কক্সবাজার পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকায় ছিনতাই ও অপরাধ দমনে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ।
গত ২৪ ঘন্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চোর, ছিনতাইকারী, মাদকসেবী, পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামী এবং ধর্তব্য অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ এ অভিযানে ৩ জন চোর ও ছিনতাইকারী, ৯ জন মাদকসেবী, ২ জন পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামী এবং ১ জন ধর্তব্য অপরাধে জড়িত আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারের সময় চোর ও ছিনতাইকারীদের কাছ থেকে চোরাইকৃত স্বর্ণালঙ্কার এবং একটি আইফোন উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত তিন চোর ও ছিনতাইকারী হলেন কক্সবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ তারাবনিয়ারছড়ার মোঃ আমির হাকিম, ৪নং ওয়ার্ডের টেকপাড়ার আরাফাত ওরফে ছোট আরাফাত এবং পিএমখালী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ধনখালীর রাফি মনি।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে মোঃ আমির হাকিমের বিরুদ্ধে পেনাল কোড ও পুলিশ আইনে পূর্বে দুটি মামলা রয়েছে। এছাড়া আরাফাত ওরফে ছোট আরাফাতের বিরুদ্ধেও পেনাল কোডে মামলা বিচারাধীন।
অভিযানে আটক ৯ মাদকসেবী হলেন কক্সবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বায়তুশরফ রোডের নুর মোহাম্মদ তাসনিন, ৯নং ওয়ার্ডের বাদশাঘোনার সাখাওয়াত হোসেন, ৪নং ওয়ার্ডের টেকপাড়ার এমরান খান, মোঃ রাজু ও মোঃ আব্দুল্লাহ এবং ৯নং ওয়ার্ডের ঘোনার পাড়ার শ্রাবণ আচায্য ও রাম প্রসাদ দে। এছাড়া রামু উপজেলার ফতেহারকুল ইউনিয়নের লোকমান মোহাম্মদ হোসেন এবং উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং এলাকার রহিম উল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়।
অন্যান্য অপরাধে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামী হলেন পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের পেশকার পাড়ার মোহাম্মদ আলম এবং সাহিত্যিকা পল্লীর বেলাল উদ্দিন সাইফী। অন্যদিকে ধর্তব্য অপরাধে জড়িত থাকায় ঝিলংজা ইউনিয়নের মুহুরী পাড়ার হুমায়ুন কবির আজাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, গ্রেফতারকৃত সকল আসামীর বিরুদ্ধে যথারীতি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং অপরাধ দমনে এই ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 





















