ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর হোটেল পরিচয়ে পর্যটককে হুমকি: সীগালের সেই ম্যানেজার কামরুল গ্রেফতার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় পর্বের ফ্রি খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন চলছে নেপাল সফরে গেলেন জেইউসি সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী পেকুয়ায় খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী পালিত লোহাগাড়ায় পুকুরে ডুবে দুই বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে নারীর মৃত্যু লামার ফাইতংয়ে ৫ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট, সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা হলদিয়া পালং বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজ মেম্বারের ৬ষ্ট মৃত্যুবার্ষিকী জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তি : কক্সবাজারে রাত ৮টায় শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ গর্জনিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযান : ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার রামুতে কোমলমতি শিশু নিকেতনের “বর্ষার ভরসায় জীবনের গান গাই” ৭ম পর্ব অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বড় ঘোষণা মিয়ানমার সরকারের শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডি ৩২ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সন্দেহে আটক ১ অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ সীমান্ত-সংলগ্ন মিয়ানমারের ২৭০ কিমি এলাকা দখলে নিয়েছে আরাকান আর্মি

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 929

বাংলাদেশ সীমান্ত-সংলগ্ন মিয়ানমারের ২৭০ কিমি এলাকা দখলে নিয়েছে আরাকান আর্মি

বাংলাদেশ সীমান্ত-সংলগ্ন মিয়ানমারের ২৭০ কিলোমিটার এলাকা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আরাকান আর্মি (এএ)। রবিবার (৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের মংডু শহর দখলের দাবি করেছে দেশটির সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি। ফলে সীমান্তের প্রায় পৌনে তিনশ কিলোমিটার এলাকার পুরোটাই আরাকান আর্মির দখলে চলে গেছে। সোমবার এক প্রতিবেদনে মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতী এ খবর জানিয়েছে।

সশস্ত্র এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তারা কয়েক মাসের লড়াইয়ের পর রবিবার সকালে মংডু শহরের বাইরে অবস্থিত জান্তার সর্বশেষ সীমান্ত ঘাঁটি,বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন নং ৫ দখল করেছে।

সোমবার রাখাইন মিডিয়া জানায়, মংডু যুদ্ধের পর সামরিক অপারেশন কমান্ড ১৫-এর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থুরেইন টুন এবং প্রায় ৮০ জন রোহিঙ্গা বিদ্রোহীসহ জান্তা বাহিনীর সদস্যদের আটক করেছে আরাকান আর্মি।

মে মাসের শেষ দিকে মংডু আক্রমণ শুরু করেছিল আরাকান আর্মি। পুরো শহর নিজেদের দখলে নিতে তাদের ছয় মাস সময় লেগেছে।

আরাকান আর্মির দাবি, তারা মিয়ানমারের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী তিনটি শহরের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এগুলো হলো-রাখাইন রাজ্যের মংডু ও বুথিডং এবং ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন চিন রাজ্যের পালেতোয়া।

রাখাইনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী একজন সামরিক বিশ্লেষক বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য পুনরুদ্ধার রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী মানুষের দুর্দশা লাঘব করতে সহায়ক হবে।

জাতিসংঘ গত মাসে জানিয়েছিল যে রাখাইনের ২০ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের সম্মুখীন হতে পারে।

জান্তা সরকার রাজ্যের সড়ক এবং জলপথ অবরোধ করেছে। ফলে খাদ্য, জ্বালানি এবং ওষুধসহ আন্তর্জাতিক মানবিক সাহায্যের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

বিশ্লেষক আরও বলেছেন, রাখাইন রাজ্যে জটিল রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে হলে বাংলাদেশের সরকারকে আরাকান আর্মির সঙ্গে অর্থবহ আলোচনায় বসতে হবে। কারণ তারা এখন দক্ষিণ রাখাইনের গওয়া, তাউংগুপ এবং আন শহরের দখল নেওয়ার জন্য লড়াই করছে। এরই মধ্যে আন শহরের বেশিরভাগ অংশ এবং ৩০টিরও বেশি জান্তা ঘাঁটি ও অবস্থান দখল করেছে তারা।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর হোটেল পরিচয়ে পর্যটককে হুমকি: সীগালের সেই ম্যানেজার কামরুল গ্রেফতার

বাংলাদেশ সীমান্ত-সংলগ্ন মিয়ানমারের ২৭০ কিমি এলাকা দখলে নিয়েছে আরাকান আর্মি

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ সীমান্ত-সংলগ্ন মিয়ানমারের ২৭০ কিলোমিটার এলাকা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আরাকান আর্মি (এএ)। রবিবার (৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের মংডু শহর দখলের দাবি করেছে দেশটির সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি। ফলে সীমান্তের প্রায় পৌনে তিনশ কিলোমিটার এলাকার পুরোটাই আরাকান আর্মির দখলে চলে গেছে। সোমবার এক প্রতিবেদনে মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতী এ খবর জানিয়েছে।

সশস্ত্র এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তারা কয়েক মাসের লড়াইয়ের পর রবিবার সকালে মংডু শহরের বাইরে অবস্থিত জান্তার সর্বশেষ সীমান্ত ঘাঁটি,বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন নং ৫ দখল করেছে।

সোমবার রাখাইন মিডিয়া জানায়, মংডু যুদ্ধের পর সামরিক অপারেশন কমান্ড ১৫-এর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থুরেইন টুন এবং প্রায় ৮০ জন রোহিঙ্গা বিদ্রোহীসহ জান্তা বাহিনীর সদস্যদের আটক করেছে আরাকান আর্মি।

মে মাসের শেষ দিকে মংডু আক্রমণ শুরু করেছিল আরাকান আর্মি। পুরো শহর নিজেদের দখলে নিতে তাদের ছয় মাস সময় লেগেছে।

আরাকান আর্মির দাবি, তারা মিয়ানমারের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী তিনটি শহরের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এগুলো হলো-রাখাইন রাজ্যের মংডু ও বুথিডং এবং ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন চিন রাজ্যের পালেতোয়া।

রাখাইনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী একজন সামরিক বিশ্লেষক বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য পুনরুদ্ধার রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী মানুষের দুর্দশা লাঘব করতে সহায়ক হবে।

জাতিসংঘ গত মাসে জানিয়েছিল যে রাখাইনের ২০ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের সম্মুখীন হতে পারে।

জান্তা সরকার রাজ্যের সড়ক এবং জলপথ অবরোধ করেছে। ফলে খাদ্য, জ্বালানি এবং ওষুধসহ আন্তর্জাতিক মানবিক সাহায্যের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

বিশ্লেষক আরও বলেছেন, রাখাইন রাজ্যে জটিল রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে হলে বাংলাদেশের সরকারকে আরাকান আর্মির সঙ্গে অর্থবহ আলোচনায় বসতে হবে। কারণ তারা এখন দক্ষিণ রাখাইনের গওয়া, তাউংগুপ এবং আন শহরের দখল নেওয়ার জন্য লড়াই করছে। এরই মধ্যে আন শহরের বেশিরভাগ অংশ এবং ৩০টিরও বেশি জান্তা ঘাঁটি ও অবস্থান দখল করেছে তারা।