ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক ২ পার্বত্য মন্ত্রী সা চিং প্রু জেরীর সাথে রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাত লোহাগাড়ার চরম্বায় বেশি দামে সার বিক্রি, ডিলারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা কক্সবাজার পর্যটন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি’র আত্মপ্রকাশ, সোমবার মানববন্ধন অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টাইগারদের সমীহ জাগানিয়া অর্জন.. জামিনে মুক্তি পেলেন টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ টোল ইজারার কাগজে টেম্পারিংয়ের অভিযোগ, অতিরিক্ত টোল আদায়ে বিপাকে তিন ইউনিয়নের ব্যবসায়ীরা সমিতিপাড়ার সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি আরাফাত গ্রেফতার কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ : যাত্রী আহত বালিয়াড়ীতে সড়ক নির্মান বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাপার স্মারকলিপি চকরিয়ায় মিষ্টিতে “তেলাপোকা”, নানা অসংগতি : ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা অক্টোবরের মধ্যে চালু হবে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: বিমানমন্ত্রী মিয়ানমারে বৌদ্ধ বিহারে বিমান হামলায় নিহত ১৪ রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

যুদ্ধ থেমেছে, ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে?

যুদ্ধ একদিন থেমে যায়, অস্ত্রের শব্দ স্তব্ধ হয়, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন আকাশ আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কিন্তু যুদ্ধের প্রকৃত ক্ষত কেবল ধ্বংস প্রাপ্ত স্থাপনা বা ভাঙা সেতুতে সীমাবদ্ধ নয়; এর গভীরতম চিহ্ন রয়ে যায় মানুষের মনোজগতে, স্মৃতিতে এবং সমাজের ভেতরে।

একটি যুদ্ধের পর বহু মানুষ হারায় প্রিয়জন, হারায় নিরাপত্তাবোধ, হারায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন। শিশুদের শৈশব, মায়েদের অপেক্ষা, পরিবারগুলোর ভাঙন, এসবের কোনো সহজ পুনর্গঠন নেই। যুদ্ধ থেমে গেলেই শান্তি ফিরে আসে না; শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়বিচার, পুনর্মিলন, সহমর্মিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি মানবিক উদ্যোগ।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যুদ্ধের ক্ষত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান হতে পারে। তাই যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে শুধু অবকাঠামো নয়, মানুষের হৃদয়ও পুনর্নির্মাণ করতে হয়। প্রশ্নটি তাই থেকেই যায়, যুদ্ধ থেমেছে, কিন্তু ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে? হয়তো পুরোপুরি নয়। তবে মানবতা, ন্যায় এবং সহানুভূতির মাধ্যমে সেই ক্ষতকে অন্তত নিরাময়ের পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক ২

যুদ্ধ থেমেছে, ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে?

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

যুদ্ধ একদিন থেমে যায়, অস্ত্রের শব্দ স্তব্ধ হয়, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন আকাশ আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কিন্তু যুদ্ধের প্রকৃত ক্ষত কেবল ধ্বংস প্রাপ্ত স্থাপনা বা ভাঙা সেতুতে সীমাবদ্ধ নয়; এর গভীরতম চিহ্ন রয়ে যায় মানুষের মনোজগতে, স্মৃতিতে এবং সমাজের ভেতরে।

একটি যুদ্ধের পর বহু মানুষ হারায় প্রিয়জন, হারায় নিরাপত্তাবোধ, হারায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন। শিশুদের শৈশব, মায়েদের অপেক্ষা, পরিবারগুলোর ভাঙন, এসবের কোনো সহজ পুনর্গঠন নেই। যুদ্ধ থেমে গেলেই শান্তি ফিরে আসে না; শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়বিচার, পুনর্মিলন, সহমর্মিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি মানবিক উদ্যোগ।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যুদ্ধের ক্ষত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান হতে পারে। তাই যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে শুধু অবকাঠামো নয়, মানুষের হৃদয়ও পুনর্নির্মাণ করতে হয়। প্রশ্নটি তাই থেকেই যায়, যুদ্ধ থেমেছে, কিন্তু ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে? হয়তো পুরোপুরি নয়। তবে মানবতা, ন্যায় এবং সহানুভূতির মাধ্যমে সেই ক্ষতকে অন্তত নিরাময়ের পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।