ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি! নয়াবাজারে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, অপহরণ চেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ দাবি প্রতিপক্ষের কুতুবদিয়ায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু টেকনাফে দুই বোটসহ ৭ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি পেকুয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষ: দুই যাত্রীর মৃত্যু কুতুবদিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মনোনীত হলেন সাংবাদিক আবুল কাশেম রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে ইইউর সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মনছুর আটক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি কাজল -রোহিঙ্গা ক্যাম্প মাদক ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির হেড কোয়ার্টার শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে, সৃজনশীল হোক: শিক্ষামন্ত্রী গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তে ১১ স্কাইডাইভার ও পাইলট নিহত

মন্ত্রণালয়ে বিস্ফোরণে আফগানিস্তানের শরণার্থী মন্ত্রী নিহত

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন দেশটির শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রী খলিল উর-রহমান হাক্কানি। কাবুলে শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিজ কার্যালয়ে বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।

বুধবার কাবুলে শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বিস্ফোরণে মন্ত্রীর প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটেছে বলে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন হাক্কানির ভাতিজা আনাস হাক্কানি।

নাম প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়ে দেশটির সরকারি এক কর্মকর্তা ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, কাবুলে শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে মন্ত্রী খলিল উর-রহমান হাক্কানিসহ তার কয়েকজন সহকর্মী নিহত হয়েছেন।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় বিতর্কিত আবদার মমতার
আফগানিস্তানে তালেবানের দুই দশকের বিদ্রোহের সময় সবচেয়ে সহিংস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যাপক পরিচিত দেশটির সশস্ত্র সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্ক। মন্ত্রী খলিল উর-রহমান হাক্কানির ভাই জালালউদ্দিন হাক্কানি এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

বিস্ফোরণে নিহত খলিল উর-রহমান হাক্কানি দেশটির তালেবান নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হাক্কানির চাচা।

২০২১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সৈন্যদের আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এরপর দেশটির ক্ষমতায় আসে সশস্ত্র ইসলামপন্থী গোষ্ঠী তালেবান। আফগানিস্তানের এই গোষ্ঠী ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশটিতে সহিংসতা হ্রাস পেয়েছে।

তবে দেশটিতে মধ্যপ্রাচ্য-ভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) অনুসারী ইসলামিক স্টেট খোরাসান (আইএস-কে) সক্রিয় রয়েছে। এই গোষ্ঠীর সদস্যরা প্রায়ই আফগানিস্তানের বেসামরিক নাগরিক, বিদেশি এবং তালেবান কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে বন্দুক ও বোমা হামলা চালিয়ে আসছে।

সূত্র: এএফপি, রয়টার্স।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী

মন্ত্রণালয়ে বিস্ফোরণে আফগানিস্তানের শরণার্থী মন্ত্রী নিহত

আপডেট সময় : ০১:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন দেশটির শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রী খলিল উর-রহমান হাক্কানি। কাবুলে শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিজ কার্যালয়ে বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।

বুধবার কাবুলে শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বিস্ফোরণে মন্ত্রীর প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটেছে বলে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন হাক্কানির ভাতিজা আনাস হাক্কানি।

নাম প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়ে দেশটির সরকারি এক কর্মকর্তা ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, কাবুলে শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে মন্ত্রী খলিল উর-রহমান হাক্কানিসহ তার কয়েকজন সহকর্মী নিহত হয়েছেন।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় বিতর্কিত আবদার মমতার
আফগানিস্তানে তালেবানের দুই দশকের বিদ্রোহের সময় সবচেয়ে সহিংস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যাপক পরিচিত দেশটির সশস্ত্র সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্ক। মন্ত্রী খলিল উর-রহমান হাক্কানির ভাই জালালউদ্দিন হাক্কানি এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

বিস্ফোরণে নিহত খলিল উর-রহমান হাক্কানি দেশটির তালেবান নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হাক্কানির চাচা।

২০২১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সৈন্যদের আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এরপর দেশটির ক্ষমতায় আসে সশস্ত্র ইসলামপন্থী গোষ্ঠী তালেবান। আফগানিস্তানের এই গোষ্ঠী ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশটিতে সহিংসতা হ্রাস পেয়েছে।

তবে দেশটিতে মধ্যপ্রাচ্য-ভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) অনুসারী ইসলামিক স্টেট খোরাসান (আইএস-কে) সক্রিয় রয়েছে। এই গোষ্ঠীর সদস্যরা প্রায়ই আফগানিস্তানের বেসামরিক নাগরিক, বিদেশি এবং তালেবান কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে বন্দুক ও বোমা হামলা চালিয়ে আসছে।

সূত্র: এএফপি, রয়টার্স।