ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিকতার দিকপাল মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ আরো ১০ ছিনতাইকারী আটক, ২৪ ঘন্টায় আটক ১৪ জন ট্রাকে করে পাচারের জন্য যাচ্ছিলো ১৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার, ইউএনওর অভিযানে জব্দ খুরুশকুল নতুন ব্রীজ এলাকা থেকে দেশী অস্ত্রসহ ৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতারl আজিম মেম্বার এখন পেকুয়ার বিএনপির সুসময়ের বন্ধু! লামায় জব্দ করা ৮ লাখ ৭০ হাজার ঘনফুট বালুর নিলাম : সরকারি কোষাগারে জমা ২০ লাখ ২২ হাজার টাকা বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন : সভাপতি-সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে ১০ প্রার্থীর লড়াই সিটি কর্পোরেশন হলে কক্সবাজার সদর উপজেলা থাকবে না উখিয়ায় নিখোঁজের ২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার ৭ বছর বয়সী পূর্ণ বড়ুয়া, পরিবারের কাছে হস্তান্তর উখিয়ায় মানসিক রোগী তিন সন্তানের জননী নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার রামুতে ​মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় শেফা ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা ১৫টি জেলে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো নতুন নৌকা কক্সবাজার সিটি কলেজ এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় মুবিন আটক রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতার সঙ্গে নিরাপত্তার ভারসাম্য জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় নুরুন্নাহারকে নিয়ে প্রচারিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২৬ জুলাই কক্সবাজারের একটি অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় যে সংবাদটি প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। প্রকৃত বিষয় যাচাই না করে কারো প্ররোচনায় সংবাদটি ভিডিও চিত্র সহকারে প্রচার করা হয়েছে বলেই আমার বিশ্বাস।

আমি নুরুন্নাহার। ১৯৮৩ সালে এস.এস.সি পাশ করার পর একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ করি। পরবর্তীকালে লোকাল মেডিক্যাল অ্যাসিস্টেন্ট এবং ফ্যামিলি প্ল্যানিং (এলএমএএফ) সেখানে ৬ মাসের কোর্স সম্পন্ন করে সাধারণ চিকিৎসা বিষয়ক পরিষেবা প্রদান করি।

আমার কাছে কোন জটিল সমস্যা নিয়ে রোগী এলেই আমি তাৎক্ষনিক ভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে আমার নাম নুরুন্নাহার চৌধুরী বলা হয়েছে, প্রকৃত পক্ষে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী আমার নাম নুরুন্নাহার। (এলএমএএফ) কোর্সটি যারা সম্পন্ন করে সনদ পেয়েছে তারা বৈধভাবেই বিভিন্ন এনজিও, ক্লিনিক, হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসকের সহকারি এবং ফার্মেসি ব্যবসায় যুক্ত থাকতে পারেন। সংবাদে আমার নামে যে প্রেসক্রিপশনটি প্রদর্শন করা হয়েছে সেটি ভূয়া, আমি কোন রোগীকেই প্রেসক্রিপশন দেয়ার আমার বৈধতা নেয়।

এছাড়া সংবাদে যে দুইজন নারীকে ভিকটিম সাজানো হয়েছে তাদের আমি চিনি না। এমনকি কোনদিন চোখেও দেখিনি। সংবাদের একাংশে আমি ভাড়া বাসায় থাকি উল্লেখ করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। মূলত আমার বাড়ি বড় বাজার। যেখানে আমার শশুর বাড়ি অর্থাৎ আমার শশুর বাড়ির সবাই মিলেমিশে একসাথে পরিবার-পরিজন নিয়ে বড়বাজারে বসবাস করে আসছি।

সংবাদ মাধ্যমে আরো বলা হয়েছে আমি টাকা নিয়েছি সেটি সম্পূর্ণ ভূয়া এবং বানোয়াট, ভিত্তিহীন। আমি একজন অসুস্থ বয়োবৃদ্ধা। আমি ঠিক মতো হাঁটা চলাও করতে পারি না। ঐ মহিলা গুলো অতর্কিত অবস্থায় ডুকে সংবাদকর্মী সহ আমার বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে সংবাদ মাধ্যমে আমার পরিবার এবং ব্যক্তিগত পোশাকে মান হানি করার উদ্দেশ্যে আমাকে ফাঁসানোর জন্য নিজেরাই তাদের ব্যাগ থেকে টাকা দিয়ে রোগীর কাছ হতে টাকা নিয়েছি বলে ভিডিও ধারণ করে। পরে আমার পরিবার এবং আমার মানহানি করার উদ্দেশ্যে অনলাইন নিউজে ভিডিওটি প্রকাশ করে। সংবাদ মাধ্যমে আরো বলা হয়েছে আমি একজন ঝাড়ুদার সহ নানান ধরনের মানহানিকর কথা উল্লেখ করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। প্রকৃত পক্ষে এভাবে একটি প্রবাসী পরিবারের মান ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যেই ছিল একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র। বর্তমানে এ দিয়ে আমরা যারা প্রবাসী পরিবার পরিজন বসবাস করছি সকলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাছাড়া বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আমার আপন দেবর। এছাড়াও আমার ছেলে মধ্যপ্রাচ্যের দুবাইতে কর্মরত একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা। বর্তমানে মহান আল্লাহর মেহেরবানিতে আমাদের পরিবার স্বচ্ছলভাবেই শহরে সম্মানজনভাবে বসবাস করে আসছি। ষড়যন্ত্রকারীরা আমার পরিবারের সুখ সহ্য করতে না পেরে সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করিয়েছে । আমার বিরুদ্ধে এভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করায় আমি সহ পরিবারের সকল সদস্য সামাজিক ভাবে হেয় হচ্ছি যা কোনভাবেই কোন সাংবাদিকের কাছ থেকে কাম্য নয়।

পরিশেষে আমাকে নিয়ে প্রচারিত সংবাদটির আমি তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি কারো প্ররোচনায় পড়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকতে সাংবাদিক মহলকে অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধা থাকিবো

প্রতিবাদকারী
নুরুন্নাহার,বড় বাজার,কক্সবাজার

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিকতার দিকপাল মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় নুরুন্নাহারকে নিয়ে প্রচারিত সংবাদের প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

গত ২৬ জুলাই কক্সবাজারের একটি অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় যে সংবাদটি প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। প্রকৃত বিষয় যাচাই না করে কারো প্ররোচনায় সংবাদটি ভিডিও চিত্র সহকারে প্রচার করা হয়েছে বলেই আমার বিশ্বাস।

আমি নুরুন্নাহার। ১৯৮৩ সালে এস.এস.সি পাশ করার পর একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ করি। পরবর্তীকালে লোকাল মেডিক্যাল অ্যাসিস্টেন্ট এবং ফ্যামিলি প্ল্যানিং (এলএমএএফ) সেখানে ৬ মাসের কোর্স সম্পন্ন করে সাধারণ চিকিৎসা বিষয়ক পরিষেবা প্রদান করি।

আমার কাছে কোন জটিল সমস্যা নিয়ে রোগী এলেই আমি তাৎক্ষনিক ভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে আমার নাম নুরুন্নাহার চৌধুরী বলা হয়েছে, প্রকৃত পক্ষে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী আমার নাম নুরুন্নাহার। (এলএমএএফ) কোর্সটি যারা সম্পন্ন করে সনদ পেয়েছে তারা বৈধভাবেই বিভিন্ন এনজিও, ক্লিনিক, হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসকের সহকারি এবং ফার্মেসি ব্যবসায় যুক্ত থাকতে পারেন। সংবাদে আমার নামে যে প্রেসক্রিপশনটি প্রদর্শন করা হয়েছে সেটি ভূয়া, আমি কোন রোগীকেই প্রেসক্রিপশন দেয়ার আমার বৈধতা নেয়।

এছাড়া সংবাদে যে দুইজন নারীকে ভিকটিম সাজানো হয়েছে তাদের আমি চিনি না। এমনকি কোনদিন চোখেও দেখিনি। সংবাদের একাংশে আমি ভাড়া বাসায় থাকি উল্লেখ করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। মূলত আমার বাড়ি বড় বাজার। যেখানে আমার শশুর বাড়ি অর্থাৎ আমার শশুর বাড়ির সবাই মিলেমিশে একসাথে পরিবার-পরিজন নিয়ে বড়বাজারে বসবাস করে আসছি।

সংবাদ মাধ্যমে আরো বলা হয়েছে আমি টাকা নিয়েছি সেটি সম্পূর্ণ ভূয়া এবং বানোয়াট, ভিত্তিহীন। আমি একজন অসুস্থ বয়োবৃদ্ধা। আমি ঠিক মতো হাঁটা চলাও করতে পারি না। ঐ মহিলা গুলো অতর্কিত অবস্থায় ডুকে সংবাদকর্মী সহ আমার বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে সংবাদ মাধ্যমে আমার পরিবার এবং ব্যক্তিগত পোশাকে মান হানি করার উদ্দেশ্যে আমাকে ফাঁসানোর জন্য নিজেরাই তাদের ব্যাগ থেকে টাকা দিয়ে রোগীর কাছ হতে টাকা নিয়েছি বলে ভিডিও ধারণ করে। পরে আমার পরিবার এবং আমার মানহানি করার উদ্দেশ্যে অনলাইন নিউজে ভিডিওটি প্রকাশ করে। সংবাদ মাধ্যমে আরো বলা হয়েছে আমি একজন ঝাড়ুদার সহ নানান ধরনের মানহানিকর কথা উল্লেখ করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। প্রকৃত পক্ষে এভাবে একটি প্রবাসী পরিবারের মান ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যেই ছিল একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র। বর্তমানে এ দিয়ে আমরা যারা প্রবাসী পরিবার পরিজন বসবাস করছি সকলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাছাড়া বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আমার আপন দেবর। এছাড়াও আমার ছেলে মধ্যপ্রাচ্যের দুবাইতে কর্মরত একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা। বর্তমানে মহান আল্লাহর মেহেরবানিতে আমাদের পরিবার স্বচ্ছলভাবেই শহরে সম্মানজনভাবে বসবাস করে আসছি। ষড়যন্ত্রকারীরা আমার পরিবারের সুখ সহ্য করতে না পেরে সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করিয়েছে । আমার বিরুদ্ধে এভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করায় আমি সহ পরিবারের সকল সদস্য সামাজিক ভাবে হেয় হচ্ছি যা কোনভাবেই কোন সাংবাদিকের কাছ থেকে কাম্য নয়।

পরিশেষে আমাকে নিয়ে প্রচারিত সংবাদটির আমি তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি কারো প্ররোচনায় পড়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকতে সাংবাদিক মহলকে অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধা থাকিবো

প্রতিবাদকারী
নুরুন্নাহার,বড় বাজার,কক্সবাজার