ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব করল বিএফআইইউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ববাজারে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ছাড়াল ১০৩ ডলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যেকোন অভিযানের জন্য প্রস্তুত পুলিশ উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত উখিয়ার পালংখালী থেকে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার উখিয়ায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযান: ৫ প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা সেন্টমার্টিনে পর্যটক ভ্রমনে বিধিনিষেধ শিথিল হচ্ছে! কলাতলীতে বাতিল প্লটে মার্কেট নির্মাণ, কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য কুতুবদিয়ায় বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ টেকনাফে বজ্রপাতে কৃষক আহত সদর থানার অভিযান অব্যাহত: ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ১৫ ফিশিং বোটের ইঞ্জিন বিকল, ভাসমান ১৩ জেলে উদ্ধার কক্সবাজারে ৪৬ মামলার প্রায় ৯৯ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস

কক্সবাজারে এ বছরের সর্বনিম্ন ফিতরা ৯৫ টাকা, সর্বোচ্চ ২৪৭৫ টাকা

কক্সবাজার জেলায় এ বছরের জন্য জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৯৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,৪৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজার কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি কক্সবাজার জেলা ও জেলা ইমাম পরিষদের এক যৌথ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজারের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোহাম্মদ আবু তালহা-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার কেন্দ্রীয় মডেল জামে মসজিদের খতিব ও সীতাকুণ্ড কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আল্লামা মাহমুদুল হক।

সভায় উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম স্থানীয় বাজারদর যাচাই করে ফিতরার এই পরিমাণ নির্ধারণ করেন। নির্ধারিত হারসমূহ নিচে দেওয়া হলো: আটা (অর্ধ সা—১৬৫০ গ্রাম): ৯৫ টাকা (নিম্নবিত্তদের জন্য প্রযোজ্য)। খেজুর (এক সা—৩৩০০ গ্রাম): ২,১৫০ টাকা (উচ্চ মধ্যবিত্তদের জন্য প্রযোজ্য)। কিসমিস (এক সা—৩৩০০ গ্রাম): ২,৪৭৫ টাকা (উচ্চবিত্তদের জন্য প্রযোজ্য)।

এছাড়া কক্সবাজারের বাজারে যব ও পনিরের প্রচলন কম থাকায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঢাকা কর্তৃক ঘোষিত দর অনুযায়ী যব (এক সা—৩৩০০ গ্রাম) ৫৯৫ টাকা এবং পনির (এক সা—৩৩০০ গ্রাম) ২,৮০৫ টাকা হারে আদায় করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সভায় আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত ছালাম, মুহাদ্দিস মাওলানা আতাউল্লাহ মো. নোমান, উলামা পরিষদ জেলা সভাপতি মাওলানা শফিউল হক জিহাদী, কক্সবাজার বড় বাজার জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের খতিব ও জাতীয় ইমাম সমিতি জেলা সভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন এবং ইমাম পরিষদ জেলা সভাপতি মুফতি সোলাইমান কাসেমি সহ অনেকে।

সভায় বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী যাকাতের নিসাবও নির্ধারণ করা হয়। যাদের নিকট বছর শেষে উদ্বৃত্ত সম্পদ হিসেবে ন্যূনতম ১,৫৭,৫০০ (এক লক্ষ সাতান্ন হাজার পাঁচশত) টাকা জমা থাকবে, তাদের ওপর যাকাত ফরজ হবে বলে জানানো হয়।

উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম সামর্থ্যবানদের সর্বোচ্চ হারে ফিতরা আদায়ের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে রমজানে যাকাত আদায়ের ফজিলত তুলে ধরে তারা বলেন, এ মাসে দান-সদকা ও যাকাত আদায় করলে অন্য মাসের চেয়ে ৭০ গুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়।

সভায় কক্সবাজারের বিভিন্ন মাদ্রাসার সুপার, মসজিদের খতিব ও ওলামা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব করল বিএফআইইউ

কক্সবাজারে এ বছরের সর্বনিম্ন ফিতরা ৯৫ টাকা, সর্বোচ্চ ২৪৭৫ টাকা

আপডেট সময় : ১২:১৪:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজার জেলায় এ বছরের জন্য জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৯৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,৪৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজার কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি কক্সবাজার জেলা ও জেলা ইমাম পরিষদের এক যৌথ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজারের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোহাম্মদ আবু তালহা-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার কেন্দ্রীয় মডেল জামে মসজিদের খতিব ও সীতাকুণ্ড কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আল্লামা মাহমুদুল হক।

সভায় উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম স্থানীয় বাজারদর যাচাই করে ফিতরার এই পরিমাণ নির্ধারণ করেন। নির্ধারিত হারসমূহ নিচে দেওয়া হলো: আটা (অর্ধ সা—১৬৫০ গ্রাম): ৯৫ টাকা (নিম্নবিত্তদের জন্য প্রযোজ্য)। খেজুর (এক সা—৩৩০০ গ্রাম): ২,১৫০ টাকা (উচ্চ মধ্যবিত্তদের জন্য প্রযোজ্য)। কিসমিস (এক সা—৩৩০০ গ্রাম): ২,৪৭৫ টাকা (উচ্চবিত্তদের জন্য প্রযোজ্য)।

এছাড়া কক্সবাজারের বাজারে যব ও পনিরের প্রচলন কম থাকায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঢাকা কর্তৃক ঘোষিত দর অনুযায়ী যব (এক সা—৩৩০০ গ্রাম) ৫৯৫ টাকা এবং পনির (এক সা—৩৩০০ গ্রাম) ২,৮০৫ টাকা হারে আদায় করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সভায় আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত ছালাম, মুহাদ্দিস মাওলানা আতাউল্লাহ মো. নোমান, উলামা পরিষদ জেলা সভাপতি মাওলানা শফিউল হক জিহাদী, কক্সবাজার বড় বাজার জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের খতিব ও জাতীয় ইমাম সমিতি জেলা সভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন এবং ইমাম পরিষদ জেলা সভাপতি মুফতি সোলাইমান কাসেমি সহ অনেকে।

সভায় বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী যাকাতের নিসাবও নির্ধারণ করা হয়। যাদের নিকট বছর শেষে উদ্বৃত্ত সম্পদ হিসেবে ন্যূনতম ১,৫৭,৫০০ (এক লক্ষ সাতান্ন হাজার পাঁচশত) টাকা জমা থাকবে, তাদের ওপর যাকাত ফরজ হবে বলে জানানো হয়।

উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম সামর্থ্যবানদের সর্বোচ্চ হারে ফিতরা আদায়ের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে রমজানে যাকাত আদায়ের ফজিলত তুলে ধরে তারা বলেন, এ মাসে দান-সদকা ও যাকাত আদায় করলে অন্য মাসের চেয়ে ৭০ গুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়।

সভায় কক্সবাজারের বিভিন্ন মাদ্রাসার সুপার, মসজিদের খতিব ও ওলামা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।