ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়া ভূমি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানির অভিযোগ প্রদীপের বিরুদ্ধে সৈকতে ৫০ ফুট উচ্চতার ৫ টনের প্লাস্টিক দানব! শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদযাপনে সহযোগীতা করুন- লোহাগাড়ায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার রাজুকে ফেরত দিলো কুমিল্লা পুলিশ, ৫৪ ধারায় কক্সবাজার আদালতে প্রেরণ সেন্টমার্টিনে পর্যটক গমন,জাহাজ ছাড়ার স্থান ও সংখ্যা নিয়ে পরিবর্তন আসছে সারা দেশে দুইদিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা কক্সবাজারে সিএনজি থেকে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের দাফন সম্পন্ন নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা, পাঁচ ধাপে হবে ভোটগ্রহণ প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায়না : হাইকোর্ট রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলা‌দে‌শি আহত বাড়িতে স্ত্রীর লাশ রেখে মসজিদে গিয়ে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু অবশেষে গ্রেফতার হলো নিহত তাজমিনের প্রেমিক রাজু উখিয়ার কোটবাজার থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি জসিম গ্রেপ্তার

টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী বোট থেকে ৫০ ভুক্তভোগী উদ্ধার, আটক ৯ পাচারকারী

টেকনাফের বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় মালয়েশিয়াগামী একটি বোট থেকে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড । এ সময় মানব পাচারের সাথে জড়িত ৯ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।

শনিবার (০৬ জুন) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

​কোস্ট গার্ড জানায়, সমুদ্রপথে মানবপাচার রোধে নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে একটি গোপন তথ্য আসে যে, টেকনাফের সমুদ্র এলাকা দিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় বিপুল সংখ্যক মানুষকে পাচার করা হচ্ছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে ৫ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড জাহাজ মনসুর আলী, স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট শাহপরী ও বাহারছড়া যৌথভাবে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

​অভিযান চলাকালীন একটি সন্দেহজনক বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি অমান্য করে দ্রুত গভীর সমুদ্রের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ধাওয়া করে বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকা থেকে বোটটি আটক করতে সক্ষম হয়। এরপর বোটে তল্লাশি চালিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং ৯ জন মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়।

​স্টেশন কমান্ডার টেকনাফ লেঃ কমান্ডার মোঃ মুত্তাকীন সিদ্দিকী জানান, উদ্ধারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যে, একটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের টেকনাফে নিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে তাদের গোপন আস্তানায় আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায় করা হতো। পাচারকারীরা উদ্ধারকৃতদের সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের চূড়ান্ত পরিকল্পনা করেছিল। এছাড়া কয়েকজন ভুক্তভোগীকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের তথ্যও পাওয়া গেছে।

​উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগী, আটককৃত বোট এবং মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়া ভূমি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানির অভিযোগ প্রদীপের বিরুদ্ধে

টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী বোট থেকে ৫০ ভুক্তভোগী উদ্ধার, আটক ৯ পাচারকারী

আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

টেকনাফের বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় মালয়েশিয়াগামী একটি বোট থেকে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড । এ সময় মানব পাচারের সাথে জড়িত ৯ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।

শনিবার (০৬ জুন) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

​কোস্ট গার্ড জানায়, সমুদ্রপথে মানবপাচার রোধে নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে একটি গোপন তথ্য আসে যে, টেকনাফের সমুদ্র এলাকা দিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় বিপুল সংখ্যক মানুষকে পাচার করা হচ্ছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে ৫ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড জাহাজ মনসুর আলী, স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট শাহপরী ও বাহারছড়া যৌথভাবে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

​অভিযান চলাকালীন একটি সন্দেহজনক বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি অমান্য করে দ্রুত গভীর সমুদ্রের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ধাওয়া করে বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকা থেকে বোটটি আটক করতে সক্ষম হয়। এরপর বোটে তল্লাশি চালিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং ৯ জন মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়।

​স্টেশন কমান্ডার টেকনাফ লেঃ কমান্ডার মোঃ মুত্তাকীন সিদ্দিকী জানান, উদ্ধারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যে, একটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের টেকনাফে নিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে তাদের গোপন আস্তানায় আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায় করা হতো। পাচারকারীরা উদ্ধারকৃতদের সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের চূড়ান্ত পরিকল্পনা করেছিল। এছাড়া কয়েকজন ভুক্তভোগীকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের তথ্যও পাওয়া গেছে।

​উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগী, আটককৃত বোট এবং মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।