টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর পারভীন (১৫) নামে এক রোহিঙ্গা কিশোরীকে উদ্ধার করেছে ১৬ এপিবিএনের লেদা ক্যাম্পের সদস্যরা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পশ্চিম হ্নীলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত সাকিবুল হাসান (২০) কিশোরীকে ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে এপিবিএন।
উদ্ধার হওয়া কিশোরী পারভীন টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ/এলএমএস ব্লকের ৯৯ নম্বর ঘরের বাসিন্দা সামশু আলমের মেয়ে।
লেদা এপিবিএন ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী নামার পাড়া এলাকার বাসিন্দা সাকিবুল হাসান কিশোরী পারভীনকে অপহরণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পাওয়ার পর তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় ক্যাম্প সিআইসি শাহরিয়ার বিন মান্নানের তত্ত্বাবধানে এসআই শাহীন হোসেনের নেতৃত্বে এপিবিএনের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পশ্চিম হ্নীলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত সাকিবুল হাসান কিশোরীকে ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে এপিবিএনের সদস্যরা পারভীনকে নিরাপদে উদ্ধার করে লেদা ক্যাম্পে নিয়ে আসেন।
মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয় বলে এপিবিএন জানিয়েছে।
উদ্ধারের পর কিশোরীকে প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষার জন্য কক্সবাজারন সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। পরে আদালত কিশোরীকে তার বাবার জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত সাকিবুল হাসানকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন
১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউছার সিকদার।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 























