ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাথাগোঁজার একমাত্র আশ্রয় হারিয়ে লোহাগাড়ার আবদুল বারীর আর্তনাদ, — পাশে দাঁড়ানোর আকুতি এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে কক্সবাজারে পাঁচ ঘণ্টার সড়ক অবরোধ পাহাড় কর্তনকারী ও বন্যায় স্লুইসগেট বন্ধের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বিশ্বে ফার্মের মুরগি উৎপাদনে বাংলাদেশ কততম, শীর্ষে কারা? সড়ক দুর্ঘটনায় সিটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ক্যথিং এবং সাবেক এমপি এথিন রাখাইন আহত পদার্থবিজ্ঞানের ৬ ও ৭ দুটি প্রশ্নের পুরো নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী পদার্থবিজ্ঞানের ৬ ও ৭ দুটি প্রশ্নের পুরো নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকায় পরীক্ষা নেওয়ায় বিক্ষোভ, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি নতুন দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংবিধানে গণভোটের বিধান না থাকলে ২০২৬ সালে নির্বাচনও নেই: শফিকুর রহমান কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড়ধসের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম, পুনর্বাসনের আশ্বাস জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটিকে স্বাগত, আশাবাদী রোহিঙ্গারা বৃহত্তর গর্জনিয়ায় বানভাসীদের মাঝে ওয়ার্ল্ড ভিশনের ত্রাণ বিতরণ করলেন ডিসি ও ইউএনও ভেসে গেছে ৩ হাজার ৯১৮ পুকুর-ঘেরের মাছ, ক্ষতি ৪৬ কোটি টাকা কক্সবাজারে পানিবাহিত রোগ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্কতা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়খেকোদের দৌরাত্ম্য বন্ধে তৎপর বনবিভাগ

Oplus_131072

মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে কক্সবাজারের দুই উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার একর বনভূমি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

ক্যাম্প এলাকায় অবশিষ্ট বনভূমিও পাহাড়খেকোদের কালো থাবায় এখন হুমকির মুখে, ভূমিধস সহ তৈরি হয়েছে পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকি।

আসন্ন বর্ষাকে সামনে রেখে সম্ভাব্য ঝুঁকি যখন উঁকি দিচ্ছে তখন পাহাড় নিধন বন্ধে দেখা গেছে বনবিভাগের তৎপরতা।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়া রেঞ্জ পরিচালিত এক অভিযানে শুক্রবার (২৩ মে) পাহাড় নিধনে ব্যবহৃত একটি ডাম্পার (মিনিট্রাক) জব্দ করা হয়।

উখিয়া রেঞ্জের আভিযানিক দল

বনবিভাগ বলছে, ১৯ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে জব্দ ডাম্পারটি চিহ্নিত পাহাড়খেকো পালংখালী ইউপির থাইংখালী ঘোনারপাড়ার বাসিন্দা মৃত আব্দুর শরীফের পুত্র মোহাম্মদ নুরুল আমিন (২৭) এর মালিকানাধীন।

পলাতক নুরুল আমিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বন আইনে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

১৯ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পটি অবস্থিত উখিয়া রেঞ্জের আওতাধীন সংরক্ষিত বনাঞ্চলের থাইংখালী বিটে, যেখানে রয়েছে হাজার একরের বনভূমি।

গত ২৪ এপ্রিল এই বিটভুক্ত ১৬ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবৈধভাবে নির্মিত আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয় বনবিভাগ।

এই বিটের বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছেন বন কর্মকর্তা (ফরেস্টার) বিকাশ দাশ।

নিয়মিত অভিযান ছাড়াও সুফল প্রকল্পের আওতায় গড়ে তোলা ২২০ হেক্টর বনভূমির প্রায় সাড়ে ৫ লক্ষাধিক গাছের ‘বৃহত্তর’ বাগান পরিচর্যায় কাজ করছে থাইংখালী বিট।

বিকাশ দাশ বলেন, ‘ জনবল সংকট, পাহাড়খেকোদের হুমকির মতো অসংখ্য চ্যালেঞ্জ স্বত্ত্বেও আমরা চেষ্টা করছি বনভূমি রক্ষার্থে অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে যেতে।’

সরকারী সম্পদের যেনো ক্ষতি সাধন না হয় সে লক্ষ্যে বন ও পরিবেশের স্বার্থে বনবিভাগ’কে সবার সহযোগিতা করা উচিত বলে মনে করেন উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা (সহকারী বন সংরক্ষক) মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম।

উখিয়ায় যোগদানের পর থেকে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তৎপরতা দেখানো এই কর্মকর্তা বলেন, ‘ পাহাড় ও বন ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বনবিভাগের আভিযানিক কার্যক্রম সব সময় অব্যাহত থাকবে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাথাগোঁজার একমাত্র আশ্রয় হারিয়ে লোহাগাড়ার আবদুল বারীর আর্তনাদ, — পাশে দাঁড়ানোর আকুতি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়খেকোদের দৌরাত্ম্য বন্ধে তৎপর বনবিভাগ

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে কক্সবাজারের দুই উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার একর বনভূমি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

ক্যাম্প এলাকায় অবশিষ্ট বনভূমিও পাহাড়খেকোদের কালো থাবায় এখন হুমকির মুখে, ভূমিধস সহ তৈরি হয়েছে পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকি।

আসন্ন বর্ষাকে সামনে রেখে সম্ভাব্য ঝুঁকি যখন উঁকি দিচ্ছে তখন পাহাড় নিধন বন্ধে দেখা গেছে বনবিভাগের তৎপরতা।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়া রেঞ্জ পরিচালিত এক অভিযানে শুক্রবার (২৩ মে) পাহাড় নিধনে ব্যবহৃত একটি ডাম্পার (মিনিট্রাক) জব্দ করা হয়।

উখিয়া রেঞ্জের আভিযানিক দল

বনবিভাগ বলছে, ১৯ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে জব্দ ডাম্পারটি চিহ্নিত পাহাড়খেকো পালংখালী ইউপির থাইংখালী ঘোনারপাড়ার বাসিন্দা মৃত আব্দুর শরীফের পুত্র মোহাম্মদ নুরুল আমিন (২৭) এর মালিকানাধীন।

পলাতক নুরুল আমিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বন আইনে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

১৯ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পটি অবস্থিত উখিয়া রেঞ্জের আওতাধীন সংরক্ষিত বনাঞ্চলের থাইংখালী বিটে, যেখানে রয়েছে হাজার একরের বনভূমি।

গত ২৪ এপ্রিল এই বিটভুক্ত ১৬ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবৈধভাবে নির্মিত আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয় বনবিভাগ।

এই বিটের বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছেন বন কর্মকর্তা (ফরেস্টার) বিকাশ দাশ।

নিয়মিত অভিযান ছাড়াও সুফল প্রকল্পের আওতায় গড়ে তোলা ২২০ হেক্টর বনভূমির প্রায় সাড়ে ৫ লক্ষাধিক গাছের ‘বৃহত্তর’ বাগান পরিচর্যায় কাজ করছে থাইংখালী বিট।

বিকাশ দাশ বলেন, ‘ জনবল সংকট, পাহাড়খেকোদের হুমকির মতো অসংখ্য চ্যালেঞ্জ স্বত্ত্বেও আমরা চেষ্টা করছি বনভূমি রক্ষার্থে অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে যেতে।’

সরকারী সম্পদের যেনো ক্ষতি সাধন না হয় সে লক্ষ্যে বন ও পরিবেশের স্বার্থে বনবিভাগ’কে সবার সহযোগিতা করা উচিত বলে মনে করেন উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা (সহকারী বন সংরক্ষক) মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম।

উখিয়ায় যোগদানের পর থেকে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তৎপরতা দেখানো এই কর্মকর্তা বলেন, ‘ পাহাড় ও বন ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বনবিভাগের আভিযানিক কার্যক্রম সব সময় অব্যাহত থাকবে।’