ঢাকা ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি প্রধানমন্ত্রীকে বরনে প্রস্তুত পেকুয়া কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চাই -কক্সবাজারে ক্রীড়ামন্ত্রী কুতুবদিয়ায় উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে দিনব্যাপী কর্মসূচি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন, ক্ষতি প্রায় ১২ লাখ টাকা কক্সবাজারে ১২ ঘন্টার সফরে ১১ কর্মসূচীতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজের দোকানে ফাঁসিতে ঝুলেছে মুজিব: পরকিয়া ও টাকার লেনদেন বলছে স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভা করার দাবি জানালেন ছাত্রনেতা বাসেত মির্জা বৃহত্তর মনোহরখালী ঐক্য পরিষদের জার্সি উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সফর, ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বকাপে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে দুঃসংবাদ দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করল মেক্সিকো

আজকের দিনটা সবাইকে আপন করে নেওয়ার দিন: প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আজকের দিনটা সবাইকে আপন করে নেওয়ার দিন। আমরা এই বাণী মনে ধারণ করে প্রত্যেকে যেন পরস্পরকে ধারণ করি, যত রকম দূরত্ব ছিল সেই দূরত্ব থেকে আমরা যেন সরে আসতে পারি।’

সোমবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও কূটনৈতিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা আমন্ত্রিত অতিথিদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘আজকে ঈদের দিন আমরা সবাই একত্র হতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। সবার সঙ্গে দেখা করা আমার জন্য বড় কঠিন বিষয়। কাজেই আজ একসঙ্গে এতজনের সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য হয়েছে, আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’

তিনি বলেন, ‘ঈদের বাণীটাই হলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতা, অতীতকে পেছনে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। সমাজে এরকম একটা দিন আমরা স্থির করতে পেরেছি, আমাদের ধর্ম আমাদের দিয়েছে। এটাই আমাদের জন্য একটা আশীর্বাদ। এটা যেমন-তেমন দিন না, যেমন-তেমনভাবে দেখা করলে হয় না, কোলাকুলি করতে হয়। এটাই ধর্মের বিধান। আমরা কোলাকুলি করি সবাইকে আপন করে নেই।’

এবারের ঈদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা পরস্পরের কাছে আসি, পরস্পরের দূরত্ব থেকে আমরা সরে আসতে পারি, জাতিকে-সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারি। এই ঐক্যবদ্ধ হওয়াটা আমাদের জন্য এই সময়ের জন্য বিশেষভাবে জরুরি।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকের এই মিলনমেলায় আমরা সেই বাণী আত্মস্থ করে সামনের পথে অগ্রসর হব, আমরা পরস্পরের প্রতি সহনশীল হব। শুধু সহনশীল নয়, তার চাইতেও বেশি আমরা পরস্পরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করব। এর মাধ্যমেই সমাজে শান্তি আসবে।’

‘বাংলাদেশের জন্য শান্তি অত্যন্ত জরুরি’ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকের দিনটা আমরা প্রতিদিন স্মরণ করি। আমরা দেশে শান্তি চাই, যেন মানুষ নিজ মনে নিজের আগ্রহে দিন চলতে পারে। কারও ভয়ে ভীত হয়ে তাকে যেন চলতে না হয়।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি

আজকের দিনটা সবাইকে আপন করে নেওয়ার দিন: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৯:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ মার্চ ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আজকের দিনটা সবাইকে আপন করে নেওয়ার দিন। আমরা এই বাণী মনে ধারণ করে প্রত্যেকে যেন পরস্পরকে ধারণ করি, যত রকম দূরত্ব ছিল সেই দূরত্ব থেকে আমরা যেন সরে আসতে পারি।’

সোমবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও কূটনৈতিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা আমন্ত্রিত অতিথিদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘আজকে ঈদের দিন আমরা সবাই একত্র হতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। সবার সঙ্গে দেখা করা আমার জন্য বড় কঠিন বিষয়। কাজেই আজ একসঙ্গে এতজনের সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য হয়েছে, আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’

তিনি বলেন, ‘ঈদের বাণীটাই হলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতা, অতীতকে পেছনে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। সমাজে এরকম একটা দিন আমরা স্থির করতে পেরেছি, আমাদের ধর্ম আমাদের দিয়েছে। এটাই আমাদের জন্য একটা আশীর্বাদ। এটা যেমন-তেমন দিন না, যেমন-তেমনভাবে দেখা করলে হয় না, কোলাকুলি করতে হয়। এটাই ধর্মের বিধান। আমরা কোলাকুলি করি সবাইকে আপন করে নেই।’

এবারের ঈদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা পরস্পরের কাছে আসি, পরস্পরের দূরত্ব থেকে আমরা সরে আসতে পারি, জাতিকে-সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারি। এই ঐক্যবদ্ধ হওয়াটা আমাদের জন্য এই সময়ের জন্য বিশেষভাবে জরুরি।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকের এই মিলনমেলায় আমরা সেই বাণী আত্মস্থ করে সামনের পথে অগ্রসর হব, আমরা পরস্পরের প্রতি সহনশীল হব। শুধু সহনশীল নয়, তার চাইতেও বেশি আমরা পরস্পরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করব। এর মাধ্যমেই সমাজে শান্তি আসবে।’

‘বাংলাদেশের জন্য শান্তি অত্যন্ত জরুরি’ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকের দিনটা আমরা প্রতিদিন স্মরণ করি। আমরা দেশে শান্তি চাই, যেন মানুষ নিজ মনে নিজের আগ্রহে দিন চলতে পারে। কারও ভয়ে ভীত হয়ে তাকে যেন চলতে না হয়।’