ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আলোকিত শিক্ষা ফাউন্ডেশনের স্বর্ণপদক বৃত্তিতে ট্যালেন্টপুল অর্জন করলেন টেকনাফের সাউদা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ সীমান্ত লঙ্ঘন করতে পারবে না – উখিয়ায় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান বাংলা চ্যানেল পাড়ি ২ নারীসহ ৩৫ সাঁতারুর গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছেন ইইউ’র ৫৬ পর্যবেক্ষক দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটে পরিবর্তন আসছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড বাতিল, নতুনভাবে গঠন জনতার কাফেলা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে- কক্সবাজারে আদিলুর রহমান খান ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানি শুরু হোয়াইক্যং সীমান্তের চিংড়ি ঘের থেকে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার পেকুয়ায় লবণ চাষিকে কুপিয়ে আহতের অভিযোগ সীমান্তে মা ই ন বি স্ফো র ণে এক পা হারানো হানিফের অন্য পা নিয়েও শঙ্কা মানব পাচারকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি, টেকনাফে গুলিবিদ্ধ কিশোরীর মৃত্যু প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় নুরুন্নাহারকে নিয়ে প্রচারিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২৬ জুলাই কক্সবাজারের একটি অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় যে সংবাদটি প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। প্রকৃত বিষয় যাচাই না করে কারো প্ররোচনায় সংবাদটি ভিডিও চিত্র সহকারে প্রচার করা হয়েছে বলেই আমার বিশ্বাস।

আমি নুরুন্নাহার। ১৯৮৩ সালে এস.এস.সি পাশ করার পর একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ করি। পরবর্তীকালে লোকাল মেডিক্যাল অ্যাসিস্টেন্ট এবং ফ্যামিলি প্ল্যানিং (এলএমএএফ) সেখানে ৬ মাসের কোর্স সম্পন্ন করে সাধারণ চিকিৎসা বিষয়ক পরিষেবা প্রদান করি।

আমার কাছে কোন জটিল সমস্যা নিয়ে রোগী এলেই আমি তাৎক্ষনিক ভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে আমার নাম নুরুন্নাহার চৌধুরী বলা হয়েছে, প্রকৃত পক্ষে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী আমার নাম নুরুন্নাহার। (এলএমএএফ) কোর্সটি যারা সম্পন্ন করে সনদ পেয়েছে তারা বৈধভাবেই বিভিন্ন এনজিও, ক্লিনিক, হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসকের সহকারি এবং ফার্মেসি ব্যবসায় যুক্ত থাকতে পারেন। সংবাদে আমার নামে যে প্রেসক্রিপশনটি প্রদর্শন করা হয়েছে সেটি ভূয়া, আমি কোন রোগীকেই প্রেসক্রিপশন দেয়ার আমার বৈধতা নেয়।

এছাড়া সংবাদে যে দুইজন নারীকে ভিকটিম সাজানো হয়েছে তাদের আমি চিনি না। এমনকি কোনদিন চোখেও দেখিনি। সংবাদের একাংশে আমি ভাড়া বাসায় থাকি উল্লেখ করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। মূলত আমার বাড়ি বড় বাজার। যেখানে আমার শশুর বাড়ি অর্থাৎ আমার শশুর বাড়ির সবাই মিলেমিশে একসাথে পরিবার-পরিজন নিয়ে বড়বাজারে বসবাস করে আসছি।

সংবাদ মাধ্যমে আরো বলা হয়েছে আমি টাকা নিয়েছি সেটি সম্পূর্ণ ভূয়া এবং বানোয়াট, ভিত্তিহীন। আমি একজন অসুস্থ বয়োবৃদ্ধা। আমি ঠিক মতো হাঁটা চলাও করতে পারি না। ঐ মহিলা গুলো অতর্কিত অবস্থায় ডুকে সংবাদকর্মী সহ আমার বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে সংবাদ মাধ্যমে আমার পরিবার এবং ব্যক্তিগত পোশাকে মান হানি করার উদ্দেশ্যে আমাকে ফাঁসানোর জন্য নিজেরাই তাদের ব্যাগ থেকে টাকা দিয়ে রোগীর কাছ হতে টাকা নিয়েছি বলে ভিডিও ধারণ করে। পরে আমার পরিবার এবং আমার মানহানি করার উদ্দেশ্যে অনলাইন নিউজে ভিডিওটি প্রকাশ করে। সংবাদ মাধ্যমে আরো বলা হয়েছে আমি একজন ঝাড়ুদার সহ নানান ধরনের মানহানিকর কথা উল্লেখ করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। প্রকৃত পক্ষে এভাবে একটি প্রবাসী পরিবারের মান ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যেই ছিল একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র। বর্তমানে এ দিয়ে আমরা যারা প্রবাসী পরিবার পরিজন বসবাস করছি সকলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাছাড়া বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আমার আপন দেবর। এছাড়াও আমার ছেলে মধ্যপ্রাচ্যের দুবাইতে কর্মরত একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা। বর্তমানে মহান আল্লাহর মেহেরবানিতে আমাদের পরিবার স্বচ্ছলভাবেই শহরে সম্মানজনভাবে বসবাস করে আসছি। ষড়যন্ত্রকারীরা আমার পরিবারের সুখ সহ্য করতে না পেরে সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করিয়েছে । আমার বিরুদ্ধে এভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করায় আমি সহ পরিবারের সকল সদস্য সামাজিক ভাবে হেয় হচ্ছি যা কোনভাবেই কোন সাংবাদিকের কাছ থেকে কাম্য নয়।

