ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে “মাদক নিযন্ত্রণ ও যুব সমাজের সম্পৃক্ততা” শীর্ষক সেমিনার মসজিদের কক্ষে ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উখিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতে নিহত প্রায় ৯০ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের চ্যালেঞ্জ শনাক্তে কক্সবাজারে যাচ্ছে ইসি মহেশখালীতে ড্রেন নির্মাণকাজে ডাম্পারের ধাক্কা, শ্রমিক নিহত টেকনাফে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি ঘটনায় অভিযুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মাঝি আটক কক্সবাজারে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬ তম আবির্ভাব উৎসব উপলক্ষে সাধারণ সভা ১৫ মে গর্জনিয়ায় সোহেলের বসতঘর থেকে মিললো ১ লাখ পিস ইয়াবা : এলাকায় চাঞ্চল্য কোরবানি পশুর চামড়ার দাম বাড়ল এবার কক্সবাজার সরকারি কলেজে ইউনিফর্ম পরে টিকটক-রিলস নিষিদ্ধ, নির্দেশনা অমান্য করলে শাস্তির সতর্কতা

বাংলা চ্যানেল পাড়ি ২ নারীসহ ৩৫ সাঁতারুর

টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত ‘বাংলা চ্যানেল নামে পরিচিত সাগরপথ সাঁতরে পাড়ি দিলেন ৩৫ জন সাঁতারু।

১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চ্যানেল পাড়ি দেয়ার প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ৩৫ জন।

১৭ জানুয়ারি সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকত থেকে সাঁতার শুরু হয়। এর উদ্বোধন করেন কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দীন। প্রতিযোগীরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উত্তর সৈকতে পৌঁছে সাঁতার শেষ করেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় ক্রীড়া পরিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় তারুণ্যের উৎসবের অংশ হিসেবে ষড়্‌জ অ্যাডভেঞ্চারথ এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন ডাকসুর সাবেক সদস্য সাইফুল ইসলাম রাসেল। এর আগে তিনি একবার ডাবল ক্রসসহ ছয়বার বাংলা চ্যানেল সাঁতরে পাড়ি দিয়েছেন।

সবশেষ ২০২৩ সালে তিনি ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট সময়ে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
এছাড়া বাংলা চ্যানেল সফলভাবে পাড়ি দেওয়া প্রথম নারী সাঁতারু এমএসটি সোহাগী আক্তারও এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন।

সপ্তমবারের মতো বাংলা চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে অংশ নিয়ে সাইফুল ইসলাম রাসেল বলেন, এর আগে ছয়বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছি। ২০২১ সালে একসঙ্গে ডাবল ক্রস সম্পন্ন করেছি। আজ সাগর কিছুটা প্রতিকূল হলেও আবারও প্রথম হওয়ার চেষ্টা থাকবে।

কিং অব বাংলা চ্যানেল খ্যাত এবং ২০ বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়া সাঁতারু ও ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের প্রধান নির্বাহী লিপটন সরকার বলেন, এবার দুইজন নারীসহ ৩৫ জন সাঁতারু প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করে এই সাঁতার পরিচালনা করা হচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি সাঁতারুর সঙ্গে আলাদা বোট ও উদ্ধারকর্মী রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে “মাদক নিযন্ত্রণ ও যুব সমাজের সম্পৃক্ততা” শীর্ষক সেমিনার

বাংলা চ্যানেল পাড়ি ২ নারীসহ ৩৫ সাঁতারুর

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত ‘বাংলা চ্যানেল নামে পরিচিত সাগরপথ সাঁতরে পাড়ি দিলেন ৩৫ জন সাঁতারু।

১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চ্যানেল পাড়ি দেয়ার প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ৩৫ জন।

১৭ জানুয়ারি সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকত থেকে সাঁতার শুরু হয়। এর উদ্বোধন করেন কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দীন। প্রতিযোগীরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উত্তর সৈকতে পৌঁছে সাঁতার শেষ করেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় ক্রীড়া পরিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় তারুণ্যের উৎসবের অংশ হিসেবে ষড়্‌জ অ্যাডভেঞ্চারথ এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন ডাকসুর সাবেক সদস্য সাইফুল ইসলাম রাসেল। এর আগে তিনি একবার ডাবল ক্রসসহ ছয়বার বাংলা চ্যানেল সাঁতরে পাড়ি দিয়েছেন।

সবশেষ ২০২৩ সালে তিনি ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট সময়ে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
এছাড়া বাংলা চ্যানেল সফলভাবে পাড়ি দেওয়া প্রথম নারী সাঁতারু এমএসটি সোহাগী আক্তারও এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন।

সপ্তমবারের মতো বাংলা চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে অংশ নিয়ে সাইফুল ইসলাম রাসেল বলেন, এর আগে ছয়বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছি। ২০২১ সালে একসঙ্গে ডাবল ক্রস সম্পন্ন করেছি। আজ সাগর কিছুটা প্রতিকূল হলেও আবারও প্রথম হওয়ার চেষ্টা থাকবে।

কিং অব বাংলা চ্যানেল খ্যাত এবং ২০ বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়া সাঁতারু ও ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের প্রধান নির্বাহী লিপটন সরকার বলেন, এবার দুইজন নারীসহ ৩৫ জন সাঁতারু প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করে এই সাঁতার পরিচালনা করা হচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি সাঁতারুর সঙ্গে আলাদা বোট ও উদ্ধারকর্মী রয়েছে।