টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ উপকূলে রোহিঙ্গা বোঝাই নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ মোহাম্মদ কবিরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পরে তাঁর পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শনাক্ত করে। নিহত মোহাম্মদ কবির উখিয়ার জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৫-এর এইচ-৮ ব্লকের বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম রহমত উল্লাহ।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে শাহপরীরদ্বীপ দক্ষিণ পাড়ার হাজীপাড়া বেড়িবাঁধ-সংলগ্ন এলাকায় জোয়ারের পানিতে একটি মরদেহ ভেসে আসে।
স্থানীয়দের দেয়া খবরে শাহপরীরদ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বেড়িবাঁধের ব্লকের মধ্যে এক ব্যক্তির মরদেহ আটকে থাকতে দেখা যায়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, শুক্রবার ভোরে শাহপরীরদ্বীপ পশ্চিম উপকূলে রোহিঙ্গাবোঝাই নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের একজনের মরদেহ এটি। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা এসে মরদেহটি শনাক্ত করেন।
উখিয়ার জামতলী ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সাব-মাঝি মনির আহমদ জানান, শুক্রবার ভোরে শাহপরীরদ্বীপ পশ্চিম উপকূলে উত্তাল সাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় মোহাম্মদ কবির নিখোঁজ হন। শনিবার বিকেলে উপকূল থেকে একটি মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে তাঁর ছোট ভাই ফয়সাল থানায় এসে মরদেহটি শনাক্ত করেন। এরপর নিশ্চিত হওয়া যায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি মোহাম্মদ কবিরের।
শাহপরীরদ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) সনজীব জানান, বেড়িবাঁধের ব্লকের ভেতরে আটকে থাকা অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে টেকনাফ মডেল থানায় পাঠানো হয়েছে। পরে নিহতের পরিবারের সদস্যরা এসে মরদেহটি শনাক্ত করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, শাহপরীরদ্বীপ উপকূল এলাকায় জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে সেটি মোহাম্মদ কবির নামে এক রোহিঙ্গার মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 

















