ত্রাস-চাঁদাবাজিতে উদ্বেগজনক সময় পার করছে দেশবাসী”

হাসনাত-সারজিসকে ১০০ বার ফোন দিলেও রিসিভ করে না: শহীদ আবদুল্লাহর মায়ের অভিযোগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহদের ১০০ বার ফোন দিলেও তারা রিসিভ করেন না বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনে শহিদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় কান্নাজড়িত তিনি নিয়ে এসব কথা বলেন।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, এই উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার আজ পর্যন্ত আমাদের খোঁজ নিতে পারে নাই। আমার ছেলের রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতা পেলেও তারা একবারও আমাদের খোঁজ নিল না। এমনকি সারজিস-হাসনাতকে আমরা ১০০টা ফোন দিলেও তারা রিসিভ করে না।
জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৫ আগস্ট সন্ধ্যায় বিমানবন্দর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় আবদুল্লাহ।
আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা বলেন, আমার দুই ছেলে। বড় ছেলে আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের বয়স ১৭ বছর ছোট ছেলের বয়স ১৪ বছর। আমার বড় ছেলে মারা যাওয়ার ১৪ দিনের মাথায় আমার ছোট ছেলের ক্যান্সার ধরা পরে। সে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মে মাসের ১৮ তারিখে আমার স্বামী ব্রেন স্টক করে মারা যান। আমরা বিএনপি পরিবার থেকে আমার ছোট ছেলের খোঁজ খবর নেয় এবং তার চিকিৎসার খরচ গ্রহণ করে। আগামী শুক্রবার ছোট ছেলের আরেকটা অপারেশন হবে। আমার শেষ অবলম্বন টুকু যেন আমরা কাছে থাকে এজন্য সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আমরা বিএনপি পরিবার আজ আমাদের সঙ্গে না থাকলে আমাদের আজ রাস্তায় নামতে হত, আমার ছোট ছেলেও আজ দুনিয়াতে থাকত না।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা।

সূত্র : যুগান্তর

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

হাসনাত-সারজিসকে ১০০ বার ফোন দিলেও রিসিভ করে না: শহীদ আবদুল্লাহর মায়ের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:২২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহদের ১০০ বার ফোন দিলেও তারা রিসিভ করেন না বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনে শহিদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় কান্নাজড়িত তিনি নিয়ে এসব কথা বলেন।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, এই উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার আজ পর্যন্ত আমাদের খোঁজ নিতে পারে নাই। আমার ছেলের রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতা পেলেও তারা একবারও আমাদের খোঁজ নিল না। এমনকি সারজিস-হাসনাতকে আমরা ১০০টা ফোন দিলেও তারা রিসিভ করে না।
জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৫ আগস্ট সন্ধ্যায় বিমানবন্দর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় আবদুল্লাহ।
আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা বলেন, আমার দুই ছেলে। বড় ছেলে আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের বয়স ১৭ বছর ছোট ছেলের বয়স ১৪ বছর। আমার বড় ছেলে মারা যাওয়ার ১৪ দিনের মাথায় আমার ছোট ছেলের ক্যান্সার ধরা পরে। সে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মে মাসের ১৮ তারিখে আমার স্বামী ব্রেন স্টক করে মারা যান। আমরা বিএনপি পরিবার থেকে আমার ছোট ছেলের খোঁজ খবর নেয় এবং তার চিকিৎসার খরচ গ্রহণ করে। আগামী শুক্রবার ছোট ছেলের আরেকটা অপারেশন হবে। আমার শেষ অবলম্বন টুকু যেন আমরা কাছে থাকে এজন্য সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আমরা বিএনপি পরিবার আজ আমাদের সঙ্গে না থাকলে আমাদের আজ রাস্তায় নামতে হত, আমার ছোট ছেলেও আজ দুনিয়াতে থাকত না।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা।

সূত্র : যুগান্তর