ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু পেকুয়ায় মাছের প্রজেক্ট দখলের চেষ্টা : অস্ত্রসহ দুজন আটক প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের আগেই দ্বিতীয় বিয়ে, সরকারি অফিসকে আবাস বানানোর অভিযোগ শাহাদাতের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে তাহসান- রোহিঙ্গা তরুণদের পাশে থাকা ও বৈশ্বিক সহায়তার আহ্বান কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান কক্সবাজারে বিজিবি’র অভিযানে ২ জন আটক, ৭২ হাজার ইয়াবা ও ১৫ লিটার মদ উদ্ধার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জার্মানির সমর্থক: জানালেন ছেলে বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহীম ​ উন্মাদনারও বাস্তবতা আছে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোর চায় চীন হেরোইন ম্যানেজ হয়ে আটা-ময়দা হয়ে যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালী, মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক হিন্দুরা মন্দিরে মূর্তি বানাবে, মুসলমানরা মসজিদ বানাবে—সমস্যা কোথায়?’ সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান কারা উঠল শেষ বত্রিশে, বাদ পড়ল কারা

মারামারির মামলায় সেন্টমার্টিনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দুই বছর কারাদন্ড

কক্সবাজারের টেকনাফের দ্বীপ ইউনিয়ন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলামকে মারামারি ও দোকান ভাঙচুরের একটি জিআর মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে জেলা কারগারে প্রেরণ করা হয়। এর আগে বিকেলে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাজমুল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ ২০১৭ সালে দোকান ভাঙচুর, লুটপাট ও হামলার অভিযোগে টেকনাফ থানায় মামলা করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রধান আসামি ফয়েজুল ইসলামকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন তবে অপর চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ হাফেজা খাতুন বলেন, ‘মারামারির মামলায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুই বছরের সাজা হয়েছে বলে শুনেছি।’

মামলার বাদী রশিদ আহমদ বলেন, ২০১৭ সালে ফয়েজুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীরা তার দোকানে হামলা ও লুটপাট চালান। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর তিনি থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচার শেষে আদালত প্রধান আসামিকে সাজা দিয়েছেন।

মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ফয়েজুল ইসলামের পরিবার। ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ প্রতিহিংসার জেরে আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করবো।’

নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে ফয়েজুল ইসলামকে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং এরপর থেকেই তিনি প্রবাল এই দ্বীপটির সর্বোচ্চ জনপ্রতিনিধি হিসেবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

মারামারির মামলায় সেন্টমার্টিনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দুই বছর কারাদন্ড

আপডেট সময় : ১১:২৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফের দ্বীপ ইউনিয়ন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলামকে মারামারি ও দোকান ভাঙচুরের একটি জিআর মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে জেলা কারগারে প্রেরণ করা হয়। এর আগে বিকেলে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাজমুল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ ২০১৭ সালে দোকান ভাঙচুর, লুটপাট ও হামলার অভিযোগে টেকনাফ থানায় মামলা করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রধান আসামি ফয়েজুল ইসলামকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন তবে অপর চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ হাফেজা খাতুন বলেন, ‘মারামারির মামলায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুই বছরের সাজা হয়েছে বলে শুনেছি।’

মামলার বাদী রশিদ আহমদ বলেন, ২০১৭ সালে ফয়েজুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীরা তার দোকানে হামলা ও লুটপাট চালান। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর তিনি থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচার শেষে আদালত প্রধান আসামিকে সাজা দিয়েছেন।

মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ফয়েজুল ইসলামের পরিবার। ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ প্রতিহিংসার জেরে আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করবো।’

নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে ফয়েজুল ইসলামকে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং এরপর থেকেই তিনি প্রবাল এই দ্বীপটির সর্বোচ্চ জনপ্রতিনিধি হিসেবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।