ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির ‘কারখানা’, ঢাকাসহ আশপাশে চলত সরবরাহ লোহাগাড়ায় মন্দির সংলগ্ন পুকুর থেকে তবলা বাদক অরুণ জলদাশের মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে রাখাইন থেকে আসা রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবি, উদ্ধার ১৮ নতুন দায়িত্বে ৩ মন্ত্রী ‘You have your home! We miss our home!’: মার্কিন বিশেষ দূতের সামনে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের আকুতি নতুন বাহারছড়ার মোস্তাক আহম্মদ আর নেই : জানাজা বাদ আছর ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ৫ আগস্ট রাজধানীতে মহাসমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নতুন মহাপরিচালক ড. কামরুজ্জামান সিনহা হত্যা মামলা: ছয় বছর পরও আপিল বিভাগে চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষা বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ আটক যুবক কচ্ছপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নোমানের গাড়িচালক দাবি স্থানীয়দের হলদিয়াপালং যুবদলের কমিটি বিতর্ক: সাত সদস্যের কমিটিতে মাদক মামলার আসামি! সড়ক নয়, যেন গর্তের সারি— লোহাগাড়ার দরবেশহাট ডিসি সড়কে সীমাহীন ভোগান্তি জানাজায় কান্নার কলরবে ইয়াসেরের বিদায় লতিফ সিদ্দিকী বললেন, ‘আমাকে ফাঁসি দিয়ে দেন’

মহেশখালীতে রশিদ হ’ত্যা: আসামিদের পাল্টা মামলায় হয়রানির শিকার বাদীর পরিবার

মহেশখালীতে রাজনৈতিক কথা কাটাকাটির জেরে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীর হামলায় গত ১৪ এপ্রিল খুন হয় স্থানীয় বিএনপির কর্মী রশিদ আহমেদ (৫৫)। রশিদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়ি ঘেরাও করে কামরুল হাসান নামের একজনকে আটক করে পুলিশে দেয়, এসময় উত্তেজিত জনতা কামরুলকে আটক করতে গিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর করে।

রশিদ আহমেদ হত্যার ঘটনায় পরদিন (১৫ এপ্রিল) নিহতের স্ত্রী খুরশিদা বেগম বাদী হয়ে অভিযুক্তদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই ঘটনায় হত্যা মামলার আসামিরা বাদী ও নিহত রশিদের পরিবারকে আসামি করে পাল্টা মামলা করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহত রশিদের পরিবার।

শনিবার (৩১ মে) কালারমারছড়া উত্তর নলবিলায় কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিহত রশিদের স্ত্রী খুরশিদা বেগম ও ছেলে শাওন অভিযোগ করে বলেন, গত ১৪ এপ্রিল কালারমারছড়ার উত্তর নলবিলা গ্রামের মৃত লাল মিয়ার পুত্র রশিদ আহমদকে রাজনৈতিক তুচ্ছ কথা কাটাকাটির জের ধরে একই এলাকার নজু মিয়ার পুত্র অমিত হাসান ও কামরুল পিটিয়ে রশিদকে হত্যা করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা হত্যাকারী কামরুল হাসানকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের হলেও পুলিশ এ পর্যন্ত একজন আসামিকেও গ্রেফতার করতে পারেনি। আসামিদের একজন হেলাল উদ্দিন উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে আসে। হেলাল উদ্দিন গত ১৩ মে মহেশখালী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিহতের স্ত্রী, ভাই ও পরিবারের লোকজনসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা দায়ের করে। আদালত এই মামলাটি মহেশখালী থানায় তদন্তের জন্য পাঠালে পুলিশ এসে উল্টো নিহতের পরিবারের লোকজনকে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এই ঘটনায় নিহত রশিদের পরিবার প্রশাসনের প্রশ্রয়ে উল্টো আসামিদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়ানোর অভিযোগ করেন।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, নিহতের ছেলে মো. শাওন, বড়ভাই নজরুল ইসলাম, ভাতিজা শাহেদুল ইসলাম। তারা নিহত রশিদ আহমেদের হত্যাকারীদের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যাহার এবং রশিদ হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে ন্যায় বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির ‘কারখানা’, ঢাকাসহ আশপাশে চলত সরবরাহ

মহেশখালীতে রশিদ হ’ত্যা: আসামিদের পাল্টা মামলায় হয়রানির শিকার বাদীর পরিবার

আপডেট সময় : ০৯:১৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

মহেশখালীতে রাজনৈতিক কথা কাটাকাটির জেরে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীর হামলায় গত ১৪ এপ্রিল খুন হয় স্থানীয় বিএনপির কর্মী রশিদ আহমেদ (৫৫)। রশিদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়ি ঘেরাও করে কামরুল হাসান নামের একজনকে আটক করে পুলিশে দেয়, এসময় উত্তেজিত জনতা কামরুলকে আটক করতে গিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর করে।

রশিদ আহমেদ হত্যার ঘটনায় পরদিন (১৫ এপ্রিল) নিহতের স্ত্রী খুরশিদা বেগম বাদী হয়ে অভিযুক্তদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই ঘটনায় হত্যা মামলার আসামিরা বাদী ও নিহত রশিদের পরিবারকে আসামি করে পাল্টা মামলা করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহত রশিদের পরিবার।

শনিবার (৩১ মে) কালারমারছড়া উত্তর নলবিলায় কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিহত রশিদের স্ত্রী খুরশিদা বেগম ও ছেলে শাওন অভিযোগ করে বলেন, গত ১৪ এপ্রিল কালারমারছড়ার উত্তর নলবিলা গ্রামের মৃত লাল মিয়ার পুত্র রশিদ আহমদকে রাজনৈতিক তুচ্ছ কথা কাটাকাটির জের ধরে একই এলাকার নজু মিয়ার পুত্র অমিত হাসান ও কামরুল পিটিয়ে রশিদকে হত্যা করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা হত্যাকারী কামরুল হাসানকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের হলেও পুলিশ এ পর্যন্ত একজন আসামিকেও গ্রেফতার করতে পারেনি। আসামিদের একজন হেলাল উদ্দিন উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে আসে। হেলাল উদ্দিন গত ১৩ মে মহেশখালী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিহতের স্ত্রী, ভাই ও পরিবারের লোকজনসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা দায়ের করে। আদালত এই মামলাটি মহেশখালী থানায় তদন্তের জন্য পাঠালে পুলিশ এসে উল্টো নিহতের পরিবারের লোকজনকে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এই ঘটনায় নিহত রশিদের পরিবার প্রশাসনের প্রশ্রয়ে উল্টো আসামিদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়ানোর অভিযোগ করেন।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, নিহতের ছেলে মো. শাওন, বড়ভাই নজরুল ইসলাম, ভাতিজা শাহেদুল ইসলাম। তারা নিহত রশিদ আহমেদের হত্যাকারীদের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যাহার এবং রশিদ হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে ন্যায় বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।