ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পা কেটে ভিক্ষায় বাধ্য করা কিশোর বাড়ী ফিরলো সাত মাস পর টেকনাফের সাবরাং থেকে ৬ লাখ ১৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযান : ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ২০ পেকুয়ায় উপকূলীয় প্যারাবন কেটে চলছে ঘের তৈরির মহোৎসব কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন টেকনাফে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু জুতা নিক্ষেপের ঘটনায় জিনিয়াসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলার আবেদন জেলা দলের গোলরক্ষক সাঈদী উপর হামলার প্রতিবাদে মহেশখালীতে মানববন্ধন স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ‍্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল: আরও ৪০ জন গ্রেপ্তার আদানির বিকল ইউনিট সচল, দুপুরের মধ্যে বিদ্যুৎ পাবে বাংলাদেশ বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ঈদগাঁওয়ের ফিরুজ-মিফতাসহ নিহত ৩ লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টার: চুক্তি শেষ, সেবা বন্ধ; দুর্ঘটনাহতদের ‘শেষ আশ্রয়’ এখন অচল ইয়াবা কারবারি ধরবে এআই ক্যামেরা! কক্সবাজার-বান্দরবানের ১১ পয়েন্ট নিয়ে পুলিশের নতুন পরিকল্পনা মেসির দুর্দান্ত গোল! কিন্তু…

আসামী বিএনপির ১০ নেতা-কর্মী/ ৪৮ ঘণ্টা পর উখিয়ার সেই মা হ’ত্যায় মামলা

কক্সবাজারের উখিয়ায় ছেলেকে প্রতিপক্ষের হামলা থেকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত হওয়া গৃহবধূ ছৈয়দা খাতুন হত্যা ঘটনায় অবশেষে ৪৮ ঘণ্টা পর মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীসহ ১০ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ৭ থেকে ৮ জনকে।

নিহত ছৈয়দা খাতুন (৫৫) উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সব্বির আহমেদের স্ত্রী।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মে রাতে টাইপালং গ্রামে পূর্ববিরোধের জেরে একদল ব্যক্তি আব্দুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ছেলেকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে হামলাকারীদের মারধরে ঘটনাস্থলেই মারা যান তাঁর মা ছৈয়দা খাতুন।

সোমবার রাত ৮টার দিকে নিহতের ছেলে আব্দুর রহমান বাদী হয়ে উখিয়া থানায় মামলার এজাহার জমা দেন। পরে পুলিশ সেটিকে নিয়মিত হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, নিহতের ছেলের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।

মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে স্থানীয় রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য ইউপি সদস্য প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির সদস্য মিজান সিকদারকে। এ ছাড়া তাঁর ছেলে ছাত্রদল নেতা হাসেম সিকদার জিসানকেও আসামি করা হয়েছে।

অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের অ্যাম্বুলেন্সচালক শামসুল আলম, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম, তাঁর ছেলে ছাত্রদল নেতা জুলফিকার আকাশ, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ বাবুল, রাজাপালং ইউনিয়ন শ্রমিকদল (দক্ষিণ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিকদার, জাহাঙ্গীর আলম, জামাল উদ্দিন ও রফিক উদ্দিন।

বাদী আব্দুর রহমান বলেন, “আমার মাকে আমার সামনেই হত্যা করা হয়েছে। যাদের আমি ঘটনাস্থলে দেখেছি, তাঁদের নামই মামলায় দিয়েছি। হত্যাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।”

এর আগে রোববার দুপুরে টাইপালং গ্রামে ছৈয়দা খাতুনের জানাজায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পা কেটে ভিক্ষায় বাধ্য করা কিশোর বাড়ী ফিরলো সাত মাস পর

আসামী বিএনপির ১০ নেতা-কর্মী/ ৪৮ ঘণ্টা পর উখিয়ার সেই মা হ’ত্যায় মামলা

আপডেট সময় : ০২:১৮:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় ছেলেকে প্রতিপক্ষের হামলা থেকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত হওয়া গৃহবধূ ছৈয়দা খাতুন হত্যা ঘটনায় অবশেষে ৪৮ ঘণ্টা পর মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীসহ ১০ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ৭ থেকে ৮ জনকে।

নিহত ছৈয়দা খাতুন (৫৫) উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সব্বির আহমেদের স্ত্রী।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মে রাতে টাইপালং গ্রামে পূর্ববিরোধের জেরে একদল ব্যক্তি আব্দুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ছেলেকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে হামলাকারীদের মারধরে ঘটনাস্থলেই মারা যান তাঁর মা ছৈয়দা খাতুন।

সোমবার রাত ৮টার দিকে নিহতের ছেলে আব্দুর রহমান বাদী হয়ে উখিয়া থানায় মামলার এজাহার জমা দেন। পরে পুলিশ সেটিকে নিয়মিত হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, নিহতের ছেলের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।

মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে স্থানীয় রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য ইউপি সদস্য প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির সদস্য মিজান সিকদারকে। এ ছাড়া তাঁর ছেলে ছাত্রদল নেতা হাসেম সিকদার জিসানকেও আসামি করা হয়েছে।

অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের অ্যাম্বুলেন্সচালক শামসুল আলম, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম, তাঁর ছেলে ছাত্রদল নেতা জুলফিকার আকাশ, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ বাবুল, রাজাপালং ইউনিয়ন শ্রমিকদল (দক্ষিণ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিকদার, জাহাঙ্গীর আলম, জামাল উদ্দিন ও রফিক উদ্দিন।

বাদী আব্দুর রহমান বলেন, “আমার মাকে আমার সামনেই হত্যা করা হয়েছে। যাদের আমি ঘটনাস্থলে দেখেছি, তাঁদের নামই মামলায় দিয়েছি। হত্যাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।”

এর আগে রোববার দুপুরে টাইপালং গ্রামে ছৈয়দা খাতুনের জানাজায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন।