বন্যার পানি কমলেও চকরিয়া ও পেকুয়ার অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ঘরেফেরেনি খাদ্যের নিশ্চয়তা। এমন পরিস্থিতিতে বন্যা-পরবর্তী জরুরি খাদ্যচাহিদা পূরণে চকরিয়া ও পেকুয়ার ১,৪০০ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশেদাঁড়িয়েছে মুসলিম হ্যান্ডস্ ইন্টারন্যাশনাল ।
২ ও ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ চকরিয়া উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়ন ও চকরিয়াপৌরসভায় ৮০০ জনের মধ্যে এবং ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পেকুয়াউপজেলার রাজাখালী ও উজানটিয়া ইউনিয়নে ৬০০ জনের মধ্যে খাদ্যপ্যাকেট বিতরণ করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল চাল, ডাল, খেজুর, মুড়ি, চিড়া, আলু, গুড়, ভোজ্যতেল ও লবণসহ ৯ ধরনের প্রয়োজনীয়খাদ্যসামগ্রী।
বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্বলতার মাত্রা বিবেচনায় এতিম, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, নারীও বয়স্কদের সহায়তায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কার্যক্রম বাস্তবায়নে চকরিয়াও পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতা ও তদারকি করে।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বিতরণ কার্যক্রমপরিদর্শন করে মুসলিম হ্যান্ডস্ ইন্টারন্যাশনাল -এর উদ্যোগের প্রশংসাকরেন। তিনি বলেন, “মুসলিম হ্যান্ডস্ ইন্টারন্যাশনাল যে খাদ্য সহায়তাকার্যক্রম পরিচালনা করছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তারা এলাকারবন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অত্যন্ত দরিদ্র ও প্রকৃত প্রাপ্য পরিবারগুলোকেই সহায়তাদিচ্ছে। এ জন্য মুসলিম হ্যান্ডস্ ইন্টারন্যাশনাল কে আমার আন্তরিকধন্যবাদ।”
মুসলিম হ্যান্ডস্ ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুর্যোগকবলিতমানুষের তাৎক্ষণিক খাদ্য চাহিদা পূরণ এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণপরিবারগুলোর খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 























