ঢাকা ০৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কা, ঘটনাস্থলেই শিশুর মৃত্যু ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে মানসিক চাপ, সৌদি আরবে লোহাগাড়ার যুবকের মরদেহ উদ্ধার লোহাগাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় চার যুবক গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ চাকরি দেয়ার নামে কিশোর অপহরণ : উখিয়ায় মানবপাচার চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার পুলিশ সুপারের বক্তব্যের নিন্দা কক্সবাজার আইনজীবী সমিতির : জেলা জজকে অবহিত করার সিদ্ধান্ত বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, কক্সবাজারে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত হত্যা মামলার আসামি মুহুরি পাড়ার ছৈয়দ আলম গ্রেপ্তার কক্সবাজারে সাইবার মামলায় ৬ বিদেশির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে পাচারকালে ৩০ লক্ষ টাকার ঔষধ জব্দ : আটক ৩ সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে স্বাস্থ্য খাতের ওপর: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম মরিয়মের রেখে যাওয়া শেষ চিঠিগুলোতে কী লেখা ছিল? পুলিশ সুপারের সাথে নিহত একরামের পিতা-মাতার সাক্ষাত: সন্তান হত্যার বিচার দাবি পেকুয়ায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৯তম শুভ আবির্ভাব উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী মহোৎসব সম্পন্ন

কক্সবাজার পৌর এলাকা থেকে দৈনিক সাগরে পড়ছে ৩৪ টন প্লাস্টিক বর্জ্য

কক্সবাজার পৌরসভায় প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৩৪ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনার বাইরে থেকে যাচ্ছে। ব্র্যাক পরিচালিত ২০২৪ সালের এক সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

সমীক্ষায় জানানো হয়, এসব প্লাস্টিকের একটি বড় অংশ নালা ও খালের মাধ্যমে সাগরে গিয়ে পড়ে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এমন বাস্তবতায় প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পৌরসভা ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগে জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (৭ মে) ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে “বাংলাদেশে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে পৌর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক একটি জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সংলাপে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

বিশ্বব্যাংক, সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম (এসএসিইপি) এবং ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেস (ইউএনওপিএস)-এর সহায়তায় পরিচালিত ব্র্যাকের ‘প্লাস্টিক ফ্রি রিভারস অ্যান্ড সিজ ফর সাউথ এশিয়া (প্লিজ)’ প্রকল্পের উদ্যোগে এেই সংলাপের আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার বিভাগের (এলজিডি) অতিরিক্ত সচিব এ.কে.এম. তারিকুল আলম এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ এবং বিশ্ব ব্যাংকের পরিবেশ বিশেষজ্ঞ বুশরা নিশাত সংলাপে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাকের জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচি, নগর উন্নয়ন কর্মসূচি ও দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির পরিচালক ড. মো. লিয়াকত আলী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের আরবান ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (ইউডিপি) কর্মসূচি প্রধান ইমামুল আজম শাহী এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক মো. ইখতেখারুল ইসলাম।

এ. কে. এম. তারিকুল আলম বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্য যেন সমুদ্রে পৌঁছাতে না পারে সেজন্য নদী ও খালভিত্তিক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সফল উদাহরণগুলো অনুসরণ করে নিজেদের উপযোগী সামাধান উদ্ভাবন ও প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা সাফল্য পেতে পারি।

মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, প্লাস্টিক দূষণের ক্রমবর্ধমান সমস্যা মোকাবিলায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি পাট ও আলুর স্টার্চের মতো পরিবেশবান্ধব উপকরণ দিয়ে তৈরি টেকসই বিকল্প পণ্যের প্রসারে কাজ চলছে। “প্লিজ প্রকল্পের” মতো উদ্যোগ ইতোমধ্যেই বর্জ্য পৃথকীকরণে ১৫ শতাংশ সাফল্যা পেয়েছে এবং প্লাস্টিক বর্জ্যের হটস্পটগুলোতে দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুশরা নিশাত বলেন, বাংলাদেশের মাথাপিছু প্লাস্টিক ব্যবহারের পরিমাণ (প্রায় ৯ কেজি) যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের তুলনায় অনেক কম হলেও, অপর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনার ফলে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। বর্জ্যের উৎসে সেগুলোকে আলাদা করার প্রক্রিয়ার দুর্বলতাকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, গৃহস্থালি পর্যায়ে সচেতনতা বাড়িয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মানুষের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।

ড. লিয়াকত আলী বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্যের সমস্যা সমাধানে অংশীজনদের সমন্বয় এবং ‘সার্কুলার ইকোনমির’ নীতি গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বর্তমান গতি ধরে রাখা গেলে দীর্ঘমেয়াদে ‘জিরো ওয়েস্ট’ লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোর কর্তৃত্ব, প্রয়োজনীয় লোকবল, বাজেট ও সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে কক্সবাজারের মতো উপকূলীয় শহর যেখানে পর্যটন ও বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর চাপ রয়েছে, সেখানে বর্জ্য সংগ্রহ, এগুলোকে আলাদা করা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি রয়েছে। এ বিষয়ে একটি জাতীয় নীতিমালা থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে এই নীতিমালাকে কার্যকর কর্মপরিকল্পনায় রূপ দেওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের গৃহস্থালি বর্জ্যের মধ্যে প্রায় সাড়ে ১২ শতাংশই প্লাস্টিক বর্জ্য। এসব বর্জ্যের দূষণ উপকূলীয় এলাকা এবং তার ওপর নির্ভরশীল সমুদ্রনির্ভর মানুষের জীবন-জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলছে। প্লিজ প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে কক্সবাজারে বিভিন্ন সেক্টরের সমন্বয়ে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করা। প্রকল্পটি কক্সবাজার পৌরসভায় প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সেক্টরের অংশগ্রহণে একটি কার্যকর সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করছে।

