ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার সরকারি কলেজে মাস্টার্সে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৫ বিষয় : ইংরেজি, ইতিহাস, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও প্রাণিবিদ্যা লিবিয়াকেন্দ্রিক মানবপাচার চক্রের মুলহোতা মহিউদ্দিন আটক, তার ভাই মুজিব অধরা ইউনুছখালীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা: সংঘর্ষের আশংকা কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্টে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬ জন পেলেন ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যান এবং মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা : শৃংখলা বজায় রাখার নির্দেশ এসপির বিশেষ অভিযান : সদর থানা পুলিশের জালে ৪০ দেড় লাখ ইয়াবাসহ টেকনাফে ৩ রোহিঙ্গা মাদক কারবারি গ্রেফতার ২৫২ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম টেকনাফে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের গোলাগুলি, আহত ২ ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরু যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাসহ সব প্রতিষ্ঠানই বিধ্বস্ত অবস্থায় : জামায়াত আমির সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য হচ্ছে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী তুমব্রু সীমান্তে তিনটি ব্যাগে মিলল ৪ লাখ বার্মিজ ইয়াবা

সৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখলো আপিল বিভাগ

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ), নো ডেভেলপমেন্ট জোন ও সংরক্ষিত পর্যটন এলাকার ভেতরে ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণের ওপর হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সোমবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আবেদন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এ সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করার জন্য হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছেন।

​এর আগে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) করা এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার হাইকোর্ট বেঞ্চ সড়ক নির্মাণকাজের ওপর আট সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। একই সঙ্গে এ নির্মাণকাজ কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না এবং নির্মিত অংশ অপসারণ করে জীববৈচিত্র্য পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। জাইকার অর্থায়নে আরবান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আরবান গভর্ন্যান্স প্রকল্পের আওতায় সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে হোটেল সায়মন পর্যন্ত এ সড়কটি নির্মিত হচ্ছিল।

​পরিবেশবাদীদের মতে, সৈকতের বালিয়াড়ি সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস মোকাবিলায় প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে এবং এটি লাল কাঁকড়াসহ নানা জীববৈচিত্র্যের প্রধান আবাসস্থল। বেলার পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, ইসিএ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ কোনো বাধ্যতামূলক পরিবেশগত ছাড়পত্র না নিয়েই কেবল ভূমি ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে এই নির্মাণকাজ শুরু করেছিল, যা সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী নির্দেশনারও স্পষ্ট লঙ্ঘন। সোমবার আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং বেলার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার সরকারি কলেজে মাস্টার্সে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৫ বিষয় : ইংরেজি, ইতিহাস, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও প্রাণিবিদ্যা

সৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখলো আপিল বিভাগ

আপডেট সময় : ০৩:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ), নো ডেভেলপমেন্ট জোন ও সংরক্ষিত পর্যটন এলাকার ভেতরে ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণের ওপর হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সোমবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আবেদন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এ সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করার জন্য হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছেন।

​এর আগে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) করা এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার হাইকোর্ট বেঞ্চ সড়ক নির্মাণকাজের ওপর আট সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। একই সঙ্গে এ নির্মাণকাজ কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না এবং নির্মিত অংশ অপসারণ করে জীববৈচিত্র্য পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। জাইকার অর্থায়নে আরবান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আরবান গভর্ন্যান্স প্রকল্পের আওতায় সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে হোটেল সায়মন পর্যন্ত এ সড়কটি নির্মিত হচ্ছিল।

​পরিবেশবাদীদের মতে, সৈকতের বালিয়াড়ি সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস মোকাবিলায় প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে এবং এটি লাল কাঁকড়াসহ নানা জীববৈচিত্র্যের প্রধান আবাসস্থল। বেলার পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, ইসিএ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ কোনো বাধ্যতামূলক পরিবেশগত ছাড়পত্র না নিয়েই কেবল ভূমি ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে এই নির্মাণকাজ শুরু করেছিল, যা সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী নির্দেশনারও স্পষ্ট লঙ্ঘন। সোমবার আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং বেলার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী।