ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়: মির্জা ফখরুল টেকনাফে মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার মোদির আমন্ত্রণে ভারত সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট কুতুবদিয়ায় ‘দ্বীপবর্তিকা’র উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার ও আইকিউ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের প্রথম বা দ্বিতীয় ম্যাচেই ফিরতে পারেন নেইমার: আনচেলত্তি নেইমারকে ছাড়াই পানামার বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশ ঘোষণা হিজাব পরায় তোপের মুখে বলিউড অভিনেত্রী দিল্লিতে বহুতল ভবন ধস, নিহত অন্তত ৯ দেশজুড়ে আরও বাড়বে গরম, চট্টগ্রামসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন নৌকার সমর্থক , উখিয়ার কৃষকদল আহবায়ক দিলেন সাংবাদিকদের হুমকি! নাফ নদীতে রোহিঙ্গা ডাকাতদলের সাথে বিজিবির গোলাগুলি : ২ ডাকাত আটক কোরবানির পশুর নামকরণ ও ভূরাজনৈতিক সংবেদনশীলতা প্রেমিকাকে উদ্ধারে গিয়ে প্রেমিকের ওপর চড়াও পুলিশ, লঙ্কাকাণ্ড ৪০০ জনকে ঔষুধসহ ফ্রি চিকিৎসা দিলো কর্মবীর

শতাধিক গুম-খুনের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিচার শুরু

শতাধিক গুম-খুনের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের শুনানিতে জিয়াউলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী এবং তার বোন আইনজীবী নাজনীন নাহার।

ওইদিন জিয়াউলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী ও তার বোন আইনজীবী নাজনীন নাহার। শুনানিতে প্রসিকিউশনের তিনটি অভিযোগের বিরোধিতা করেন তারা। রাষ্ট্রপক্ষের তথ্য-উপাত্ত মতে এসব ঘটনার সঙ্গে জিয়াউল আহসানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করা হয়। এজন্য ট্রাইব্যুনালের কাছে তার অব্যাহতি প্রার্থনা করেন আইনজীবীরা। তবে তাৎক্ষণিক আসামিপক্ষের কথার জবাব দেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জবানবন্দি দেওয়া দুজনের সাক্ষ্যও তুলে ধরেন তিনি।

গত ৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন। এতে জিয়াউলের অপরাধমূলক সব কর্মকাণ্ডের বিবরণ দেওয়া হয়। তথ্যপ্রমাণাদি বিবেচনায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।

এ মামলায় সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ আনা হয়। প্রথমটি হলো– ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সড়কের পাশে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিন হত্যা।

দ্বিতীয় অভিযোগে অপরাধের সময়কাল হলো ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। এ সময়টায় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালঘেঁষা বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যা।

তৃতীয় অভিযোগেও ৫০ হত্যার অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন। অর্থাৎ দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লিখিত সময়ে বরগুনার বলেশ্বর নদী ও বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে তথাকথিত বনদস্যু দমনের আড়ালে মাসুদসহ ৫০ জনের প্রাণ নেওয়া।

এসব হত্যাকাণ্ডের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউলকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। একই দিন সকালে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

সূত্র: যুগান্তর

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়: মির্জা ফখরুল

শতাধিক গুম-খুনের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিচার শুরু

আপডেট সময় : ০১:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

শতাধিক গুম-খুনের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের শুনানিতে জিয়াউলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী এবং তার বোন আইনজীবী নাজনীন নাহার।

ওইদিন জিয়াউলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী ও তার বোন আইনজীবী নাজনীন নাহার। শুনানিতে প্রসিকিউশনের তিনটি অভিযোগের বিরোধিতা করেন তারা। রাষ্ট্রপক্ষের তথ্য-উপাত্ত মতে এসব ঘটনার সঙ্গে জিয়াউল আহসানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করা হয়। এজন্য ট্রাইব্যুনালের কাছে তার অব্যাহতি প্রার্থনা করেন আইনজীবীরা। তবে তাৎক্ষণিক আসামিপক্ষের কথার জবাব দেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জবানবন্দি দেওয়া দুজনের সাক্ষ্যও তুলে ধরেন তিনি।

গত ৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন। এতে জিয়াউলের অপরাধমূলক সব কর্মকাণ্ডের বিবরণ দেওয়া হয়। তথ্যপ্রমাণাদি বিবেচনায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।

এ মামলায় সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ আনা হয়। প্রথমটি হলো– ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সড়কের পাশে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিন হত্যা।

দ্বিতীয় অভিযোগে অপরাধের সময়কাল হলো ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। এ সময়টায় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালঘেঁষা বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যা।

তৃতীয় অভিযোগেও ৫০ হত্যার অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন। অর্থাৎ দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লিখিত সময়ে বরগুনার বলেশ্বর নদী ও বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে তথাকথিত বনদস্যু দমনের আড়ালে মাসুদসহ ৫০ জনের প্রাণ নেওয়া।

এসব হত্যাকাণ্ডের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউলকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। একই দিন সকালে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

সূত্র: যুগান্তর