ঢাকা ০৭:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ মিথ্যা দাবি খোকন চেয়ারম্যানের : চাইলেন সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত কুতুবজোমের উন্নয়ন ও নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নামছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এড. রহিম উল্লাহ টুপটুপের মামলায় ওসি তলব- ‘আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ’ পাটুয়ারটেক ট্রাজেডি, ডিএনএ টেস্টে নিহত ১০ জনের পরিচয় মিলেছে, মিলেনি ছাত্রদল নেতার স্ত্রীর পরিচয় কক্সবাজার রুটে বাড়ল ট্রেন, যুক্ত হলো মহানগর এক্সপ্রেস নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ কক্সবাজার জেলার উপ কারিগরি শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ সাঈদ চট্রগ্রামে আটক টেকনাফের পৌরমেয়র প্রার্থীর মিছিলে চাঁদাবাজি মামলার আসামী! রামুর বাঁকখালী তীরে মিলনমেলা – সম্প্রীতির বন্ধনে ভাসলো কল্প-জাহাজ বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে সম্প্রীতির দেশ- কক্সবাজারের প্রবারণা উৎসবে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম অভিযানের পরও মেরিনড্রাইভে নির্মাণযজ্ঞ,  ‘সরকারি দপ্তর’ ম্যানেজের দাবি! কক্সবাজারে পর্নোগ্রাফি মামলার আসামি আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার কক্সবাজারে সোনারগাঁওয়ের যুবদল নেতা জহির ফকির হত্যা মামলার আসামি কবির গ্রেপ্তার গর্জনিয়ায় হাবিব-আয়েশা ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ গর্জনিয়ায় হাবিব-আয়েশা ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ লামায় বজ্রপাতে ঝরল দুই প্রাণ

ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু: উখিয়ার সেই আলোচিত ঘটনায় তিন আসামি কারাগারে

ফেসবুকে দেওয়া একটি ‘হা হা’ রিঅ্যাকশন নিয়ে বিরোধ। সেখান থেকে মারধরের ঘটনা, আর ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়ে মায়ের মৃত্যু। উখিয়ার টাইপালংয়ের সেই আলোচিত ঘটনায় এবার তিন আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার কক্সবাজার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন মামলার আসামি মিজানুর রহমান সিকদার, মো. হাশেম সিকদার জিসান ও শামসু ড্রাইভার। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামিদের কারাগারে পাঠানোর পর কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও নিহত ছৈয়দা বেগমের ছেলে এস এম ইমরান। তিনি বলেন, আসামিরা কারাগারে যাওয়ায় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। তবে মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে এটাই তাদের প্রত্যাশা।

মামলার আইনজীবী রেজাউল করিম সিকদার আজিমও বলেন, আসামিদের কারাগারে পাঠানোয় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা করেন তারা।

মামলার অভিযোগ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের টাইপালং এলাকায় ফেসবুকের একটি পোস্টে ‘হা হা’ রিঅ্যাকশন দেওয়ায় স্থানীয় দুপক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।

এর জেরে এক তরুণকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান এনজিওকর্মী এস এম ইমরান। ছেলেকে বাঁচাতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তার মা ছৈয়দা বেগমও।

স্বজনদের ভাষ্য, এ সময় তিনি আহত হন। পরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর উখিয়া থানায় মামলা করেন এস এম ইমরান। মামলায় কয়েকজনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর সোমবার তিন আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিদের কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় সাময়িক স্বস্তি এলেও মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত স্বস্তি ফিরবে না বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

তাদের প্রত্যাশা, মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করে প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ মিথ্যা দাবি খোকন চেয়ারম্যানের : চাইলেন সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত

ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু: উখিয়ার সেই আলোচিত ঘটনায় তিন আসামি কারাগারে

আপডেট সময় : ০৬:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফেসবুকে দেওয়া একটি ‘হা হা’ রিঅ্যাকশন নিয়ে বিরোধ। সেখান থেকে মারধরের ঘটনা, আর ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়ে মায়ের মৃত্যু। উখিয়ার টাইপালংয়ের সেই আলোচিত ঘটনায় এবার তিন আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার কক্সবাজার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন মামলার আসামি মিজানুর রহমান সিকদার, মো. হাশেম সিকদার জিসান ও শামসু ড্রাইভার। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামিদের কারাগারে পাঠানোর পর কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও নিহত ছৈয়দা বেগমের ছেলে এস এম ইমরান। তিনি বলেন, আসামিরা কারাগারে যাওয়ায় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। তবে মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে এটাই তাদের প্রত্যাশা।

মামলার আইনজীবী রেজাউল করিম সিকদার আজিমও বলেন, আসামিদের কারাগারে পাঠানোয় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা করেন তারা।

মামলার অভিযোগ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের টাইপালং এলাকায় ফেসবুকের একটি পোস্টে ‘হা হা’ রিঅ্যাকশন দেওয়ায় স্থানীয় দুপক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।

এর জেরে এক তরুণকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান এনজিওকর্মী এস এম ইমরান। ছেলেকে বাঁচাতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তার মা ছৈয়দা বেগমও।

স্বজনদের ভাষ্য, এ সময় তিনি আহত হন। পরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর উখিয়া থানায় মামলা করেন এস এম ইমরান। মামলায় কয়েকজনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর সোমবার তিন আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিদের কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় সাময়িক স্বস্তি এলেও মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত স্বস্তি ফিরবে না বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

তাদের প্রত্যাশা, মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করে প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।