কক্সবাজারের উখিয়ার ঐতিহ্যবাহী বালুখালী বাজার। এই বাজারের সরকারি ইজারা পেয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা ফোরকান চৌধুরী।
তার বিরুদ্ধে ইজারাদারির নামে সরকারি নির্দেশনা না মেনে অবৈধ স্থাপনা বসিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখলে রাখা, নির্ধারিত এলাকার বাইরে গিয়ে ইজারার অজুহাতে চাঁদা উত্তোলনের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য বালুখালী কাস্টমঘাট এলাকায় অস্থায়ী পশুরহাট বসানোর অনুমোদন দেয় উখিয়া উপজেলা প্রশাসন এবং ওই হাটের ইজারা নেন ফোরকান চৌধুরী। তবে ঈদ শেষ হওয়ার দুই মাস পরও হাটের অবকাঠামো সরিয়ে না নিয়ে বরং সেখানে গরু রাখার জন্য স্থায়ী ঘর নির্মাণ করে রেখেছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী এটি খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন।
দখল করা জায়গাটি উখিয়াঘাট মৌজার আরএস দাগ নম্বর-৪৮ এবং বিএস দাগ নম্বর-১৬৩ভুক্ত জমিটি কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তি।
বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর স্থাপনা সরাতে ফোরকান চৌধুরীকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হলেও তিনি তা মানেন নি।
উখিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা জানান, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি অবগত আছি।এর আগে ইজারাদার ফোরকান চৌধুরীকে জমি থেকে স্থাপনা সরাতে বলা হয়েছে।কিন্তু এখনো যদি না সরানো হয় তাহলে উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী রোকন উদ্দিন খালেদ চৌধুরী বলেন, ‘জায়গাটি সওজের, প্রযোজ্য ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে।’
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ফোরকান চৌধুরী আনিত অভিযোগ মিথ্যা দাবী করে জানান, সাংবাদিকরা আমার জন্য ষড়যন্ত্র করতেছে বলে ফোনের সংযোগ কেটে দেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















