ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শিক্ষক রেজাউল করিমের মায়ের অনুপস্থিতিতে ১২ বছর বয়সী নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে রাস্তা পার হওয়ার সময় আইওএমের গাড়ির ধাক্কা, শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা টেকনাফে স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু, বিচার দাবিতে পরিবারের আহাজারি যুদ্ধ থেমেছে, ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে? বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতিকে উৎসাহিত করে: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ কক্সবাজারে শুরু হলো তিনদিনের জাতীয় ফল মেলা কুতুবদিয়া পাড়া বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটিতে অভিভাবক প্রতিনিধি মনোনীত মনির উল্লাহ (আবির) ইয়াবা সেবনের আসরে অভিযান, অস্ত্র-ইয়াবা,নগদ টাকা সহ আটক:২ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা সারাদেশে এবার অভিন্ন প্রশ্নে বোর্ড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে: শিক্ষামন্ত্রী যেখানে অ্যাম্বুলেন্স নয়, রোগী চলে মানুষের কাঁধে অসহিষ্ণু সমাজের আয়নায় আমরা রোনালদো বললেন, মেসিই সর্বকালের সেরা

যুদ্ধ থেমেছে, ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে?

যুদ্ধ একদিন থেমে যায়, অস্ত্রের শব্দ স্তব্ধ হয়, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন আকাশ আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কিন্তু যুদ্ধের প্রকৃত ক্ষত কেবল ধ্বংস প্রাপ্ত স্থাপনা বা ভাঙা সেতুতে সীমাবদ্ধ নয়; এর গভীরতম চিহ্ন রয়ে যায় মানুষের মনোজগতে, স্মৃতিতে এবং সমাজের ভেতরে।

একটি যুদ্ধের পর বহু মানুষ হারায় প্রিয়জন, হারায় নিরাপত্তাবোধ, হারায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন। শিশুদের শৈশব, মায়েদের অপেক্ষা, পরিবারগুলোর ভাঙন, এসবের কোনো সহজ পুনর্গঠন নেই। যুদ্ধ থেমে গেলেই শান্তি ফিরে আসে না; শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়বিচার, পুনর্মিলন, সহমর্মিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি মানবিক উদ্যোগ।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যুদ্ধের ক্ষত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান হতে পারে। তাই যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে শুধু অবকাঠামো নয়, মানুষের হৃদয়ও পুনর্নির্মাণ করতে হয়। প্রশ্নটি তাই থেকেই যায়, যুদ্ধ থেমেছে, কিন্তু ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে? হয়তো পুরোপুরি নয়। তবে মানবতা, ন্যায় এবং সহানুভূতির মাধ্যমে সেই ক্ষতকে অন্তত নিরাময়ের পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শিক্ষক রেজাউল করিমের

যুদ্ধ থেমেছে, ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে?

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

যুদ্ধ একদিন থেমে যায়, অস্ত্রের শব্দ স্তব্ধ হয়, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন আকাশ আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কিন্তু যুদ্ধের প্রকৃত ক্ষত কেবল ধ্বংস প্রাপ্ত স্থাপনা বা ভাঙা সেতুতে সীমাবদ্ধ নয়; এর গভীরতম চিহ্ন রয়ে যায় মানুষের মনোজগতে, স্মৃতিতে এবং সমাজের ভেতরে।

একটি যুদ্ধের পর বহু মানুষ হারায় প্রিয়জন, হারায় নিরাপত্তাবোধ, হারায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন। শিশুদের শৈশব, মায়েদের অপেক্ষা, পরিবারগুলোর ভাঙন, এসবের কোনো সহজ পুনর্গঠন নেই। যুদ্ধ থেমে গেলেই শান্তি ফিরে আসে না; শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়বিচার, পুনর্মিলন, সহমর্মিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি মানবিক উদ্যোগ।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যুদ্ধের ক্ষত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান হতে পারে। তাই যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে শুধু অবকাঠামো নয়, মানুষের হৃদয়ও পুনর্নির্মাণ করতে হয়। প্রশ্নটি তাই থেকেই যায়, যুদ্ধ থেমেছে, কিন্তু ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে? হয়তো পুরোপুরি নয়। তবে মানবতা, ন্যায় এবং সহানুভূতির মাধ্যমে সেই ক্ষতকে অন্তত নিরাময়ের পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।