ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার সরকারি কলেজে মাস্টার্সে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৫ বিষয় : ইংরেজি, ইতিহাস, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও প্রাণিবিদ্যা লিবিয়াকেন্দ্রিক মানবপাচার চক্রের মুলহোতা মহিউদ্দিন আটক, তার ভাই মুজিব অধরা ইউনুছখালীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা: সংঘর্ষের আশংকা কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্টে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬ জন পেলেন ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যান এবং মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা : শৃংখলা বজায় রাখার নির্দেশ এসপির বিশেষ অভিযান : সদর থানা পুলিশের জালে ৪০ দেড় লাখ ইয়াবাসহ টেকনাফে ৩ রোহিঙ্গা মাদক কারবারি গ্রেফতার ২৫২ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম টেকনাফে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের গোলাগুলি, আহত ২ ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরু যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাসহ সব প্রতিষ্ঠানই বিধ্বস্ত অবস্থায় : জামায়াত আমির সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য হচ্ছে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী তুমব্রু সীমান্তে তিনটি ব্যাগে মিলল ৪ লাখ বার্মিজ ইয়াবা

ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু: উখিয়ার সেই আলোচিত ঘটনায় তিন আসামি কারাগারে

ফেসবুকে দেওয়া একটি ‘হা হা’ রিঅ্যাকশন নিয়ে বিরোধ। সেখান থেকে মারধরের ঘটনা, আর ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়ে মায়ের মৃত্যু। উখিয়ার টাইপালংয়ের সেই আলোচিত ঘটনায় এবার তিন আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার কক্সবাজার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন মামলার আসামি মিজানুর রহমান সিকদার, মো. হাশেম সিকদার জিসান ও শামসু ড্রাইভার। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামিদের কারাগারে পাঠানোর পর কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও নিহত ছৈয়দা বেগমের ছেলে এস এম ইমরান। তিনি বলেন, আসামিরা কারাগারে যাওয়ায় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। তবে মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে এটাই তাদের প্রত্যাশা।

মামলার আইনজীবী রেজাউল করিম সিকদার আজিমও বলেন, আসামিদের কারাগারে পাঠানোয় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা করেন তারা।

মামলার অভিযোগ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের টাইপালং এলাকায় ফেসবুকের একটি পোস্টে ‘হা হা’ রিঅ্যাকশন দেওয়ায় স্থানীয় দুপক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।

এর জেরে এক তরুণকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান এনজিওকর্মী এস এম ইমরান। ছেলেকে বাঁচাতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তার মা ছৈয়দা বেগমও।

স্বজনদের ভাষ্য, এ সময় তিনি আহত হন। পরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর উখিয়া থানায় মামলা করেন এস এম ইমরান। মামলায় কয়েকজনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর সোমবার তিন আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিদের কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় সাময়িক স্বস্তি এলেও মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত স্বস্তি ফিরবে না বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

তাদের প্রত্যাশা, মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করে প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার সরকারি কলেজে মাস্টার্সে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৫ বিষয় : ইংরেজি, ইতিহাস, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও প্রাণিবিদ্যা

ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু: উখিয়ার সেই আলোচিত ঘটনায় তিন আসামি কারাগারে

আপডেট সময় : ০৬:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফেসবুকে দেওয়া একটি ‘হা হা’ রিঅ্যাকশন নিয়ে বিরোধ। সেখান থেকে মারধরের ঘটনা, আর ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়ে মায়ের মৃত্যু। উখিয়ার টাইপালংয়ের সেই আলোচিত ঘটনায় এবার তিন আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার কক্সবাজার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন মামলার আসামি মিজানুর রহমান সিকদার, মো. হাশেম সিকদার জিসান ও শামসু ড্রাইভার। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামিদের কারাগারে পাঠানোর পর কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও নিহত ছৈয়দা বেগমের ছেলে এস এম ইমরান। তিনি বলেন, আসামিরা কারাগারে যাওয়ায় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। তবে মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে এটাই তাদের প্রত্যাশা।

মামলার আইনজীবী রেজাউল করিম সিকদার আজিমও বলেন, আসামিদের কারাগারে পাঠানোয় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা করেন তারা।

মামলার অভিযোগ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের টাইপালং এলাকায় ফেসবুকের একটি পোস্টে ‘হা হা’ রিঅ্যাকশন দেওয়ায় স্থানীয় দুপক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।

এর জেরে এক তরুণকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান এনজিওকর্মী এস এম ইমরান। ছেলেকে বাঁচাতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তার মা ছৈয়দা বেগমও।

স্বজনদের ভাষ্য, এ সময় তিনি আহত হন। পরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর উখিয়া থানায় মামলা করেন এস এম ইমরান। মামলায় কয়েকজনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর সোমবার তিন আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিদের কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় সাময়িক স্বস্তি এলেও মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত স্বস্তি ফিরবে না বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

তাদের প্রত্যাশা, মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করে প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।