ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আরো ১০ ছিনতাইকারী আটক, ২৪ ঘন্টায় আটক ১৪ জন ট্রাকে করে পাচারের জন্য যাচ্ছিলো ১৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার, ইউএনওর অভিযানে জব্দ খুরুশকুল নতুন ব্রীজ এলাকা থেকে দেশী অস্ত্রসহ ৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতারl আজিম মেম্বার এখন পেকুয়ার বিএনপির সুসময়ের বন্ধু! লামায় জব্দ করা ৮ লাখ ৭০ হাজার ঘনফুট বালুর নিলাম : সরকারি কোষাগারে জমা ২০ লাখ ২২ হাজার টাকা বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন : সভাপতি-সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে ১০ প্রার্থীর লড়াই সিটি কর্পোরেশন হলে কক্সবাজার সদর উপজেলা থাকবে না উখিয়ায় নিখোঁজের ২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার ৭ বছর বয়সী পূর্ণ বড়ুয়া, পরিবারের কাছে হস্তান্তর উখিয়ায় মানসিক রোগী তিন সন্তানের জননী নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার রামুতে ​মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় শেফা ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা ১৫টি জেলে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো নতুন নৌকা কক্সবাজার সিটি কলেজ এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় মুবিন আটক রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতার সঙ্গে নিরাপত্তার ভারসাম্য জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে পানিতে পড়ে নিখোঁজ, ১৮ ঘণ্টা পর শামীমের মরদেহ উদ্ধার
আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন

কক্সবাজারে ঝুম বৃষ্টি নামতে পারে কাল থেকে

বাংলা বর্ষপঞ্জির হিসেবে আষাঢ়ের প্রথম দিন আজ। ঝরো ঝরো মুখর বাদলের দিনগুলো শুরুর আনুষ্ঠানিক পদযাত্রা বলা যায় কি! রবী ঠাকুরের ভাষায়, ‘আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে/ আসে বৃষ্টির সুবাস বাতাস বেয়ে।’ এ বছর বৃষ্টির সুবাস অবশ্য শুরু হয়েছে আগে থেকেই। প্রকৃতিতে ভারী বর্ষণের দেখাও মিলেছে তীব্র দহনের বৈশাখ-জ্যেষ্ঠে!

তারপরও ঋতুচক্রের হিসাবে আজ বর্ষাকাল শুরু। আষাঢ়–শ্রাবণ এই দুই মাস নিয়ে আমাদের চিরায়ত বর্ষাকাল। প্রকৃতিপ্রেমীদের কথায়, বসন্ত যদি হয় ঋতুরাজ, বর্ষা তবে প্রকৃতির রাণী। তাই বর্ষা নিয়ে এসব মানুষের হৃদয়ে তৈরি হয় কাব্যের কতকথা!

তবে বর্ষার প্রথম দিনে বৃষ্টি ঝরার সম্ভাবনা না থাকলেও মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কথা জানিয়েছেন কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারি আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান।

আবহাওয়াবিদ হান্নান বলেন, “সোমবার থেকে আগামী ৭২ ঘন্টা বৃষ্টিপাত হতে পারে শহরে। বৃষ্টিপাতের তীব্রতা বেড়ে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণও হতে পারে বলে জানান তিনি।

মি. হান্নান আরও বলেন, জুন থেকে সেপ্টেম্বর- এই চার মাস বর্ষা মৌসুম হলেও বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসারে আষাঢ়-শ্রাবণকে বর্ষা ঋতু বলা হয়।

আবহাওয়াবিদ হান্নান জানান, টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে। এসময় দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে কখনো কখনো হতে পারে বজ্রপাত।

বজ্রপাতে কৃষকদের ঝুঁকির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, কৃষকরা খোলা মাঠে কাজ করে, যেখানে বজ্রের সক্রিয়তা থাকে। সেক্ষেত্রে খোলামাঠে কোনো মানব বা গাছের উপর আছড়ে পড়ে বজ্র। বজ্রধ্বনি শুনলেই ঘরে যেতে হবে, এছাড়া আর কোনো উপায় নাই।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আরো ১০ ছিনতাইকারী আটক, ২৪ ঘন্টায় আটক ১৪ জন

আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন

কক্সবাজারে ঝুম বৃষ্টি নামতে পারে কাল থেকে

আপডেট সময় : ০৩:০১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

বাংলা বর্ষপঞ্জির হিসেবে আষাঢ়ের প্রথম দিন আজ। ঝরো ঝরো মুখর বাদলের দিনগুলো শুরুর আনুষ্ঠানিক পদযাত্রা বলা যায় কি! রবী ঠাকুরের ভাষায়, ‘আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে/ আসে বৃষ্টির সুবাস বাতাস বেয়ে।’ এ বছর বৃষ্টির সুবাস অবশ্য শুরু হয়েছে আগে থেকেই। প্রকৃতিতে ভারী বর্ষণের দেখাও মিলেছে তীব্র দহনের বৈশাখ-জ্যেষ্ঠে!

তারপরও ঋতুচক্রের হিসাবে আজ বর্ষাকাল শুরু। আষাঢ়–শ্রাবণ এই দুই মাস নিয়ে আমাদের চিরায়ত বর্ষাকাল। প্রকৃতিপ্রেমীদের কথায়, বসন্ত যদি হয় ঋতুরাজ, বর্ষা তবে প্রকৃতির রাণী। তাই বর্ষা নিয়ে এসব মানুষের হৃদয়ে তৈরি হয় কাব্যের কতকথা!

তবে বর্ষার প্রথম দিনে বৃষ্টি ঝরার সম্ভাবনা না থাকলেও মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কথা জানিয়েছেন কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারি আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান।

আবহাওয়াবিদ হান্নান বলেন, “সোমবার থেকে আগামী ৭২ ঘন্টা বৃষ্টিপাত হতে পারে শহরে। বৃষ্টিপাতের তীব্রতা বেড়ে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণও হতে পারে বলে জানান তিনি।

মি. হান্নান আরও বলেন, জুন থেকে সেপ্টেম্বর- এই চার মাস বর্ষা মৌসুম হলেও বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসারে আষাঢ়-শ্রাবণকে বর্ষা ঋতু বলা হয়।

আবহাওয়াবিদ হান্নান জানান, টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে। এসময় দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে কখনো কখনো হতে পারে বজ্রপাত।

বজ্রপাতে কৃষকদের ঝুঁকির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, কৃষকরা খোলা মাঠে কাজ করে, যেখানে বজ্রের সক্রিয়তা থাকে। সেক্ষেত্রে খোলামাঠে কোনো মানব বা গাছের উপর আছড়ে পড়ে বজ্র। বজ্রধ্বনি শুনলেই ঘরে যেতে হবে, এছাড়া আর কোনো উপায় নাই।