ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতার উপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত উখিয়া, পুলিশ মোতায়েন কক্সবাজারে জাতীয় সমবায় দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা- মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সমবায় গুরুত্বপূর্ণ রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বিষয়ে কি বলেছেন আইনমন্ত্রী? হারবাংয়ে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু ‘বাংলাদেশ শরীর গঠন ফেডারেশন’র অ্যাডহক কমিটির সদস্য হলেন কক্সবাজারের ইউসান রাখাইন ‘বাংলাদেশ শরীর গঠন ফেডারেশন’র অ্যাডহক কমিটির সদস্য হলেন কক্সবাজারের ইউসান রাখাইন কক্সবাজার মানি লন্ডারিং মামলার আসামি মিজান গ্রেফতার প্রথাগত কূটনৈতিক তৎপরতায় রোহিঙ্গা সমাস্যার সমাধান সম্ভব নয় : শামা ওবায়েদ কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকা থেকে রোহিঙ্গা নেতা মুহিব উল্লাহ হত্যা মামলার আসামি আমিন গ্রেফতার প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হবে: ইসি সচিব মাতারবাড়ী প্রকল্পের সুফল স্থানীয়দের ঘরে পৌঁছাতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব সমবায়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের আহ্বান, লামায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত উখিয়ার থাইংখালীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ, ঝুঁকির মুখে সড়ক শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উৎসব আজ রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী

আ.লীগ সমঝোতা চাইলে আগে অপরাধ স্বীকার করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

ঢাকা: আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার আগে দলটির পক্ষ থেকে অতীতের অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপ প্রকাশ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে এখনও আওয়ামী লীগের সমর্থক রয়েছেন। তারা দেশের নাগরিক।

তাদের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া খারাপ কোনো ধারণা নয়। তবে এর জন্য একটি মৌলিক ভিত্তি প্রয়োজন।

তিনি বলেন, যে রাজনৈতিক দল অপরাধ করেছে, তাদের সেই অপরাধের স্বীকৃতি ও এ নিয়ে অনুতাপ থাকতে হবে। অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপের পরই সমঝোতার প্রশ্ন আসে।

ডা. জাহেদ আরও বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞতাতেও সমঝোতার ক্ষেত্রে অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপ গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি ছিল। তবে অপরাধ স্বীকার করলেই ফৌজদারি অপরাধের আইনি দায় শেষ হয়ে যায় না। এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ও থাকে।

৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, সমঝোতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তারা অনেক আলোচনা করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ বা দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অপরাধ স্বীকার বা অনুতাপের কোনো ইতিবাচক অবস্থান দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, আমরা খুব অবাক হয়ে ৫ তারিখের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেখছি, সেই দলটা, সেই দলের প্রধান নেত্রী এখনও আমাদেরকে ব্লেম করছেন, হুমকি দিচ্ছেন। সমানে হুমকি দেওয়া হয়েছে, সবাইকে দেখে নেওয়া হবে, পাল্টা কী করা হবে-এ ধরনের নানা বক্তব্য এসেছে।

এ অবস্থায় সমঝোতার আলোচনা করা কঠিন উল্লেখ করে ডা. জাহেদ বলেন, সমঝোতা তো তাদের চাইতে হবে। আমরা মাঝখান থেকে কেউ যদি সমঝোতা চেয়ে থাকেন, তাদের যদি মনে হয় এটা ভালো, আমিও মনে করি ভালো। তাদের উচিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা, আওয়ামী লীগের সঙ্গে কথা বলা।

জাহেদ উর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে সমঝোতা শুরুর প্রয়োজনীয় মৌলিক জায়গাটি নিশ্চিত করা গেলে এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

সূত্র: বাংলা নিউজ 24
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি নেতার উপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত উখিয়া, পুলিশ মোতায়েন

আ.লীগ সমঝোতা চাইলে আগে অপরাধ স্বীকার করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা: আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার আগে দলটির পক্ষ থেকে অতীতের অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপ প্রকাশ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে এখনও আওয়ামী লীগের সমর্থক রয়েছেন। তারা দেশের নাগরিক।

তাদের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া খারাপ কোনো ধারণা নয়। তবে এর জন্য একটি মৌলিক ভিত্তি প্রয়োজন।

তিনি বলেন, যে রাজনৈতিক দল অপরাধ করেছে, তাদের সেই অপরাধের স্বীকৃতি ও এ নিয়ে অনুতাপ থাকতে হবে। অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপের পরই সমঝোতার প্রশ্ন আসে।

ডা. জাহেদ আরও বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞতাতেও সমঝোতার ক্ষেত্রে অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপ গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি ছিল। তবে অপরাধ স্বীকার করলেই ফৌজদারি অপরাধের আইনি দায় শেষ হয়ে যায় না। এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ও থাকে।

৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, সমঝোতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তারা অনেক আলোচনা করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ বা দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অপরাধ স্বীকার বা অনুতাপের কোনো ইতিবাচক অবস্থান দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, আমরা খুব অবাক হয়ে ৫ তারিখের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেখছি, সেই দলটা, সেই দলের প্রধান নেত্রী এখনও আমাদেরকে ব্লেম করছেন, হুমকি দিচ্ছেন। সমানে হুমকি দেওয়া হয়েছে, সবাইকে দেখে নেওয়া হবে, পাল্টা কী করা হবে-এ ধরনের নানা বক্তব্য এসেছে।

এ অবস্থায় সমঝোতার আলোচনা করা কঠিন উল্লেখ করে ডা. জাহেদ বলেন, সমঝোতা তো তাদের চাইতে হবে। আমরা মাঝখান থেকে কেউ যদি সমঝোতা চেয়ে থাকেন, তাদের যদি মনে হয় এটা ভালো, আমিও মনে করি ভালো। তাদের উচিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা, আওয়ামী লীগের সঙ্গে কথা বলা।

জাহেদ উর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে সমঝোতা শুরুর প্রয়োজনীয় মৌলিক জায়গাটি নিশ্চিত করা গেলে এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

সূত্র: বাংলা নিউজ 24