ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিকেএসপিতে মহেশখালীর ইয়াসেরের মৃত্যুতে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি: ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে ডাকাতি, বিকাশ কর্মীদের ৬০ লাখ টাকা লুট : গুলিবিদ্ধ ১ গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিলে শিক্ষার্থীদের হাতে চারা বিতরণ করলেন রামুর ইউএনও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি অনুকূলে এলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কেন দেশজুড়ে সতর্কতা জারি, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এলএনজি সরবরাহ কমেছে, সারা দেশে তীব্র গ্যাস-সংকট সরকার বিশ্বাস করে, পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘জুলাইয়ের লেন্স’ প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে গণঅভ্যুত্থানের ভয়াবহতা ব্রাজিলে তরুণ ফুটবলারকে গুলি করে হত্যা হাসি-কান্নায় বিদায় নিল উখিয়া কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন: রাষ্ট্রের সোনার খনি, লাভের গুড় খাবে কে? আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মতবিনিময় সভা ঢাকাসহ সারাদেশে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা জা‌রি করলো পুলিশ সদর দপ্তর উখিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, মাইক্রোবাস জব্দ শাহপরীরদ্বীপে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ রোহিঙ্গা মোহাম্মদ কবিরের, শনাক্ত করল পরিবার

চকরিয়া-মাতামুহুরীতে খাবার আর বিশুদ্ধ পানির সংকট

চকরিয়া-মাতামুহুরীতে ৭ দিনের ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দি থাকার পর বন্যার পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে পানি সরে গেলেও কাটেনি দুর্ভোগ।

বন্যায় সড়ক তলিয়ে ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।এখনো নৌকা নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে অনেক এলাকায়।

চকরিয়া উপজেলার কাকারা,বরইতলি,সুরাজপুর মানিকপুর,হারবাং,কৈয়ারবিল এবং
মাতামুহুরী উপজেলার সাহারবিল, বদরখালী,কোনাখালী, ঢেমুশিয়া,ও বিএমচর ইউনিয়নের এখনো লক্ষাধিক মানুষও পানিবন্দি।

রান্না করতে না পারায় অনেক পরিবার পুরোপুরি শুকনো খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এসব মানুষের মাঝে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

শনিবার বিকালে উপজেলার কৈয়ারবিল খোজাখালীতে বন্যার পানির তীব্র স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হয়েছে সাজিদ দাশ(১২)নামে এক কিশোর। তিনি ওই এলাকার তুফান দাশের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহীন দেলোয়ার।

চকরিয়া ও মাতামুহুরীর ইউএনও শাহীন দেলোয়ার জানান, জেলা প্রশাসকের পরিদর্শনের পর আরও পর্যাপ্ত ত্রাণ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রসহ বানভাসি মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব ক্ষয়ক্ষতির নিরূপণের তালিকা করা হচ্ছে।

এদিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ শাখা থেকে দুই উপজেলার জন্য ৮০ মেট্রিক টন চাল ও ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এর মধ্যে চকরিয়ায় ৫০ টন চাল ও আড়াই লাখ টাকা, মাতামুহুরীতে ৩০ টন চাল ও ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সকালে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আ. মান্নান দূর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি হেঁটে ও নৌকায় করে মানুষের খোঁজখবর নেন এবং শুকনো খাবার, ওষুধ ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করেন।

এদিকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরা প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনীতিবিদ ও সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা কামনা করেছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিকেএসপিতে মহেশখালীর ইয়াসেরের মৃত্যুতে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি: ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ

চকরিয়া-মাতামুহুরীতে খাবার আর বিশুদ্ধ পানির সংকট

আপডেট সময় : ১২:৩১:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

চকরিয়া-মাতামুহুরীতে ৭ দিনের ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দি থাকার পর বন্যার পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে পানি সরে গেলেও কাটেনি দুর্ভোগ।

বন্যায় সড়ক তলিয়ে ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।এখনো নৌকা নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে অনেক এলাকায়।

চকরিয়া উপজেলার কাকারা,বরইতলি,সুরাজপুর মানিকপুর,হারবাং,কৈয়ারবিল এবং
মাতামুহুরী উপজেলার সাহারবিল, বদরখালী,কোনাখালী, ঢেমুশিয়া,ও বিএমচর ইউনিয়নের এখনো লক্ষাধিক মানুষও পানিবন্দি।

রান্না করতে না পারায় অনেক পরিবার পুরোপুরি শুকনো খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এসব মানুষের মাঝে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

শনিবার বিকালে উপজেলার কৈয়ারবিল খোজাখালীতে বন্যার পানির তীব্র স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হয়েছে সাজিদ দাশ(১২)নামে এক কিশোর। তিনি ওই এলাকার তুফান দাশের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহীন দেলোয়ার।

চকরিয়া ও মাতামুহুরীর ইউএনও শাহীন দেলোয়ার জানান, জেলা প্রশাসকের পরিদর্শনের পর আরও পর্যাপ্ত ত্রাণ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রসহ বানভাসি মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব ক্ষয়ক্ষতির নিরূপণের তালিকা করা হচ্ছে।

এদিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ শাখা থেকে দুই উপজেলার জন্য ৮০ মেট্রিক টন চাল ও ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এর মধ্যে চকরিয়ায় ৫০ টন চাল ও আড়াই লাখ টাকা, মাতামুহুরীতে ৩০ টন চাল ও ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সকালে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আ. মান্নান দূর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি হেঁটে ও নৌকায় করে মানুষের খোঁজখবর নেন এবং শুকনো খাবার, ওষুধ ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করেন।

এদিকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরা প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনীতিবিদ ও সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা কামনা করেছেন।