সূত্র:বার্তা২৪.কম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কা, ঘটনাস্থলেই শিশুর মৃত্যু

কক্সবাজার পৌর এলাকা থেকে দৈনিক সাগরে পড়ছে ৩৪ টন প্লাস্টিক বর্জ্য

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

কক্সবাজার পৌরসভায় প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৩৪ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনার বাইরে থেকে যাচ্ছে। ব্র্যাক পরিচালিত ২০২৪ সালের এক সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

সমীক্ষায় জানানো হয়, এসব প্লাস্টিকের একটি বড় অংশ নালা ও খালের মাধ্যমে সাগরে গিয়ে পড়ে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এমন বাস্তবতায় প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পৌরসভা ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগে জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (৭ মে) ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে “বাংলাদেশে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে পৌর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক একটি জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সংলাপে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

বিশ্বব্যাংক, সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম (এসএসিইপি) এবং ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেস (ইউএনওপিএস)-এর সহায়তায় পরিচালিত ব্র্যাকের ‘প্লাস্টিক ফ্রি রিভারস অ্যান্ড সিজ ফর সাউথ এশিয়া (প্লিজ)’ প্রকল্পের উদ্যোগে এেই সংলাপের আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার বিভাগের (এলজিডি) অতিরিক্ত সচিব এ.কে.এম. তারিকুল আলম এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ এবং বিশ্ব ব্যাংকের পরিবেশ বিশেষজ্ঞ বুশরা নিশাত সংলাপে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাকের জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচি, নগর উন্নয়ন কর্মসূচি ও দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির পরিচালক ড. মো. লিয়াকত আলী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের আরবান ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (ইউডিপি) কর্মসূচি প্রধান ইমামুল আজম শাহী এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক মো. ইখতেখারুল ইসলাম।

এ. কে. এম. তারিকুল আলম বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্য যেন সমুদ্রে পৌঁছাতে না পারে সেজন্য নদী ও খালভিত্তিক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সফল উদাহরণগুলো অনুসরণ করে নিজেদের উপযোগী সামাধান উদ্ভাবন ও প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা সাফল্য পেতে পারি।

মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, প্লাস্টিক দূষণের ক্রমবর্ধমান সমস্যা মোকাবিলায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি পাট ও আলুর স্টার্চের মতো পরিবেশবান্ধব উপকরণ দিয়ে তৈরি টেকসই বিকল্প পণ্যের প্রসারে কাজ চলছে। “প্লিজ প্রকল্পের” মতো উদ্যোগ ইতোমধ্যেই বর্জ্য পৃথকীকরণে ১৫ শতাংশ সাফল্যা পেয়েছে এবং প্লাস্টিক বর্জ্যের হটস্পটগুলোতে দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুশরা নিশাত বলেন, বাংলাদেশের মাথাপিছু প্লাস্টিক ব্যবহারের পরিমাণ (প্রায় ৯ কেজি) যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের তুলনায় অনেক কম হলেও, অপর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনার ফলে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। বর্জ্যের উৎসে সেগুলোকে আলাদা করার প্রক্রিয়ার দুর্বলতাকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, গৃহস্থালি পর্যায়ে সচেতনতা বাড়িয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মানুষের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।

ড. লিয়াকত আলী বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্যের সমস্যা সমাধানে অংশীজনদের সমন্বয় এবং ‘সার্কুলার ইকোনমির’ নীতি গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বর্তমান গতি ধরে রাখা গেলে দীর্ঘমেয়াদে ‘জিরো ওয়েস্ট’ লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোর কর্তৃত্ব, প্রয়োজনীয় লোকবল, বাজেট ও সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে কক্সবাজারের মতো উপকূলীয় শহর যেখানে পর্যটন ও বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর চাপ রয়েছে, সেখানে বর্জ্য সংগ্রহ, এগুলোকে আলাদা করা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি রয়েছে। এ বিষয়ে একটি জাতীয় নীতিমালা থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে এই নীতিমালাকে কার্যকর কর্মপরিকল্পনায় রূপ দেওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের গৃহস্থালি বর্জ্যের মধ্যে প্রায় সাড়ে ১২ শতাংশই প্লাস্টিক বর্জ্য। এসব বর্জ্যের দূষণ উপকূলীয় এলাকা এবং তার ওপর নির্ভরশীল সমুদ্রনির্ভর মানুষের জীবন-জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলছে। প্লিজ প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে কক্সবাজারে বিভিন্ন সেক্টরের সমন্বয়ে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করা। প্রকল্পটি কক্সবাজার পৌরসভায় প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সেক্টরের অংশগ্রহণে একটি কার্যকর সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করছে।

সূত্র:বার্তা২৪.কম