ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে পড়ে মা হাতি আহত কক্সবাজারে বন্যাদুর্গতদের জন্য ৩০ লাখ টাকা ও সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ লোহাগাড়ার দরবেশহাট বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৭ দোকান ভারী বর্ষণ নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস জেলা-উপজেলার হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে রেফারিং ন্যায্য ছিল: সুইজারল্যান্ড কোচ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মিয়ানমার তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ ও প্রধান চালিকাশক্তি : রাষ্ট্রপতি কক্সবাজারে মাদকের বড় চালান ভেস্তে দিল পুলিশ, উদ্ধার ৯২ হাজার ইয়াবা, আটক ১, বন্যায় কক্সবাজার সহ চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে ৩৬ জনের প্রাণহানি পানিবন্দি মানুষের পাশে ঝিলংজা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এম. রাশেদুল করিম রাশেদ দুই দিনে বঙ্গোপসাগর থেকে পাঁচ মরদেহ উদ্ধার, উপকূলে উদ্বেগ বন্যায় ভাসছে কক্সবাজারসহ দক্ষিণ চট্টগ্রাম, ক্ষতিগ্রস্ত ৭ লক্ষ মানুষ চট্টগ্রামে উখিয়া-টেকনাফ জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

কক্সবাজারে বন্যাদুর্গতদের জন্য ৩০ লাখ টাকা ও সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ

প্রধানমন্ত্রী নিজেই বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। তিনি বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় সরকার ইতোমধ্যে জেলায় ৩০ লাখ টাকা এবং সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে। পাশাপাশি দুই থেকে আড়াই লাখ মানুষের কাছে ত্রাণসহ বিভিন্ন ধরনের জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে বন্যাদুর্গত পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নিজেই গতকাল কক্সবাজারের খবরাখবর নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা ইতোমধ্যে দুই থেকে আড়াই লাখ মানুষের মাঝে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিয়েছি। কক্সবাজারের জন্য ৩০ লাখ টাকা এবং সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।”

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “গতকালের তুলনায় আজ বৃষ্টিপাত অনেকটাই কমেছে। মাতামুহুরী নদীর পানিও উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে এসেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নদীর পানি এখন বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আশা করছি আগামীকালের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে এবং ধীরে ধীরে পানি নেমে যাবে।”

এর আগে জেলা প্রশাসক পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাংলাপাড়া গ্রাম পরিদর্শন করে পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ, ওষুধ, মোমবাতি ও নিরাপদ পানি বিতরণ করেন। এ সময় পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) উপস্থিত ছিলেন।

পরে তিনি চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলার বেতুয়া বাজার স্টেশন এলাকা ও কোনাখালী ইউনিয়নের মরংগুনা এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী, জরুরি ওষুধ, মোমবাতি ও নিরাপদ পানি বিতরণ করা হয়।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ সময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে পড়ে মা হাতি আহত

কক্সবাজারে বন্যাদুর্গতদের জন্য ৩০ লাখ টাকা ও সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ

আপডেট সময় : ০৫:০৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী নিজেই বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। তিনি বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় সরকার ইতোমধ্যে জেলায় ৩০ লাখ টাকা এবং সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে। পাশাপাশি দুই থেকে আড়াই লাখ মানুষের কাছে ত্রাণসহ বিভিন্ন ধরনের জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে বন্যাদুর্গত পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নিজেই গতকাল কক্সবাজারের খবরাখবর নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা ইতোমধ্যে দুই থেকে আড়াই লাখ মানুষের মাঝে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিয়েছি। কক্সবাজারের জন্য ৩০ লাখ টাকা এবং সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।”

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “গতকালের তুলনায় আজ বৃষ্টিপাত অনেকটাই কমেছে। মাতামুহুরী নদীর পানিও উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে এসেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নদীর পানি এখন বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আশা করছি আগামীকালের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে এবং ধীরে ধীরে পানি নেমে যাবে।”

এর আগে জেলা প্রশাসক পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাংলাপাড়া গ্রাম পরিদর্শন করে পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ, ওষুধ, মোমবাতি ও নিরাপদ পানি বিতরণ করেন। এ সময় পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) উপস্থিত ছিলেন।

পরে তিনি চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলার বেতুয়া বাজার স্টেশন এলাকা ও কোনাখালী ইউনিয়নের মরংগুনা এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী, জরুরি ওষুধ, মোমবাতি ও নিরাপদ পানি বিতরণ করা হয়।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ সময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।