ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে জাতীয় দলে ফিরলেন চকরিয়ার জিকু শিল্পী রাজীব বড়ুয়া পরলোকে, শেষকৃত্য সম্পন্ন আদালত প্রাঙ্গণে গোলাগুলির ঘটনায় উদ্বেগ জেলা আইনজীবী সমিতির,পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জামিনে বেরিয়ে ফের আটক গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত টেকনাফে টাকা দিয়ে সাংবাদিক কার্ড সংগ্রহ, ইয়াবা পাচারে আটক ভুয়া সাংবাদিক সন্ত্রাসীদের কোনো অভয়ারণ্য থাকতে দেওয়া হবে না, নির্মূল করা হবে ঈদের আনন্দ কেড়ে নিল আগুন, খোলা আকাশের নিচে শত পরিবার চকরিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় নছিমন চালক নিহত পেকুয়ায় বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যু ঈদকে সামনে রেখে পর্যটন শহরে নিরাপত্তা ও সেবায় বিশেষ উদ্যোগ কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের দুই জামাত সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায় পবিত্র হজ আজ সীমান্ত শহরে ব্রাজিল উন্মাদনা মহাসড়কে কোরবানির পশুর হাট, যানজটে ভোগান্তি

মহেশখালীতে রশিদ হ’ত্যা: আসামিদের পাল্টা মামলায় হয়রানির শিকার বাদীর পরিবার

মহেশখালীতে রাজনৈতিক কথা কাটাকাটির জেরে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীর হামলায় গত ১৪ এপ্রিল খুন হয় স্থানীয় বিএনপির কর্মী রশিদ আহমেদ (৫৫)। রশিদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়ি ঘেরাও করে কামরুল হাসান নামের একজনকে আটক করে পুলিশে দেয়, এসময় উত্তেজিত জনতা কামরুলকে আটক করতে গিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর করে।

রশিদ আহমেদ হত্যার ঘটনায় পরদিন (১৫ এপ্রিল) নিহতের স্ত্রী খুরশিদা বেগম বাদী হয়ে অভিযুক্তদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই ঘটনায় হত্যা মামলার আসামিরা বাদী ও নিহত রশিদের পরিবারকে আসামি করে পাল্টা মামলা করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহত রশিদের পরিবার।

শনিবার (৩১ মে) কালারমারছড়া উত্তর নলবিলায় কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিহত রশিদের স্ত্রী খুরশিদা বেগম ও ছেলে শাওন অভিযোগ করে বলেন, গত ১৪ এপ্রিল কালারমারছড়ার উত্তর নলবিলা গ্রামের মৃত লাল মিয়ার পুত্র রশিদ আহমদকে রাজনৈতিক তুচ্ছ কথা কাটাকাটির জের ধরে একই এলাকার নজু মিয়ার পুত্র অমিত হাসান ও কামরুল পিটিয়ে রশিদকে হত্যা করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা হত্যাকারী কামরুল হাসানকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের হলেও পুলিশ এ পর্যন্ত একজন আসামিকেও গ্রেফতার করতে পারেনি। আসামিদের একজন হেলাল উদ্দিন উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে আসে। হেলাল উদ্দিন গত ১৩ মে মহেশখালী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিহতের স্ত্রী, ভাই ও পরিবারের লোকজনসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা দায়ের করে। আদালত এই মামলাটি মহেশখালী থানায় তদন্তের জন্য পাঠালে পুলিশ এসে উল্টো নিহতের পরিবারের লোকজনকে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এই ঘটনায় নিহত রশিদের পরিবার প্রশাসনের প্রশ্রয়ে উল্টো আসামিদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়ানোর অভিযোগ করেন।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, নিহতের ছেলে মো. শাওন, বড়ভাই নজরুল ইসলাম, ভাতিজা শাহেদুল ইসলাম। তারা নিহত রশিদ আহমেদের হত্যাকারীদের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যাহার এবং রশিদ হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে ন্যায় বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

মহেশখালীতে রশিদ হ’ত্যা: আসামিদের পাল্টা মামলায় হয়রানির শিকার বাদীর পরিবার

আপডেট সময় : ০৯:১৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

মহেশখালীতে রাজনৈতিক কথা কাটাকাটির জেরে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীর হামলায় গত ১৪ এপ্রিল খুন হয় স্থানীয় বিএনপির কর্মী রশিদ আহমেদ (৫৫)। রশিদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়ি ঘেরাও করে কামরুল হাসান নামের একজনকে আটক করে পুলিশে দেয়, এসময় উত্তেজিত জনতা কামরুলকে আটক করতে গিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর করে।

রশিদ আহমেদ হত্যার ঘটনায় পরদিন (১৫ এপ্রিল) নিহতের স্ত্রী খুরশিদা বেগম বাদী হয়ে অভিযুক্তদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই ঘটনায় হত্যা মামলার আসামিরা বাদী ও নিহত রশিদের পরিবারকে আসামি করে পাল্টা মামলা করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহত রশিদের পরিবার।

শনিবার (৩১ মে) কালারমারছড়া উত্তর নলবিলায় কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিহত রশিদের স্ত্রী খুরশিদা বেগম ও ছেলে শাওন অভিযোগ করে বলেন, গত ১৪ এপ্রিল কালারমারছড়ার উত্তর নলবিলা গ্রামের মৃত লাল মিয়ার পুত্র রশিদ আহমদকে রাজনৈতিক তুচ্ছ কথা কাটাকাটির জের ধরে একই এলাকার নজু মিয়ার পুত্র অমিত হাসান ও কামরুল পিটিয়ে রশিদকে হত্যা করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা হত্যাকারী কামরুল হাসানকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের হলেও পুলিশ এ পর্যন্ত একজন আসামিকেও গ্রেফতার করতে পারেনি। আসামিদের একজন হেলাল উদ্দিন উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে আসে। হেলাল উদ্দিন গত ১৩ মে মহেশখালী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিহতের স্ত্রী, ভাই ও পরিবারের লোকজনসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা দায়ের করে। আদালত এই মামলাটি মহেশখালী থানায় তদন্তের জন্য পাঠালে পুলিশ এসে উল্টো নিহতের পরিবারের লোকজনকে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এই ঘটনায় নিহত রশিদের পরিবার প্রশাসনের প্রশ্রয়ে উল্টো আসামিদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়ানোর অভিযোগ করেন।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, নিহতের ছেলে মো. শাওন, বড়ভাই নজরুল ইসলাম, ভাতিজা শাহেদুল ইসলাম। তারা নিহত রশিদ আহমেদের হত্যাকারীদের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যাহার এবং রশিদ হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে ন্যায় বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।