ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মায়ানমারে পাচারকালে ১০ হাজার কেজি ইউরিয়া সারসহ ৯ পাচারকারী আটক: পাচারকাজে ব্যবহৃত বোট জব্দ পেকুয়ায় দীর্ঘ বছর পর দখলমুক্ত হচ্ছে শতবর্ষী খেলার মাঠ লোহাগাড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, রয়েল ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা শিশু খাদ্য ভিন্ন মোড়কে বিক্রিসহ বিভিন্ন অপরাধে শহরের তিন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা জাতীয় যুব দিবস : কক্সবাজারে র‍্যালী ও আলোচনা সভা মিয়ানমারের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফের হ্নীলা-হোয়াইক্যং সীমান্ত সমুদ্রভ্রমণ থেকে অ’গ্নি’দ’গ্ধ দুঃস্বপ্ন, ১১ দিন পর দাদার কবরের পাশে মুক্তা মহেশখালীতে অস্ত্রসহ মালেককে আটকের দাবি পুলিশের “আহমদ গিয়াস থেকে যাবে, তাঁর না থাকা জুড়ে” রামুতে ৩ লাখ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেফতার দেশে ৪ কোটি ১৬ লাখ মানুষ সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে না সাতকানিয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, বাসে আগুন, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, এমপি কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগ, অভিযানের আবেদন

আরব আমিরাত থেকে ৯৬ লাখ টাকা চুরি করে পালিয়ে এলো চকরিয়ার নোমান, খুঁজছে পুলিশ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহর থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ চুরি করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মো. নোমান নামে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত নোমান প্রবাসে তার কর্মস্থল থেকে কৌশলে লকারের চাবি চুরি করে ভ২ লাখ ৮০ হাজার দিরহাম বা প্রায় ৯৬ লাখ ৩২ হাজার টাকা চুরি করে বাংলাদেশে চলে আসে।

​ভুক্তভোগী প্রবাসী সাইফুল ইসলাম জানান, আজমান শহরে তার নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কাজের সুবাদে একই বাসায় বসবাস করতো নোমান। গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর সাইফুলের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে লকারের চাবি হাতিয়ে নেন তিনি। এরপর লকারে থাকা সমুদয় অর্থ নিয়ে উধাও হয় নোমান। পরবর্তীতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর জানা যায়, একটি প্রভাবশালী চক্রের সহায়তায় তিনি ইতোমধ্যে চুরির টাকা নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন।

​এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে কক্সবাজারের চকরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। অভিযুক্ত মোহাম্মদ নোমান (৩৫) চকরিয়া উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম পুকপুকুরিয়া, আজম উল্লাহ পাড়ার আবুল হোছাইন ও হামিদা বেগমের ছেলে।

​পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার ও চুরিকৃত টাকা উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী সাইফুল ইসলাম।

এ বিষয়ে বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করেও নোমানের সাথে যোগাযোগ করা যায় নি। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে নোমান এলাকায় নেই।

এদিকে এ মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা চকরিয়া থানায় সাব ইন্সপেক্টর মো: ইসমাইল জানান, মামলার ২ জন আসামীকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং কিছু টাকাও উদ্ধার করা হয়েছে, আসামী নোমানের সন্ধান পাওয়া যায়নি, তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

ট্যাগ :

মায়ানমারে পাচারকালে ১০ হাজার কেজি ইউরিয়া সারসহ ৯ পাচারকারী আটক: পাচারকাজে ব্যবহৃত বোট জব্দ

আরব আমিরাত থেকে ৯৬ লাখ টাকা চুরি করে পালিয়ে এলো চকরিয়ার নোমান, খুঁজছে পুলিশ

আপডেট সময় : ১০:০৮:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহর থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ চুরি করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মো. নোমান নামে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত নোমান প্রবাসে তার কর্মস্থল থেকে কৌশলে লকারের চাবি চুরি করে ভ২ লাখ ৮০ হাজার দিরহাম বা প্রায় ৯৬ লাখ ৩২ হাজার টাকা চুরি করে বাংলাদেশে চলে আসে।

​ভুক্তভোগী প্রবাসী সাইফুল ইসলাম জানান, আজমান শহরে তার নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কাজের সুবাদে একই বাসায় বসবাস করতো নোমান। গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর সাইফুলের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে লকারের চাবি হাতিয়ে নেন তিনি। এরপর লকারে থাকা সমুদয় অর্থ নিয়ে উধাও হয় নোমান। পরবর্তীতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর জানা যায়, একটি প্রভাবশালী চক্রের সহায়তায় তিনি ইতোমধ্যে চুরির টাকা নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন।

​এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে কক্সবাজারের চকরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। অভিযুক্ত মোহাম্মদ নোমান (৩৫) চকরিয়া উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম পুকপুকুরিয়া, আজম উল্লাহ পাড়ার আবুল হোছাইন ও হামিদা বেগমের ছেলে।

​পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার ও চুরিকৃত টাকা উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী সাইফুল ইসলাম।

এ বিষয়ে বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করেও নোমানের সাথে যোগাযোগ করা যায় নি। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে নোমান এলাকায় নেই।

এদিকে এ মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা চকরিয়া থানায় সাব ইন্সপেক্টর মো: ইসমাইল জানান, মামলার ২ জন আসামীকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং কিছু টাকাও উদ্ধার করা হয়েছে, আসামী নোমানের সন্ধান পাওয়া যায়নি, তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।