ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাতারবাড়িতে জ্বিন তাড়ানোর নামে শরীরে আগুন, ৪ দিন পর বৃদ্ধের মৃত্যু অটোরিক্সাকে বাঁচাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দূর্ঘটনার শিকার যাত্রীবাহী বাস ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার ইয়াবাসহ মরিচ্যায় ২ পাচারকারী আটক সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে জেইউসি’র আলোচনা সভা ​গুরুতর রোগে আক্রান্ত রুমালিয়াছড়ার সৈয়দ আলম: টাকার অভাবে আটকে আছে চিকিৎসা, বাঁচতে চান তিনি টেকনাফে ব্যবসায়ীকে আইনশৃংখলা বাহিনী পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ মাতারবাড়িতে ব্যবসায়ির মোবাইল চুরি, চুরি করা মোবাইল নিয়ে অনলাইন ব্ল্যাক মেইলিংয়ের অভিযোগ মাতারবাড়ী প্রকল্পে শত কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগ, হাইকোর্টে রিট নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর ঈদগাঁও নদীতে মিলল পল্লব দে’র মরদেহ মহেশখালীতে মাইকিং করে বনকর্মীদের উপর হামলা: আহত একাধিক আর্জেন্টিনাকে ‘কাঁদানো’ রেনার্ড আবার আসছেন বিশ্বকাপে চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত পরিবার বলছে বলাৎকার করে হ’ত্যা : চকরিয়ায় নিখোঁজের একদিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩ রামুতে গোয়ালঘরের ময়লার স্তূপ থেকে অস্ত্র উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে

ইয়াবা নিয়ে আটক যুবকের স্বীকারোক্তিতে অস্ত্র উদ্ধার

কক্সবাজারের রামুতে ইয়াবাসহ আটক এক যুবকের স্বীকারোক্তিতে সড়কের সেতুর নিচে লতাপাতা দিয়ে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা একটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। আটক যুবক মো. সেলিমকে (২৮) স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী ‘চিহ্নিত ছিনতাইকারী’ ও ‘দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে দাবি করেছে পুলিশ।

রোববার (১৭ মে) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত রামু উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রামু থানার (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।

গ্রেপ্তার সেলিম ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মধ্যম মেরুংলোয়া এলাকার নুরুল হকের ছেলে। বর্তমানে তিনি রামুর খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পাইনবাগান এলাকায় বসবাস করছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সেলিমের বিরুদ্ধে রামু ও কক্সবাজার সদর থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি, ছিনতাই, চুরি, মাদক এবং দ্রুত বিচার আইনের একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া হত্যা চেষ্টা ও গুরুতর আহত করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাতেও তিনি এজাহারভুক্ত আসামি।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানের প্রথম ধাপে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিপরীত পাশে জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের আবুর দোকানের সামনে থেকে মো. সেলিমকে আটক করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটকের পর স্থানীয় লোকজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পুলিশের কাছে দাবি করেন, সেলিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সেলিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতেই আরেকটি অভিযান চালানো হয়।

মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার দাবি, সেলিমের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রামু থানার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মধ্যম মেরুংলোয়া এলাকার কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ‘বাইট্টা পোল’ নামের একটি সেতুর পশ্চিম পাশের পিলারের নিচে অভিযান চালানো হয়। সেখানে লতাপাতা দিয়ে ঘরের মতো করে তৈরি করা গোপন আস্তানা থেকে একটি দেশীয় তৈরি সচল একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়। বন্দুকটির দৈর্ঘ্য বাটসহ ৪৮ ইঞ্চি এবং এতে ট্রিগার ও ফায়ারিং পিন সংযুক্ত ছিল।

তার ভাষ্য, “কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাইট্টা পুলের নিচে পিলারের মাঝখানে বিশেষ কৌশলে ঘরের মতো করে সে থাকতো। সেখানে তার দলবল নিয়ে ইয়াবা সেবনসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালাতো।”

তিনি নিশ্চিত করেছেন, ইয়াবা ও অস্ত্র জব্দের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাতারবাড়িতে জ্বিন তাড়ানোর নামে শরীরে আগুন, ৪ দিন পর বৃদ্ধের মৃত্যু

ইয়াবা নিয়ে আটক যুবকের স্বীকারোক্তিতে অস্ত্র উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

কক্সবাজারের রামুতে ইয়াবাসহ আটক এক যুবকের স্বীকারোক্তিতে সড়কের সেতুর নিচে লতাপাতা দিয়ে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা একটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। আটক যুবক মো. সেলিমকে (২৮) স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী ‘চিহ্নিত ছিনতাইকারী’ ও ‘দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে দাবি করেছে পুলিশ।

রোববার (১৭ মে) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত রামু উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রামু থানার (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।

গ্রেপ্তার সেলিম ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মধ্যম মেরুংলোয়া এলাকার নুরুল হকের ছেলে। বর্তমানে তিনি রামুর খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পাইনবাগান এলাকায় বসবাস করছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সেলিমের বিরুদ্ধে রামু ও কক্সবাজার সদর থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি, ছিনতাই, চুরি, মাদক এবং দ্রুত বিচার আইনের একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া হত্যা চেষ্টা ও গুরুতর আহত করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাতেও তিনি এজাহারভুক্ত আসামি।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানের প্রথম ধাপে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিপরীত পাশে জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের আবুর দোকানের সামনে থেকে মো. সেলিমকে আটক করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটকের পর স্থানীয় লোকজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পুলিশের কাছে দাবি করেন, সেলিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সেলিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতেই আরেকটি অভিযান চালানো হয়।

মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার দাবি, সেলিমের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রামু থানার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মধ্যম মেরুংলোয়া এলাকার কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ‘বাইট্টা পোল’ নামের একটি সেতুর পশ্চিম পাশের পিলারের নিচে অভিযান চালানো হয়। সেখানে লতাপাতা দিয়ে ঘরের মতো করে তৈরি করা গোপন আস্তানা থেকে একটি দেশীয় তৈরি সচল একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়। বন্দুকটির দৈর্ঘ্য বাটসহ ৪৮ ইঞ্চি এবং এতে ট্রিগার ও ফায়ারিং পিন সংযুক্ত ছিল।

তার ভাষ্য, “কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাইট্টা পুলের নিচে পিলারের মাঝখানে বিশেষ কৌশলে ঘরের মতো করে সে থাকতো। সেখানে তার দলবল নিয়ে ইয়াবা সেবনসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালাতো।”

তিনি নিশ্চিত করেছেন, ইয়াবা ও অস্ত্র জব্দের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।