ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারা দেশে দুইদিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা কক্সবাজারে সিএনজি থেকে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের দাফন সম্পন্ন নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন  সড়ক ভাড়া দিলো কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা, পাঁচ ধাপে হবে ভোটগ্রহণ প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায়না : হাইকোর্ট রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলা‌দে‌শি আহত বাড়িতে স্ত্রীর লাশ রেখে মসজিদে গিয়ে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু অবশেষে গ্রেফতার হলো নিহত তাজমিনের প্রেমিক রাজু উখিয়ার কোটবাজার থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি জসিম গ্রেপ্তার আরব আমিরাত থেকে ৯৬ লাখ টাকা চুরি করে পালিয়ে এলো চকরিয়ার নোমান, খুঁজছে পুলিশ কক্সবাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান : ৫৬ হাজার টাকা জরিমানা উখিয়ায় কমিউনিটি রিপোর্টিং জোরদারে এমবোলডেন বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা তাজমিন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ‘সম্পর্ক নেই’ রাজুর

টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে উদ্ধার ২০

টেকনাফে পৃথক অভিযান চালিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের সময় নারী-পুরুষসহ ২০ জনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ও কোস্টগার্ড। এর মধ্যে পুলিশের অভিযানে ১৮ জন এবং কোস্টগার্ডের অভিযানে ২ জনকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ২০ জনের মধ্যে দুইজন রোহিঙ্গা এবং ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াখালীপাড়া এলাকার মেরিন ড্রাইভের ফিনিক্স ভাঙা নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৮ জনকে উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি মানবপাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফের দুর্গম উপকূলীয় এলাকা ব্যবহার করে ছোট মাছ ধরার নৌকায় করে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। মঙ্গলবার রাতে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে নারী-পুরুষের একটি দলকে বাহারছড়ার কচ্ছপিয়া উপকূলীয় এলাকায় জড়ো করা হয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ আবু সাঈদের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পূর্ব ও পশ্চিম পাশে অভিযান চালিয়ে ১৮ জন নারী-পুরুষকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা সাগরপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে দুইজন রোহিঙ্গা এবং ১৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক।

বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ আবু সাঈদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া ১৮ জন রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, একই দিনে টেকনাফের বাহারছড়া উপকূলীয় এলাকায় পৃথক অভিযান চালায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় আরও দুই বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে উদ্ধার ২০

আপডেট সময় : ১১:২৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টেকনাফে পৃথক অভিযান চালিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের সময় নারী-পুরুষসহ ২০ জনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ও কোস্টগার্ড। এর মধ্যে পুলিশের অভিযানে ১৮ জন এবং কোস্টগার্ডের অভিযানে ২ জনকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ২০ জনের মধ্যে দুইজন রোহিঙ্গা এবং ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াখালীপাড়া এলাকার মেরিন ড্রাইভের ফিনিক্স ভাঙা নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৮ জনকে উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি মানবপাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফের দুর্গম উপকূলীয় এলাকা ব্যবহার করে ছোট মাছ ধরার নৌকায় করে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। মঙ্গলবার রাতে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে নারী-পুরুষের একটি দলকে বাহারছড়ার কচ্ছপিয়া উপকূলীয় এলাকায় জড়ো করা হয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ আবু সাঈদের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পূর্ব ও পশ্চিম পাশে অভিযান চালিয়ে ১৮ জন নারী-পুরুষকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা সাগরপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে দুইজন রোহিঙ্গা এবং ১৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক।

বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ আবু সাঈদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া ১৮ জন রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, একই দিনে টেকনাফের বাহারছড়া উপকূলীয় এলাকায় পৃথক অভিযান চালায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় আরও দুই বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে।