মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নে ফুটবলার গোলকিপার সাঈদীর ওপর হামলার ঘটনায় হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর কাসেম চৌধুরী ও তার ছেলে মিরাজকে জড়িয়ে এজাহার দেয়ার প্রতিবাদে হোয়ানকে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত করার দাবিতে মঙ্গলবার বিকেলে হোয়ানকে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে এলাকার স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা জানান, একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নির্দোষ মানুষদের হয়রানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ছেলের এই ঘটনার সঙ্গে বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে তারা বলেন, স্রেফ সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এজাহারে তাদের নাম যুক্ত করা হয়েছে। প্রকৃত অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি কোনো নিরীহ ব্যক্তি যেন বলির পাঁঠা না হন, সে দাবি জানান বক্তারা।
ঘটনার সময় সাঈদীর সাথে একই মোটরসাইকেলে থাকা এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হামলায় মূলত একজন ব্যক্তিই সরাসরি জড়িত ছিলেন। অথচ পরবর্তীতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ছেলেসহ বেশ কয়েকজন নির্দোষ মানুষকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সুলতান জানান, বিষয়টি পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। সত্যতা যাচাই করে মামলাটি রেকর্ড করা হবে বলে জানান।
মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী ষড়যন্ত্রমূলক এজাহার প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সাঈদীর ওপর হামলার মূল অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
বার্তা পরিবেশক: 























