ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পর্যটন খাতে জিডিপিতে ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ ‘ছাত্রলীগ’ ট্যাগ দিয়ে চকরিয়ায় সাংবাদিক রাজু ও তার পরিবারকে হেনস্থা : ক্র্যাকের নিন্দা লামায় বিধবা নারীকে ধর্ষণচেষ্টা ও তার শিশু সন্তান অপহরণের চেষ্টা দি কক্সবাজার কোয়েশ্চেন : সমুদ্র, সভ্যতা এবং রাষ্ট্র’র সংকট মদের দাম বাড়ল জেনে নিন ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার চালু হওয়া একগুচ্ছ নতুন নিয়ম মাছ চাষের আড়ালে অবৈধ বালু উত্তোলন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রোহিঙ্গা শ্রমিকের মৃত্যু জেনে নিন ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার চালু হওয়া একগুচ্ছ নতুন নিয়ম কক্সবাজারের তরুণ-যুবসমাজের পক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর সাবেক ছাত্রনেতা রিপনের দাবি চট্টগ্রামের টিউশনি শেষে ফেরার পথে মেধাবী ছাত্র রিয়াদুল নিখোঁজ মেরিন ড্রাইভে ধরা পড়ল ১০০ কেজি গাঁজা, আটক ২ ৫ লাখ ইয়াবাসহ মিয়ানমারের দুই মাদক কারবারি আটক ঈদগাঁওয়ে ৬ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, জব্দ টমটম চট্টগ্রাম-কক্সবাজার দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার ফিফা বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ, উদ্বোধনী ম্যাচে লড়বে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা

মেরিন ড্রাইভে ধরা পড়ল ১০০ কেজি গাঁজা, আটক ২

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের উখিয়ার জালিয়াপালং এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক শ্রাবণ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ লেঙ্গুরবিল এলাকার ফরিদুল আলমের ছেলে মো. এনামুল হক (২৬) এবং টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যং পাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রহমানের ছেলে জিয়াউর রহমান (২৫)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ বিশেষ জোন সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ভর্তি একটি মাইক্রোবাস কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক হয়ে টেকনাফে প্রবেশ করবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়ন সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কের পূর্ব পাশে ড্রিম হলিডে রিসোর্টের সামনে একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে ডিএনসির একটি দল। অভিযান চলাকালে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে ভেতর থেকে প্লাস্টিক মোড়ানো ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদক পরিবহনের অভিযোগে গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে উখিয়া থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

তিনি বলেছেন, “মাদকের অবৈধ উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যটন খাতে জিডিপিতে ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ

মেরিন ড্রাইভে ধরা পড়ল ১০০ কেজি গাঁজা, আটক ২

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের উখিয়ার জালিয়াপালং এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক শ্রাবণ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ লেঙ্গুরবিল এলাকার ফরিদুল আলমের ছেলে মো. এনামুল হক (২৬) এবং টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যং পাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রহমানের ছেলে জিয়াউর রহমান (২৫)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ বিশেষ জোন সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ভর্তি একটি মাইক্রোবাস কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক হয়ে টেকনাফে প্রবেশ করবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়ন সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কের পূর্ব পাশে ড্রিম হলিডে রিসোর্টের সামনে একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে ডিএনসির একটি দল। অভিযান চলাকালে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে ভেতর থেকে প্লাস্টিক মোড়ানো ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদক পরিবহনের অভিযোগে গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে উখিয়া থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

তিনি বলেছেন, “মাদকের অবৈধ উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”