ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু জুতা নিক্ষেপের ঘটনায় জিনিয়াসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলার আবেদন জেলা দলের গোলরক্ষক সাঈদী উপর হামলার প্রতিবাদে মহেশখালীতে মানববন্ধন স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ‍্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল: আরও ৪০ জন গ্রেপ্তার আদানির বিকল ইউনিট সচল, দুপুরের মধ্যে বিদ্যুৎ পাবে বাংলাদেশ বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ঈদগাঁওয়ের ফিরুজ-মিফতাসহ নিহত ৩ লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টার: চুক্তি শেষ, সেবা বন্ধ; দুর্ঘটনাহতদের ‘শেষ আশ্রয়’ এখন অচল ইয়াবা কারবারি ধরবে এআই ক্যামেরা! কক্সবাজার-বান্দরবানের ১১ পয়েন্ট নিয়ে পুলিশের নতুন পরিকল্পনা মেসির দুর্দান্ত গোল! কিন্তু… অবশেষে র‍্যাবের জালে রাসেল হত্যা মামলার আসামি শাহজাহান উখিয়া-টেকনাফের উপর থেকে মাদকের অপবাদ ঘুচানোর দাবী এমপি শাহজাহান চৌধুরীর কক্সবাজার প্রেসক্লাবে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় উখিয়া প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের চুনতির সীরত মাহফিলের সমাপনী দিন: মোনাজাতের অপেক্ষায় লাখো মানুষ চোরাই এসির তারসহ ভাঙ্গারি দোকানদার গ্রেপ্তার

যুদ্ধ থেমেছে, ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে?

যুদ্ধ একদিন থেমে যায়, অস্ত্রের শব্দ স্তব্ধ হয়, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন আকাশ আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কিন্তু যুদ্ধের প্রকৃত ক্ষত কেবল ধ্বংস প্রাপ্ত স্থাপনা বা ভাঙা সেতুতে সীমাবদ্ধ নয়; এর গভীরতম চিহ্ন রয়ে যায় মানুষের মনোজগতে, স্মৃতিতে এবং সমাজের ভেতরে।

একটি যুদ্ধের পর বহু মানুষ হারায় প্রিয়জন, হারায় নিরাপত্তাবোধ, হারায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন। শিশুদের শৈশব, মায়েদের অপেক্ষা, পরিবারগুলোর ভাঙন, এসবের কোনো সহজ পুনর্গঠন নেই। যুদ্ধ থেমে গেলেই শান্তি ফিরে আসে না; শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়বিচার, পুনর্মিলন, সহমর্মিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি মানবিক উদ্যোগ।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যুদ্ধের ক্ষত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান হতে পারে। তাই যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে শুধু অবকাঠামো নয়, মানুষের হৃদয়ও পুনর্নির্মাণ করতে হয়। প্রশ্নটি তাই থেকেই যায়, যুদ্ধ থেমেছে, কিন্তু ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে? হয়তো পুরোপুরি নয়। তবে মানবতা, ন্যায় এবং সহানুভূতির মাধ্যমে সেই ক্ষতকে অন্তত নিরাময়ের পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু

যুদ্ধ থেমেছে, ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে?

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

যুদ্ধ একদিন থেমে যায়, অস্ত্রের শব্দ স্তব্ধ হয়, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন আকাশ আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কিন্তু যুদ্ধের প্রকৃত ক্ষত কেবল ধ্বংস প্রাপ্ত স্থাপনা বা ভাঙা সেতুতে সীমাবদ্ধ নয়; এর গভীরতম চিহ্ন রয়ে যায় মানুষের মনোজগতে, স্মৃতিতে এবং সমাজের ভেতরে।

একটি যুদ্ধের পর বহু মানুষ হারায় প্রিয়জন, হারায় নিরাপত্তাবোধ, হারায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন। শিশুদের শৈশব, মায়েদের অপেক্ষা, পরিবারগুলোর ভাঙন, এসবের কোনো সহজ পুনর্গঠন নেই। যুদ্ধ থেমে গেলেই শান্তি ফিরে আসে না; শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়বিচার, পুনর্মিলন, সহমর্মিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি মানবিক উদ্যোগ।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যুদ্ধের ক্ষত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান হতে পারে। তাই যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে শুধু অবকাঠামো নয়, মানুষের হৃদয়ও পুনর্নির্মাণ করতে হয়। প্রশ্নটি তাই থেকেই যায়, যুদ্ধ থেমেছে, কিন্তু ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে? হয়তো পুরোপুরি নয়। তবে মানবতা, ন্যায় এবং সহানুভূতির মাধ্যমে সেই ক্ষতকে অন্তত নিরাময়ের পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।