ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগামীকাল রথযাত্রা উৎসব- থাকছে নানা আয়োজন তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত আজ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তিন বিষয়ের পরীক্ষা আবার নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী পেকুয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু রাজাপালংয়ের চেয়ারম্যান দুর্নীতিগ্রস্ত : জেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া এমপির চিঠি ভাইরাল! বুধবার পরীক্ষা হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা মাতারবাড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ: ‘আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা’ দাবি পরিবারের কুতুবদিয়ায় নিহত জেলে পরিবারের পাশে ইউএনও: আর্থিক সহায়তা প্রদান কক্সবাজার থেকে অস্ত্র কিনে নিয়ে যাচ্ছিল ঢাকায় : লোহাগাড়ায় পুলিশের হাতে দুটি অস্ত্রসহ আটক ৩ মাথাগোঁজার একমাত্র আশ্রয় হারিয়ে লোহাগাড়ার আবদুল বারীর আর্তনাদ, — পাশে দাঁড়ানোর আকুতি এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে কক্সবাজারে পাঁচ ঘণ্টার সড়ক অবরোধ পাহাড় কর্তনকারী ও বন্যায় স্লুইসগেট বন্ধের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বিশ্বে ফার্মের মুরগি উৎপাদনে বাংলাদেশ কততম, শীর্ষে কারা?

ভারী বৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত: ইউএনএইচসিআর

 ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার জেলা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় শরণার্থী ক্যাম্পে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি আছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) তথ্য অনুসারে, এই অবস্থা আগামী ৪৮ ঘণ্টা ধরে অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য স্থানীয়ভাবে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত বলবৎ রয়েছে। অন্যদিকে বিএমডি চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা কো-অর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্ম (আরসিপি) ডেইলি ইনসিডেন্টস ড্যাশবোর্ড রিপোর্ট অনুসারে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে গত ৪ থেকে ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৩ হাজার ১৮২ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এ সময়ে ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি বন্যা এবং ৮৩টি ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয় আংশিক এবং ১০টি আশ্রয় সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলো জরুরি উদ্ধার, আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস থাকায় নতুন করে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকি রয়েই গেছে।

কক্সবাজারের বিএমডি আবহাওয়া স্টেশন অনুসারে, ৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতিরিক্ত ভূমিধস এবং স্থানীয় বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আগামীকাল রথযাত্রা উৎসব- থাকছে নানা আয়োজন

ভারী বৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত: ইউএনএইচসিআর

আপডেট সময় : ১২:২৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
 ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার জেলা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় শরণার্থী ক্যাম্পে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি আছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) তথ্য অনুসারে, এই অবস্থা আগামী ৪৮ ঘণ্টা ধরে অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য স্থানীয়ভাবে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত বলবৎ রয়েছে। অন্যদিকে বিএমডি চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা কো-অর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্ম (আরসিপি) ডেইলি ইনসিডেন্টস ড্যাশবোর্ড রিপোর্ট অনুসারে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে গত ৪ থেকে ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৩ হাজার ১৮২ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এ সময়ে ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি বন্যা এবং ৮৩টি ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয় আংশিক এবং ১০টি আশ্রয় সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলো জরুরি উদ্ধার, আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস থাকায় নতুন করে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকি রয়েই গেছে।

কক্সবাজারের বিএমডি আবহাওয়া স্টেশন অনুসারে, ৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতিরিক্ত ভূমিধস এবং স্থানীয় বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক