জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসীম আকরামের কবর জিয়ারত, পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত এবং সদ্য ঘোষিত পেকুয়া পৌরসভার ফলক উন্মোচন করতে ১৩ জুন শনিবার পেকুয়ায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান৷ তাঁর আগমন উপলক্ষে ইতিমধ্যে পেকুয়ায় শুরু হয়েছে নানা প্রস্তুতি। তারেক রহমানকে বরণে দল এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও চলছে নানান কর্মপ্রয়াস।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবরে চলছে মেরামত ও পরিছন্নতার কাজ। সড়ক সংস্কারের কাজও চলছে দূর্বারগতিতে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে স্বাগত জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন শহীদ ওয়াসিম আকরামের মাতা জোসনা আক্তার। তিনি বলেন, সন্তান আজ পৃথিবীতে নেই কিন্তু তাঁর নাম ইতিহাসের পাতায় উঠে গেছে। আমার মত একজন নগন্য মানুষকে দেখতে একজন প্রধানমন্ত্রী আসবেন এটা অত্যন্ত গর্বের বিষয়। সেই সাথে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ছেলে হত্যার বিচারের দাবিও জানান মাতা জোসনা আক্তার।
অন্যদিকে পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন বলেন, পেকুয়ার বুকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন সম্ভব হয়েছে শুধু মাত্র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কারণে। প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে আমাদের দল থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তার আগমন উপলক্ষে পেকুয়াবাসীর আশার প্রতিফলন ঘটেবে বলেও মনে করেন বিএনপির এই নেতা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরহাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, পেকুয়ার মত জায়গায় একজন প্রধানমন্ত্রী আসবে এটা অত্যান্ত আনন্দের বিষয়। পেকুয়া উপজেলা প্রতিষ্ঠার সময় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এসে ফলক উন্মোচন করেছিলেন। এবার তাঁরই যোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পেকুয়ায় এসে পৌরসভার ফলক উন্মোচন করবেন। এটি শুধু মাত্র পেকুয়াবাসীর জন্য নয়। সমগ্র কক্সবাজারবাসীর জন্য আনন্দের বিষয়। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে পেকুয়া-চকরিয়া তথা পুরো কক্সবাজারবাসী আশার প্রতিফলন হবে এটাই প্রত্যাশা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে উৎসাহ- উদ্দীপনা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এক নজর দেখতে অধীর আগ্রহে বসে আছেন সাধারণ মানুষ। প্রধানমন্ত্রী পেকুয়ায় এসে শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত, পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং পেকুয়া পৌরসভার ফলক উন্মোচন করার কথা রয়েছে৷
রেজাউল করিম: 
























