ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার আত্মসমর্পণের আগেই গ্রেপ্তার হতে পারেন শেখ হাসিনা: আইনমন্ত্রী তিন প্রতিবন্ধীকে চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থমন্ত্রী গভীর নিম্নচাপ: ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত, উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা জাতীয় উশুতে রৌপ্য জিতল কক্সবাজারের আশ্রম শিক্ষার্থী সুমন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিপক্ষের গুলিতে আরসা সদস্য জুবায়ের নিহত ইনানীতে বে-ওয়াচ রিসোর্টের কর্মচারী আব্দুল আজিজের মরদেহ উদ্ধার ইসলামী ব্যাংক বাংলাবাজার এজেন্ট শাখায় আর্থিক সাক্ষরতা ও নিরাপদ লেনদেন বিষয়ক কর্মশালা উখিয়ার ধামনখালীতে সেই গর্জন গাছ বনবিভাগের হেফাজতে মাতারবাড়ীতে গৃহবধূ কোহিনূর হ’ত্যা: হাশেমকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের বিরুদ্ধে মা’ম’লা বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নেবে মিয়ানমার, জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম গর্জনিয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করলেন এমপি কাজল শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য সাড়ে ছয় লাখ পরিবারে চালানো হবে শুমারি, তথ্য সংগ্রহে ৯০০ জন

জাতীয় উশুতে রৌপ্য জিতল কক্সবাজারের আশ্রম শিক্ষার্থী সুমন্ত

আর্থিক সীমাবদ্ধতা কখনোই মেধা ও স্বপ্নের পথে বাধা হতে পারে না—এমনই এক অনুপ্রেরণার নাম সুমন্ত ত্রিপুরা। খাগড়াছড়ির বাসিন্দা সুমন্ত বর্তমানে কক্সবাজারের শ্রী শ্রী ওঙ্কার যোগাশ্রমে থেকে লেখাপড়া করছে। কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সে জাতীয় পর্যায়ের মার্শাল আর্ট (উশু) প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে সুনাম কুড়িয়েছে।

সুমন্ত ত্রিপুরার নিজ বাড়ি খাগড়াছড়িতে। সে কক্সবাজারের পৌর প্রিপ্যারেটরি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে বর্তমানে শ্রী শ্রী ওঙ্কার যোগাশ্রম, কক্সবাজার শাখায় আশ্রমের শিক্ষার্থী হিসেবে বসবাস করছে। আশ্রম কর্তৃপক্ষ তার থাকা, খাওয়া, শিক্ষা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয়সহ সব ধরনের দায়িত্ব বহন করছে।

আশ্রম সূত্রে জানা যায়, সুমন্তর মতো আরও ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী কক্সবাজার শাখায় আশ্রমের তত্ত্বাবধানে থেকে পড়াশোনা করছে। তাদের সার্বিক ব্যয়ভারও আশ্রম থেকেই পরিচালিত হয়।

সম্প্রতি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ‘নতুন কুঁড়ি’ আয়োজিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মার্শাল আর্ট (উশু, বালক -৪৫ কেজি) বিভাগে অংশ নেয় সুমন্ত। প্রতিযোগিতায় উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে প্রথম স্থান অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। পরে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে রৌপ্য পদক লাভ করে।

সুমন্ত ত্রিপুরার এই অর্জন শুধু তার বিদ্যালয় বা আশ্রমের নয়, বরং কক্সবাজার ও খাগড়াছড়ির জন্যও গর্বের বিষয়। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও তার এই সাফল্য অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার

জাতীয় উশুতে রৌপ্য জিতল কক্সবাজারের আশ্রম শিক্ষার্থী সুমন্ত

আপডেট সময় : ১১:০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

আর্থিক সীমাবদ্ধতা কখনোই মেধা ও স্বপ্নের পথে বাধা হতে পারে না—এমনই এক অনুপ্রেরণার নাম সুমন্ত ত্রিপুরা। খাগড়াছড়ির বাসিন্দা সুমন্ত বর্তমানে কক্সবাজারের শ্রী শ্রী ওঙ্কার যোগাশ্রমে থেকে লেখাপড়া করছে। কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সে জাতীয় পর্যায়ের মার্শাল আর্ট (উশু) প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে সুনাম কুড়িয়েছে।

সুমন্ত ত্রিপুরার নিজ বাড়ি খাগড়াছড়িতে। সে কক্সবাজারের পৌর প্রিপ্যারেটরি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে বর্তমানে শ্রী শ্রী ওঙ্কার যোগাশ্রম, কক্সবাজার শাখায় আশ্রমের শিক্ষার্থী হিসেবে বসবাস করছে। আশ্রম কর্তৃপক্ষ তার থাকা, খাওয়া, শিক্ষা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয়সহ সব ধরনের দায়িত্ব বহন করছে।

আশ্রম সূত্রে জানা যায়, সুমন্তর মতো আরও ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী কক্সবাজার শাখায় আশ্রমের তত্ত্বাবধানে থেকে পড়াশোনা করছে। তাদের সার্বিক ব্যয়ভারও আশ্রম থেকেই পরিচালিত হয়।

সম্প্রতি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ‘নতুন কুঁড়ি’ আয়োজিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মার্শাল আর্ট (উশু, বালক -৪৫ কেজি) বিভাগে অংশ নেয় সুমন্ত। প্রতিযোগিতায় উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে প্রথম স্থান অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। পরে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে রৌপ্য পদক লাভ করে।

সুমন্ত ত্রিপুরার এই অর্জন শুধু তার বিদ্যালয় বা আশ্রমের নয়, বরং কক্সবাজার ও খাগড়াছড়ির জন্যও গর্বের বিষয়। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও তার এই সাফল্য অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।