ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংস্কার প্রস্তাব অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হচ্ছে না: নাহিদ ইসলাম নতুন রাষ্ট্রপতিকে কে শপথ পড়াবেন, মতামত দিল আইন মন্ত্রণালয় রোহিঙ্গা সংকট দেশের পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করছে : সেনাপ্রধান  বিশ্ব মশা দিবস আজ ৩৫ বছর পর আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কক্সবাজারে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় আবুল কালামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়নে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অভিযান সাড়ে ৮ ঘণ্টা পর সচল মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট, উৎপাদন শুরু আলোচিত হালিম হত্যা মামলার আসামী আরসার কমান্ডার মুসা গ্রেপ্তার এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, আরও বাড়ছে সংকট বিদায়বেলায় কাঁদলেন, কাঁদালেন মির্জা ফখরুল মাদক ব্যবসায়ীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহবান রামুর ওসি ফজলুল হকের মহেশখালীতে অবৈধ ভাসমান তেলের পাম্প: প্রশাসনের অভিযানে সিলগালা, জরিমানা কক্সবাজার শহর থেকে ময়লার ভাগাড় ও ডাম্পিং স্টেশন স্থানান্তরের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান: লিংকরোড ও কলাতলীর দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

কক্সবাজার সিটি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ প্রতিবেদন, নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ

কক্সবাজার সিটি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরীর নিয়োগের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের একটি অংশ পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। তারা নানা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। গুটিকয়েক শিক্ষক ইতোমধ্যে ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ অবৈধ’ দাবি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগের আলোকে ১৯ মে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে অধিদপ্তর।

এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তা রাজনৈতিক পক্ষপাত দুষ্টু হয়েছে বলে মহাপরিচালককে লিখিত অভিযোগ করেন এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরী। গত ১৮ মে তিনি এই অভিযোগটি দাখিল করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুন:তদন্ত/শুনানির জন্য উপ-পরিচালক (কলেজ -২) মুহাম্মদ নওশের আলীকে দায়িত্ব দেন মহাপরিচালক ড. আজাদ খান।
তবে পুন:তদন্ত/শুনানি কখন হবে তা এখনো জানা যায়নি।

এদিকে, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন বলে জানান এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি বলেন, আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক গত ১৬ জানুয়ারি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হই। আমার বৈধ এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অবস্থান নেয়।

বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কলেজের প্রশাসনিক পটপরিবর্তনের পর এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে কক্সবাজার সিটি কলেজ। এ সময় অধ্যক্ষের অবসর পরবর্তী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অভিযোগ উত্থাপন করে যে উক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া বিধিসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়নি।

উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের স্মারক নং-৭জি-৮৫০(ক-৩)/২০০৫ (অংশ-১)/৫১৭/৯, তারিখঃ ১২/০২/২০২৫ খ্রিঃ অনুযায়ী জনাব ইমরান আলী, সহকারী পরিচালক (কলেজ-৪), এবং মোঃ মাঈন উদ্দিন, সহকারী পরিচালক (কলেজ-৩), একটি তদন্ত কমিটি হিসেবে ২০ শে ফেব্রুয়ারী কক্সবাজার সিটি কলেজে আগমন করেন।

এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরী দুঃখের সঙ্গে বলেন, তদন্ত কার্যক্রম চলাকালে উক্ত কমিটির সদস্যদ্বয়ের আচরণ পক্ষপাতদুষ্ট এবং প্রাথমিকভাবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়। তাঁরা শিক্ষক সমাজের একাংশের সাথে দুর্ব্যবহার করেন এবং কলেজের সামগ্রিক বাস্তবতা বিবেচনা না করেই পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং স্মারক নং-৭জি-৮৫০(ক-৩)/২০০৫ (অংশ-১)/১৬৩৯/৬ তারিখ: ১৭/০৫/২০২৫ মূলে আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ স্মারক নং: ৩৭.০০.০০০০.০৪৭.০০২.০০১.২০২১.৫১ তারিখ-০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ এর পরিপত্রের পরিপন্থী উল্লেখ করে রিপোর্ট দেয়। অথচ কক্সবাজার সিটি কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ হওয়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বেসরকারী কলেজ শিক্ষকদের চাকুরীর শর্তাবলী রেগুলেশন (সংশোধিত) -২০১৯ এর ধারা ২(i), (ii), (iii) মেনে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার বিন্দুমাত্রও ব্যত্যয় ঘটেনি।