পরিশেষে আমাকে নিয়ে প্রচারিত সংবাদটির আমি তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি কারো প্ররোচনায় পড়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকতে সাংবাদিক মহলকে অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধা থাকিবো

প্রতিবাদকারী
নুরুন্নাহার,বড় বাজার,কক্সবাজার

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আলোকিত শিক্ষা ফাউন্ডেশনের স্বর্ণপদক বৃত্তিতে ট্যালেন্টপুল অর্জন করলেন টেকনাফের সাউদা

This will close in 6 seconds

অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় নুরুন্নাহারকে নিয়ে প্রচারিত সংবাদের প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

গত ২৬ জুলাই কক্সবাজারের একটি অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় যে সংবাদটি প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। প্রকৃত বিষয় যাচাই না করে কারো প্ররোচনায় সংবাদটি ভিডিও চিত্র সহকারে প্রচার করা হয়েছে বলেই আমার বিশ্বাস।

আমি নুরুন্নাহার। ১৯৮৩ সালে এস.এস.সি পাশ করার পর একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ করি। পরবর্তীকালে লোকাল মেডিক্যাল অ্যাসিস্টেন্ট এবং ফ্যামিলি প্ল্যানিং (এলএমএএফ) সেখানে ৬ মাসের কোর্স সম্পন্ন করে সাধারণ চিকিৎসা বিষয়ক পরিষেবা প্রদান করি।

আমার কাছে কোন জটিল সমস্যা নিয়ে রোগী এলেই আমি তাৎক্ষনিক ভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে আমার নাম নুরুন্নাহার চৌধুরী বলা হয়েছে, প্রকৃত পক্ষে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী আমার নাম নুরুন্নাহার। (এলএমএএফ) কোর্সটি যারা সম্পন্ন করে সনদ পেয়েছে তারা বৈধভাবেই বিভিন্ন এনজিও, ক্লিনিক, হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসকের সহকারি এবং ফার্মেসি ব্যবসায় যুক্ত থাকতে পারেন। সংবাদে আমার নামে যে প্রেসক্রিপশনটি প্রদর্শন করা হয়েছে সেটি ভূয়া, আমি কোন রোগীকেই প্রেসক্রিপশন দেয়ার আমার বৈধতা নেয়।

এছাড়া সংবাদে যে দুইজন নারীকে ভিকটিম সাজানো হয়েছে তাদের আমি চিনি না। এমনকি কোনদিন চোখেও দেখিনি। সংবাদের একাংশে আমি ভাড়া বাসায় থাকি উল্লেখ করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। মূলত আমার বাড়ি বড় বাজার। যেখানে আমার শশুর বাড়ি অর্থাৎ আমার শশুর বাড়ির সবাই মিলেমিশে একসাথে পরিবার-পরিজন নিয়ে বড়বাজারে বসবাস করে আসছি।

সংবাদ মাধ্যমে আরো বলা হয়েছে আমি টাকা নিয়েছি সেটি সম্পূর্ণ ভূয়া এবং বানোয়াট, ভিত্তিহীন। আমি একজন অসুস্থ বয়োবৃদ্ধা। আমি ঠিক মতো হাঁটা চলাও করতে পারি না। ঐ মহিলা গুলো অতর্কিত অবস্থায় ডুকে সংবাদকর্মী সহ আমার বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে সংবাদ মাধ্যমে আমার পরিবার এবং ব্যক্তিগত পোশাকে মান হানি করার উদ্দেশ্যে আমাকে ফাঁসানোর জন্য নিজেরাই তাদের ব্যাগ থেকে টাকা দিয়ে রোগীর কাছ হতে টাকা নিয়েছি বলে ভিডিও ধারণ করে। পরে আমার পরিবার এবং আমার মানহানি করার উদ্দেশ্যে অনলাইন নিউজে ভিডিওটি প্রকাশ করে। সংবাদ মাধ্যমে আরো বলা হয়েছে আমি একজন ঝাড়ুদার সহ নানান ধরনের মানহানিকর কথা উল্লেখ করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। প্রকৃত পক্ষে এভাবে একটি প্রবাসী পরিবারের মান ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যেই ছিল একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র। বর্তমানে এ দিয়ে আমরা যারা প্রবাসী পরিবার পরিজন বসবাস করছি সকলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাছাড়া বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আমার আপন দেবর। এছাড়াও আমার ছেলে মধ্যপ্রাচ্যের দুবাইতে কর্মরত একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা। বর্তমানে মহান আল্লাহর মেহেরবানিতে আমাদের পরিবার স্বচ্ছলভাবেই শহরে সম্মানজনভাবে বসবাস করে আসছি। ষড়যন্ত্রকারীরা আমার পরিবারের সুখ সহ্য করতে না পেরে সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করিয়েছে । আমার বিরুদ্ধে এভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করায় আমি সহ পরিবারের সকল সদস্য সামাজিক ভাবে হেয় হচ্ছি যা কোনভাবেই কোন সাংবাদিকের কাছ থেকে কাম্য নয়।

পরিশেষে আমাকে নিয়ে প্রচারিত সংবাদটির আমি তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি কারো প্ররোচনায় পড়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকতে সাংবাদিক মহলকে অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধা থাকিবো

প্রতিবাদকারী
নুরুন্নাহার,বড় বাজার,কক্সবাজার