ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে জিবনের বিচ্ছেদ হলো রুবিনা আক্তারের জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কক্সবাজার জেলার আহবায়ক কমিটি: স্বপন আহবায়ক, বাবু সদস্য সচিব ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর হাইকোর্টের আদেশ: পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আগের সভাপতি বহাল প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা চট্টগ্রাম রেঞ্জে সর্বোচ্চ মাদক উদ্ধার ও সাহসিকতার জন্য সম্মাননা পেলেন সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’— ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ মাতারবাড়ি থেকে অনলাইন জুয়ার দুই এজেন্ট কে আটক করেছে পুলিশ ৩ টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে টেকনাফের বাহারছড়ায় : প্রস্তাবিত কচ্ছপিয়ায় পুলিশ ফাঁড়ির জমি নির্ধারন কলাতলীতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার পারিবারিক মামলার শুনানি শেষে ফেরার পথে প্রাণ গেল আপন দুই বোনসহ ৩ জনের উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, সিএনজি জব্দ মাদক মামলায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কাশেম গ্রেপ্তার সমিতি পাড়ার সুকান্ত হত্যা মামলার আসামি বাপ্পি গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম ডিবির হাতে গ্রেফতার

ভারী বৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত: ইউএনএইচসিআর

 ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার জেলা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় শরণার্থী ক্যাম্পে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি আছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) তথ্য অনুসারে, এই অবস্থা আগামী ৪৮ ঘণ্টা ধরে অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য স্থানীয়ভাবে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত বলবৎ রয়েছে। অন্যদিকে বিএমডি চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা কো-অর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্ম (আরসিপি) ডেইলি ইনসিডেন্টস ড্যাশবোর্ড রিপোর্ট অনুসারে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে গত ৪ থেকে ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৩ হাজার ১৮২ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এ সময়ে ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি বন্যা এবং ৮৩টি ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয় আংশিক এবং ১০টি আশ্রয় সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলো জরুরি উদ্ধার, আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস থাকায় নতুন করে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকি রয়েই গেছে।

কক্সবাজারের বিএমডি আবহাওয়া স্টেশন অনুসারে, ৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতিরিক্ত ভূমিধস এবং স্থানীয় বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‎বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে জিবনের বিচ্ছেদ হলো রুবিনা আক্তারের

ভারী বৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত: ইউএনএইচসিআর

আপডেট সময় : ১২:২৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
 ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার জেলা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় শরণার্থী ক্যাম্পে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি আছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) তথ্য অনুসারে, এই অবস্থা আগামী ৪৮ ঘণ্টা ধরে অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য স্থানীয়ভাবে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত বলবৎ রয়েছে। অন্যদিকে বিএমডি চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা কো-অর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্ম (আরসিপি) ডেইলি ইনসিডেন্টস ড্যাশবোর্ড রিপোর্ট অনুসারে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে গত ৪ থেকে ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৩ হাজার ১৮২ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এ সময়ে ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি বন্যা এবং ৮৩টি ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয় আংশিক এবং ১০টি আশ্রয় সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলো জরুরি উদ্ধার, আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস থাকায় নতুন করে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকি রয়েই গেছে।

কক্সবাজারের বিএমডি আবহাওয়া স্টেশন অনুসারে, ৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতিরিক্ত ভূমিধস এবং স্থানীয় বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক