ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নের সমাধান ছাড়া ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়: নাহিদ ইসলাম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস সোনার ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছাড়াল আগামী ১২ আগস্ট বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব সমুদ্র শহরের ‘চন্দন ডাক্তার’কে হারানোর এক বছর, আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী এসএসসিতে কক্সবাজার জেলায় প্রথম নাবিহা নওরিন কক্সবাজারে এসএসসির ফলে ছেলেদের পেছনে ফেলে মেয়েরা এগিয়ে বদরখালী কলোনীজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগে থেকে গোল্ডেন A+ পেল সাদিয়া আফরিন কনক ‎এসএসসি পরীক্ষায় রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলের সাফল্য: শতভাগ পাস, ৮ জন জিপিএ-৫ ‎ সাংবাদিককে হুমকি : মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নিন্দা ও প্রতিবাদ এসএসসি পরীক্ষায় সাংবাদিক কন্যা তানিশার সাফল্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর পিপি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন এড. রেজা কাঁকড়া চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে পোনা বিতরণ মৎস্য অধিদপ্তরের ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় মহেশখালীর রহিম বাদশা কারাগারে

টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী বোট থেকে ৫০ ভুক্তভোগী উদ্ধার, আটক ৯ পাচারকারী

টেকনাফের বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় মালয়েশিয়াগামী একটি বোট থেকে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড । এ সময় মানব পাচারের সাথে জড়িত ৯ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।

শনিবার (০৬ জুন) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

​কোস্ট গার্ড জানায়, সমুদ্রপথে মানবপাচার রোধে নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে একটি গোপন তথ্য আসে যে, টেকনাফের সমুদ্র এলাকা দিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় বিপুল সংখ্যক মানুষকে পাচার করা হচ্ছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে ৫ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড জাহাজ মনসুর আলী, স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট শাহপরী ও বাহারছড়া যৌথভাবে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

​অভিযান চলাকালীন একটি সন্দেহজনক বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি অমান্য করে দ্রুত গভীর সমুদ্রের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ধাওয়া করে বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকা থেকে বোটটি আটক করতে সক্ষম হয়। এরপর বোটে তল্লাশি চালিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং ৯ জন মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়।

​স্টেশন কমান্ডার টেকনাফ লেঃ কমান্ডার মোঃ মুত্তাকীন সিদ্দিকী জানান, উদ্ধারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যে, একটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের টেকনাফে নিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে তাদের গোপন আস্তানায় আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায় করা হতো। পাচারকারীরা উদ্ধারকৃতদের সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের চূড়ান্ত পরিকল্পনা করেছিল। এছাড়া কয়েকজন ভুক্তভোগীকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের তথ্যও পাওয়া গেছে।

​উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগী, আটককৃত বোট এবং মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু

টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী বোট থেকে ৫০ ভুক্তভোগী উদ্ধার, আটক ৯ পাচারকারী

আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

টেকনাফের বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় মালয়েশিয়াগামী একটি বোট থেকে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড । এ সময় মানব পাচারের সাথে জড়িত ৯ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।

শনিবার (০৬ জুন) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

​কোস্ট গার্ড জানায়, সমুদ্রপথে মানবপাচার রোধে নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে একটি গোপন তথ্য আসে যে, টেকনাফের সমুদ্র এলাকা দিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় বিপুল সংখ্যক মানুষকে পাচার করা হচ্ছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে ৫ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড জাহাজ মনসুর আলী, স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট শাহপরী ও বাহারছড়া যৌথভাবে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

​অভিযান চলাকালীন একটি সন্দেহজনক বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি অমান্য করে দ্রুত গভীর সমুদ্রের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ধাওয়া করে বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকা থেকে বোটটি আটক করতে সক্ষম হয়। এরপর বোটে তল্লাশি চালিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং ৯ জন মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়।

​স্টেশন কমান্ডার টেকনাফ লেঃ কমান্ডার মোঃ মুত্তাকীন সিদ্দিকী জানান, উদ্ধারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যে, একটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের টেকনাফে নিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে তাদের গোপন আস্তানায় আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায় করা হতো। পাচারকারীরা উদ্ধারকৃতদের সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের চূড়ান্ত পরিকল্পনা করেছিল। এছাড়া কয়েকজন ভুক্তভোগীকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের তথ্যও পাওয়া গেছে।

​উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগী, আটককৃত বোট এবং মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।