ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শহরে অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে পর্যটকের মৃত্যু ৭০ বছর পর আসাম থেকে নৌপথে পণ্য এলো বাংলাদেশে আ.লীগ সমঝোতা চাইলে আগে অপরাধ স্বীকার করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা শিশুদের মানুষের মতো মানুষ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে একটি মানবিক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই : প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে মহেশখালীর কলেজ ছাত্রের মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টি শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে সাবেক এডিসি আশরাফুল আফসারের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডেঙ্গুর প্রকোপ : ৯ মাসে আক্রান্ত ২ হাজার ৮৮২ জন, ১০ জনের মৃত্যু পেকুয়ায় ছয়টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের বিরোধে চকরিয়ার ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা-পুলিশ : আরো ২ ঘাতক আটক জলদস্যু প্রতিরোধে বঙ্গোপসাগরে কোস্ট গার্ডের অভিযান জোরদার ভোক্তা-অধিকারের অভিযান: চকরিয়ায় ৬ প্রতিষ্ঠানকে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা

আ.লীগ সমঝোতা চাইলে আগে অপরাধ স্বীকার করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

ঢাকা: আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার আগে দলটির পক্ষ থেকে অতীতের অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপ প্রকাশ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে এখনও আওয়ামী লীগের সমর্থক রয়েছেন। তারা দেশের নাগরিক।

তাদের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া খারাপ কোনো ধারণা নয়। তবে এর জন্য একটি মৌলিক ভিত্তি প্রয়োজন।

তিনি বলেন, যে রাজনৈতিক দল অপরাধ করেছে, তাদের সেই অপরাধের স্বীকৃতি ও এ নিয়ে অনুতাপ থাকতে হবে। অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপের পরই সমঝোতার প্রশ্ন আসে।

ডা. জাহেদ আরও বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞতাতেও সমঝোতার ক্ষেত্রে অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপ গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি ছিল। তবে অপরাধ স্বীকার করলেই ফৌজদারি অপরাধের আইনি দায় শেষ হয়ে যায় না। এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ও থাকে।

৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, সমঝোতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তারা অনেক আলোচনা করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ বা দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অপরাধ স্বীকার বা অনুতাপের কোনো ইতিবাচক অবস্থান দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, আমরা খুব অবাক হয়ে ৫ তারিখের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেখছি, সেই দলটা, সেই দলের প্রধান নেত্রী এখনও আমাদেরকে ব্লেম করছেন, হুমকি দিচ্ছেন। সমানে হুমকি দেওয়া হয়েছে, সবাইকে দেখে নেওয়া হবে, পাল্টা কী করা হবে-এ ধরনের নানা বক্তব্য এসেছে।

এ অবস্থায় সমঝোতার আলোচনা করা কঠিন উল্লেখ করে ডা. জাহেদ বলেন, সমঝোতা তো তাদের চাইতে হবে। আমরা মাঝখান থেকে কেউ যদি সমঝোতা চেয়ে থাকেন, তাদের যদি মনে হয় এটা ভালো, আমিও মনে করি ভালো। তাদের উচিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা, আওয়ামী লীগের সঙ্গে কথা বলা।

জাহেদ উর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে সমঝোতা শুরুর প্রয়োজনীয় মৌলিক জায়গাটি নিশ্চিত করা গেলে এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

সূত্র: বাংলা নিউজ 24
ট্যাগ :

আ.লীগ সমঝোতা চাইলে আগে অপরাধ স্বীকার করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা: আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার আগে দলটির পক্ষ থেকে অতীতের অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপ প্রকাশ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে এখনও আওয়ামী লীগের সমর্থক রয়েছেন। তারা দেশের নাগরিক।

তাদের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া খারাপ কোনো ধারণা নয়। তবে এর জন্য একটি মৌলিক ভিত্তি প্রয়োজন।

তিনি বলেন, যে রাজনৈতিক দল অপরাধ করেছে, তাদের সেই অপরাধের স্বীকৃতি ও এ নিয়ে অনুতাপ থাকতে হবে। অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপের পরই সমঝোতার প্রশ্ন আসে।

ডা. জাহেদ আরও বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞতাতেও সমঝোতার ক্ষেত্রে অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপ গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি ছিল। তবে অপরাধ স্বীকার করলেই ফৌজদারি অপরাধের আইনি দায় শেষ হয়ে যায় না। এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ও থাকে।

৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, সমঝোতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তারা অনেক আলোচনা করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ বা দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অপরাধ স্বীকার বা অনুতাপের কোনো ইতিবাচক অবস্থান দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, আমরা খুব অবাক হয়ে ৫ তারিখের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেখছি, সেই দলটা, সেই দলের প্রধান নেত্রী এখনও আমাদেরকে ব্লেম করছেন, হুমকি দিচ্ছেন। সমানে হুমকি দেওয়া হয়েছে, সবাইকে দেখে নেওয়া হবে, পাল্টা কী করা হবে-এ ধরনের নানা বক্তব্য এসেছে।

এ অবস্থায় সমঝোতার আলোচনা করা কঠিন উল্লেখ করে ডা. জাহেদ বলেন, সমঝোতা তো তাদের চাইতে হবে। আমরা মাঝখান থেকে কেউ যদি সমঝোতা চেয়ে থাকেন, তাদের যদি মনে হয় এটা ভালো, আমিও মনে করি ভালো। তাদের উচিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা, আওয়ামী লীগের সঙ্গে কথা বলা।

জাহেদ উর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে সমঝোতা শুরুর প্রয়োজনীয় মৌলিক জায়গাটি নিশ্চিত করা গেলে এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

সূত্র: বাংলা নিউজ 24