এমতাবস্থায়, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে তদন্ত কমিটি তাদের দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে একটি নির্দেশনা জারী করেন।

বিষয়টির প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত রিপোর্ট পুনমূল্যায়ন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এস.এম. আকতার উদ্দিন চৌধুরী।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কার প্রস্তাব অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হচ্ছে না: নাহিদ ইসলাম

কক্সবাজার সিটি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ প্রতিবেদন, নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ

আপডেট সময় : ১১:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

কক্সবাজার সিটি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরীর নিয়োগের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের একটি অংশ পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। তারা নানা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। গুটিকয়েক শিক্ষক ইতোমধ্যে ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ অবৈধ’ দাবি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগের আলোকে ১৯ মে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে অধিদপ্তর।

এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তা রাজনৈতিক পক্ষপাত দুষ্টু হয়েছে বলে মহাপরিচালককে লিখিত অভিযোগ করেন এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরী। গত ১৮ মে তিনি এই অভিযোগটি দাখিল করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুন:তদন্ত/শুনানির জন্য উপ-পরিচালক (কলেজ -২) মুহাম্মদ নওশের আলীকে দায়িত্ব দেন মহাপরিচালক ড. আজাদ খান।
তবে পুন:তদন্ত/শুনানি কখন হবে তা এখনো জানা যায়নি।

এদিকে, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন বলে জানান এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি বলেন, আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক গত ১৬ জানুয়ারি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হই। আমার বৈধ এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অবস্থান নেয়।

বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কলেজের প্রশাসনিক পটপরিবর্তনের পর এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে কক্সবাজার সিটি কলেজ। এ সময় অধ্যক্ষের অবসর পরবর্তী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অভিযোগ উত্থাপন করে যে উক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া বিধিসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়নি।

উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের স্মারক নং-৭জি-৮৫০(ক-৩)/২০০৫ (অংশ-১)/৫১৭/৯, তারিখঃ ১২/০২/২০২৫ খ্রিঃ অনুযায়ী জনাব ইমরান আলী, সহকারী পরিচালক (কলেজ-৪), এবং মোঃ মাঈন উদ্দিন, সহকারী পরিচালক (কলেজ-৩), একটি তদন্ত কমিটি হিসেবে ২০ শে ফেব্রুয়ারী কক্সবাজার সিটি কলেজে আগমন করেন।

এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরী দুঃখের সঙ্গে বলেন, তদন্ত কার্যক্রম চলাকালে উক্ত কমিটির সদস্যদ্বয়ের আচরণ পক্ষপাতদুষ্ট এবং প্রাথমিকভাবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়। তাঁরা শিক্ষক সমাজের একাংশের সাথে দুর্ব্যবহার করেন এবং কলেজের সামগ্রিক বাস্তবতা বিবেচনা না করেই পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং স্মারক নং-৭জি-৮৫০(ক-৩)/২০০৫ (অংশ-১)/১৬৩৯/৬ তারিখ: ১৭/০৫/২০২৫ মূলে আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ স্মারক নং: ৩৭.০০.০০০০.০৪৭.০০২.০০১.২০২১.৫১ তারিখ-০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ এর পরিপত্রের পরিপন্থী উল্লেখ করে রিপোর্ট দেয়। অথচ কক্সবাজার সিটি কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ হওয়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বেসরকারী কলেজ শিক্ষকদের চাকুরীর শর্তাবলী রেগুলেশন (সংশোধিত) -২০১৯ এর ধারা ২(i), (ii), (iii) মেনে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার বিন্দুমাত্রও ব্যত্যয় ঘটেনি।

এমতাবস্থায়, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে তদন্ত কমিটি তাদের দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে একটি নির্দেশনা জারী করেন।

বিষয়টির প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত রিপোর্ট পুনমূল্যায়ন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এস.এম. আকতার উদ্দিন চৌধুরী।