ঢাকা ১০:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আইভী কক্সবাজার রেল স্টেশনের নিরাপত্তা কর্মীরাই বিক্রি করছেন টিকেট পালংখালী সীমান্তে আরএসওর গুলি, ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক মাঝরাতে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল হোয়াইক্যং, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটালেন বাসিন্দারা টেকনাফে শ্রমিক দল সভাপতির ওপর হামলা পুত্রবধূকে জিম্মি করে আইনজীবী সমিতির সভাপতির বাড়িতে ডাকাতি তরুণদের নেতৃত্ব ও মানবিকতা গঠনে পেকুয়া মুক্ত স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক ক্যাম্প টেকনাফে ৪ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার মধ্যরাতের ছুরিকাঘাতে আহত আসিফের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু, নিহত বেড়ে ২ ভিকটিমের পরিচয় ফাঁসের অভিযোগে চকরিয়া থানার ওসিকে আইনি নোটিশ শহরের শীর্ষ ছিনতাইকারী জিয়া গ্রেফতার দীর্ঘ বিরতির পর চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে কক্সবাজারে ফিরছে সিনেমা, ৫-৬ জুন প্রদর্শিত হবে ৬ টি সিনেমা স্বামীর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে সড়কে ঝরলো স্ত্রীসহ দু’জনের প্রাণ

মালয়েশিয়া যাওয়ার ফাঁদ: ৩০ জনের স্বপ্নভঙ্গ

মানবপাচারের ভয়াবহ চিত্র আবারও সামনে এসেছে সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে। গতকাল শনিবার দুপুরে উত্তর লম্বরী পাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৩০ জনকে উদ্ধার করেছে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ। পাচারের উদ্দেশ্যে তাদের একটি ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি (তদন্ত) হিমেল রায় জানান, সংবাদের ভিত্তিতে উত্তর লম্বরীঘোনা এলাকার সাইফুল নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে আবদ্ধ অবস্থায় এই ৩০ জনকে পাওয়া যায়। এদের মধ্যে নারী,পুরুষ ও শিশু রয়েছে।

দালালরা তাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ার উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে সাগরপথে পাচারের চেষ্টা করছিল।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই জানিয়েছেন, দালালরা তাদের একটি সুন্দর জীবনের স্বপ্ন দেখিয়েছিল। জীবনের কষ্ট দূর হবে এবং পরিবারের জন্য অর্থ এনে দিতে পারবে, এই আশায় তারা তাদের সর্বস্ব দিয়ে পাচারকারীদের হাতে নিজেদের সঁপে দিয়েছিল।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানান, অভিযানের সময় পাচারকারী পালিয়ে যায়। তবে তাদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং দালালদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতিও চলছে বলে তিনি জানান।

সীমান্তবর্তী এ এলাকায় দারিদ্র্যপীড়িত মানুষগুলো সহজেই দালালদের প্রলোভনে পা দেয়। উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে তাদের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে দালালরা। এরপর নৌপথে তাদের অনিশ্চিত ও বিপজ্জনক যাত্রার মুখে ঠেলে দেয় এ চক্র।

পুলিশ নানা সময় অভিযান চালিয়ে পাচারকারীদের উদ্ধার করলেও থেমে নেয় মানবপাচার। এর আগেও কয়েক ধাপে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা নারী পুরুষদের উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল

মালয়েশিয়া যাওয়ার ফাঁদ: ৩০ জনের স্বপ্নভঙ্গ

আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪

মানবপাচারের ভয়াবহ চিত্র আবারও সামনে এসেছে সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে। গতকাল শনিবার দুপুরে উত্তর লম্বরী পাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৩০ জনকে উদ্ধার করেছে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ। পাচারের উদ্দেশ্যে তাদের একটি ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি (তদন্ত) হিমেল রায় জানান, সংবাদের ভিত্তিতে উত্তর লম্বরীঘোনা এলাকার সাইফুল নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে আবদ্ধ অবস্থায় এই ৩০ জনকে পাওয়া যায়। এদের মধ্যে নারী,পুরুষ ও শিশু রয়েছে।

দালালরা তাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ার উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে সাগরপথে পাচারের চেষ্টা করছিল।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই জানিয়েছেন, দালালরা তাদের একটি সুন্দর জীবনের স্বপ্ন দেখিয়েছিল। জীবনের কষ্ট দূর হবে এবং পরিবারের জন্য অর্থ এনে দিতে পারবে, এই আশায় তারা তাদের সর্বস্ব দিয়ে পাচারকারীদের হাতে নিজেদের সঁপে দিয়েছিল।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানান, অভিযানের সময় পাচারকারী পালিয়ে যায়। তবে তাদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং দালালদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতিও চলছে বলে তিনি জানান।

সীমান্তবর্তী এ এলাকায় দারিদ্র্যপীড়িত মানুষগুলো সহজেই দালালদের প্রলোভনে পা দেয়। উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে তাদের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে দালালরা। এরপর নৌপথে তাদের অনিশ্চিত ও বিপজ্জনক যাত্রার মুখে ঠেলে দেয় এ চক্র।

পুলিশ নানা সময় অভিযান চালিয়ে পাচারকারীদের উদ্ধার করলেও থেমে নেয় মানবপাচার। এর আগেও কয়েক ধাপে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা নারী পুরুষদের উদ্ধার করেছে পুলিশ।