কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের পৃথক বিশেষ অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ১২০ কেজি চোরাই তামার তার ও ১১০ পিস ইয়াবা।
পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত অভিযানে চোর, ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এছাড়া পৃথক অভিযানে ২৫ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার একটি টিম পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাহারছড়া এলাকায় মফসেলের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় খাটের নিচে লুকানো অবস্থায় ১২০ কেজি কাভারযুক্ত ও কাভারবিহীন বৈদ্যুতিক তামার তার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাগরিকা (৩৫) নামের এক নারীকে আটক করা হলেও তার স্বামী মফসেল (৪০) পালিয়ে যান। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোট ২০ জন আসামিকে গ্রেফতার করে সদর মডেল থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৭ জন চোর ও ছিনতাইকারী, ১ জন মাদক ব্যবসায়ী, ২ জন মাদক সেবনকারী, ৬ জন ধর্তব্য অপরাধে জড়িত এবং ৪ জন পরোয়ানাভুক্ত আসামি।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী আরফিদুল ইসলাম রনির (২৯) নিকট থেকে ১১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
পাশাপাশি, এলাকাভিত্তিক পৃথক অভিযানে ২৫ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করে থানায় আনা হয়। পরবর্তীতে অপরাধে জড়াবে না মর্মে অভিভাবকদের মুচলেকায় ১৬ জনকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয় এবং ৯ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















