ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্ধ কারখানা চালুতে বিনিয়োগকারীদের সহায়তার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপের জার্সির পেছনে ১৮৯৩ লেখা কেন আকাশপথে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, কক্সবাজার বিমানবন্দরে ইয়াবাসহ আটক হলো এক নারী বাংলাদেশের কাছেও ৭ গোল খেয়েছিল ব্রাজিল! তিউনিসিয়াকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় করলো জাপান প্রথম বিদেশ সফরে আজ মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব বাবা দিবস আজ শাহনেওয়াজ চৌধুরী পুনরায় ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত নাসিরা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন তাসনিমুর রহমান হরমুজ প্রণালী ফের বন্ধ করলো ইরান “জনগণ কে সাথে নিয়ে দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে” কক্সবাজারে এইচআইভি আক্রান্তদের ৯৩ শতাংশই রোহিঙ্গা, বাড়ছে উদ্বেগ “মিয়ানমারে সেফজোন করা হলে আমরা ফিরে যাবো”: রোহিঙ্গা নেতা জুবায়ের কক্সবাজার কলেজের শিক্ষার্থীদের সমুদ্র বিষয়ক জ্ঞান বিনিময় কর্মসূচী ও শিক্ষামূলক সফর

রামুর ফতেখাঁরকুলে সরকারি খাস জমি দ’খ’ল করে প্লট বিক্রি

রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ফকিরা বাজার সংলগ্ন বাঁকখালী নদীর সরকারি খাস জমি দখল করে প্লট বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে প্রবাসী গিয়াস উদ্দিন ও তার ভাই নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের দাবি, দখলের কারণে নদীঘেঁষা গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংকুচিত হয়ে এখন প্রায় একটি সরু গলিতে পরিণত হয়েছে। যে সড়ক দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া এবং স্থানীয়দের স্বাভাবিক চলাচল হতো, সেটিও এখন বাধাগ্রস্ত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, খাস জমি ভরাট করে ছোট ছোট প্লট বানিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। একই সাথে পানি নিষ্কাশনের নালা বন্ধ করায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।

এসব প্লট সাধারণ মানুষের কাছে কম দামে বিক্রি করে জমির মালিকানা দাবি করেন গিয়াস। ক্রেতাদের একজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর ফোন কেটে দেন।

প্রবাসী গিয়াস উদ্দিন দেশের বাইরে থাকায় তার ভাই নাজিম উদ্দিন আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এছাড়াও বালু মহাল ও নদীর খাস জমির কিছু অংশে জমির মালিক দাবি করা গিয়াসউদ্দিন ও নাজিম উদ্দিনের কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই এবং বিষয়টি সরেজমিনে যাচাই করা হয়েছে বলে জানায় ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন ভূমি অফিস। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানায় উপজেলা প্রশাসন।

আইন অনুযায়ী নদীর তীরবর্তী খাস জমি দখল বা প্লট বাণিজ্য সম্পূর্ণ বেআইনি। তাই দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বাঁকখালী নদী ও সড়কের জায়গা পুনরুদ্ধারের দাবী স্থানীয়দের।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্ধ কারখানা চালুতে বিনিয়োগকারীদের সহায়তার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

রামুর ফতেখাঁরকুলে সরকারি খাস জমি দ’খ’ল করে প্লট বিক্রি

আপডেট সময় : ০১:৪২:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ফকিরা বাজার সংলগ্ন বাঁকখালী নদীর সরকারি খাস জমি দখল করে প্লট বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে প্রবাসী গিয়াস উদ্দিন ও তার ভাই নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের দাবি, দখলের কারণে নদীঘেঁষা গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংকুচিত হয়ে এখন প্রায় একটি সরু গলিতে পরিণত হয়েছে। যে সড়ক দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া এবং স্থানীয়দের স্বাভাবিক চলাচল হতো, সেটিও এখন বাধাগ্রস্ত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, খাস জমি ভরাট করে ছোট ছোট প্লট বানিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। একই সাথে পানি নিষ্কাশনের নালা বন্ধ করায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।

এসব প্লট সাধারণ মানুষের কাছে কম দামে বিক্রি করে জমির মালিকানা দাবি করেন গিয়াস। ক্রেতাদের একজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর ফোন কেটে দেন।

প্রবাসী গিয়াস উদ্দিন দেশের বাইরে থাকায় তার ভাই নাজিম উদ্দিন আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এছাড়াও বালু মহাল ও নদীর খাস জমির কিছু অংশে জমির মালিক দাবি করা গিয়াসউদ্দিন ও নাজিম উদ্দিনের কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই এবং বিষয়টি সরেজমিনে যাচাই করা হয়েছে বলে জানায় ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন ভূমি অফিস। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানায় উপজেলা প্রশাসন।

আইন অনুযায়ী নদীর তীরবর্তী খাস জমি দখল বা প্লট বাণিজ্য সম্পূর্ণ বেআইনি। তাই দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বাঁকখালী নদী ও সড়কের জায়গা পুনরুদ্ধারের দাবী স্থানীয়দের।