ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ার পর রামু : নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলা সভাপতির ঘোষনা অনুযায়ী বাইক শো ডাউন ও মিছিল আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী ​টেকনাফ-উখিয়ার সীমান্ত নিরাপত্তা ও ৬ দফা নিয়ে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ‘নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন’-এর বৈঠক ‘জুলাই রেভ্যুলুশনারি এ্যালায়েন্স’কক্সবাজার জেলা কমিটি ঘোষণা কাউন্সিলর একরাম হত্যা: হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামার এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে কক্সবাজারের মেয়ে ইয়াশনা ইকতার এসএসসি ফল প্রকাশের সাম্ভব্য তারিখ জানা গেল বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন পারিবারিক কলহের জেরে মা-বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করে ছেলে : পুলিশ কোনো একসময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতারের দাবির বিষয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির প্রথম কার্যদিবস আজ টিটিএনের সংবাদকর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ডিডাব্লিউ একাডেমির ইন-হাউস প্রশিক্ষণ কক্সবাজারের মেয়ে তাওয়াক্কুল নূর চৌধুরী স্নেহা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর জুডো বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী

​টেকনাফ-উখিয়ার সীমান্ত নিরাপত্তা ও ৬ দফা নিয়ে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ‘নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন’-এর বৈঠক

টেকনাফ ও উখিয়া অঞ্চলের চলমান অপহরণ, মানবপাচার, সীমান্ত অপরাধ এবং জননিরাপত্তা সংকট নিরসনে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার জনাব জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ বৈঠক করেছে ‘নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন টেকনাফ–উখিয়া’-এর প্রতিনিধিদল।

​রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

​বৈঠকে প্রতিনিধিদল টেকনাফ–উখিয়ার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরে আন্দোলনের উত্থাপিত ৬ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি বিভাগীয় কমিশনারের নিকট হস্তান্তর করে।

বিভাগীয় কমিশনার অত্যন্ত মনোযোগের সঙ্গে স্মারকলিপিটি পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রতিটি দাবির যৌক্তিকতা গভীরভাবে পর্যালোচনা করেন।

​আলোচনা শেষে বিভাগীয় কমিশনার জানান, টেকনাফ–উখিয়ার বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো জনস্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, উত্থাপিত দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আসন্ন নীতি-নির্ধারণী সভায় সীমান্ত এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ও এসব দাবি গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করবেন বলে জানান তিনি।

​সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের প্রসঙ্গে তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্থানীয় পর্যায়ে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম শক্তিশালী করা এবং টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) আরও একটি নতুন ব্যাটালিয়ন স্থাপনের বিষয়টি ইতিবাচক বিবেচনায় রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

​বৈঠকে ‘নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন টেকনাফ–উখিয়া’-এর প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী রুবায়েত হোসাইন ও রবিউল হাসান মামুন, আইআইইউসির শিক্ষার্থী চৌধুরী সীয়াম ইলাহি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কামরুজ্জামান এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের শিক্ষার্থী শফিউল বশর।

​প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিভাগীয় কমিশনারের ইতিবাচক আশ্বাস ও আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের এই দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে নাফ নদীকেন্দ্রিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অপহরণ ও মানবপাচার বন্ধ হবে এবং সীমান্তে বসবাসকারী সাধারণ মানুষের জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ার পর রামু : নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলা সভাপতির ঘোষনা অনুযায়ী বাইক শো ডাউন ও মিছিল

​টেকনাফ-উখিয়ার সীমান্ত নিরাপত্তা ও ৬ দফা নিয়ে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ‘নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন’-এর বৈঠক

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

টেকনাফ ও উখিয়া অঞ্চলের চলমান অপহরণ, মানবপাচার, সীমান্ত অপরাধ এবং জননিরাপত্তা সংকট নিরসনে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার জনাব জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ বৈঠক করেছে ‘নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন টেকনাফ–উখিয়া’-এর প্রতিনিধিদল।

​রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

​বৈঠকে প্রতিনিধিদল টেকনাফ–উখিয়ার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরে আন্দোলনের উত্থাপিত ৬ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি বিভাগীয় কমিশনারের নিকট হস্তান্তর করে।

বিভাগীয় কমিশনার অত্যন্ত মনোযোগের সঙ্গে স্মারকলিপিটি পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রতিটি দাবির যৌক্তিকতা গভীরভাবে পর্যালোচনা করেন।

​আলোচনা শেষে বিভাগীয় কমিশনার জানান, টেকনাফ–উখিয়ার বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো জনস্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, উত্থাপিত দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আসন্ন নীতি-নির্ধারণী সভায় সীমান্ত এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ও এসব দাবি গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করবেন বলে জানান তিনি।

​সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের প্রসঙ্গে তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্থানীয় পর্যায়ে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম শক্তিশালী করা এবং টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) আরও একটি নতুন ব্যাটালিয়ন স্থাপনের বিষয়টি ইতিবাচক বিবেচনায় রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

​বৈঠকে ‘নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন টেকনাফ–উখিয়া’-এর প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী রুবায়েত হোসাইন ও রবিউল হাসান মামুন, আইআইইউসির শিক্ষার্থী চৌধুরী সীয়াম ইলাহি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কামরুজ্জামান এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের শিক্ষার্থী শফিউল বশর।

​প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিভাগীয় কমিশনারের ইতিবাচক আশ্বাস ও আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের এই দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে নাফ নদীকেন্দ্রিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অপহরণ ও মানবপাচার বন্ধ হবে এবং সীমান্তে বসবাসকারী সাধারণ মানুষের জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে।