ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু পেকুয়ায় মাছের প্রজেক্ট দখলের চেষ্টা : অস্ত্রসহ দুজন আটক প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের আগেই দ্বিতীয় বিয়ে, সরকারি অফিসকে আবাস বানানোর অভিযোগ শাহাদাতের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে তাহসান- রোহিঙ্গা তরুণদের পাশে থাকা ও বৈশ্বিক সহায়তার আহ্বান কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান কক্সবাজারে বিজিবি’র অভিযানে ২ জন আটক, ৭২ হাজার ইয়াবা ও ১৫ লিটার মদ উদ্ধার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জার্মানির সমর্থক: জানালেন ছেলে বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহীম ​ উন্মাদনারও বাস্তবতা আছে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোর চায় চীন হেরোইন ম্যানেজ হয়ে আটা-ময়দা হয়ে যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালী, মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক হিন্দুরা মন্দিরে মূর্তি বানাবে, মুসলমানরা মসজিদ বানাবে—সমস্যা কোথায়?’ সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান কারা উঠল শেষ বত্রিশে, বাদ পড়ল কারা

টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী বোট থেকে ৫০ ভুক্তভোগী উদ্ধার, আটক ৯ পাচারকারী

টেকনাফের বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় মালয়েশিয়াগামী একটি বোট থেকে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড । এ সময় মানব পাচারের সাথে জড়িত ৯ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।

শনিবার (০৬ জুন) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

​কোস্ট গার্ড জানায়, সমুদ্রপথে মানবপাচার রোধে নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে একটি গোপন তথ্য আসে যে, টেকনাফের সমুদ্র এলাকা দিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় বিপুল সংখ্যক মানুষকে পাচার করা হচ্ছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে ৫ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড জাহাজ মনসুর আলী, স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট শাহপরী ও বাহারছড়া যৌথভাবে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

​অভিযান চলাকালীন একটি সন্দেহজনক বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি অমান্য করে দ্রুত গভীর সমুদ্রের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ধাওয়া করে বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকা থেকে বোটটি আটক করতে সক্ষম হয়। এরপর বোটে তল্লাশি চালিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং ৯ জন মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়।

​স্টেশন কমান্ডার টেকনাফ লেঃ কমান্ডার মোঃ মুত্তাকীন সিদ্দিকী জানান, উদ্ধারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যে, একটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের টেকনাফে নিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে তাদের গোপন আস্তানায় আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায় করা হতো। পাচারকারীরা উদ্ধারকৃতদের সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের চূড়ান্ত পরিকল্পনা করেছিল। এছাড়া কয়েকজন ভুক্তভোগীকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের তথ্যও পাওয়া গেছে।

​উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগী, আটককৃত বোট এবং মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী বোট থেকে ৫০ ভুক্তভোগী উদ্ধার, আটক ৯ পাচারকারী

আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

টেকনাফের বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় মালয়েশিয়াগামী একটি বোট থেকে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড । এ সময় মানব পাচারের সাথে জড়িত ৯ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।

শনিবার (০৬ জুন) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

​কোস্ট গার্ড জানায়, সমুদ্রপথে মানবপাচার রোধে নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে একটি গোপন তথ্য আসে যে, টেকনাফের সমুদ্র এলাকা দিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় বিপুল সংখ্যক মানুষকে পাচার করা হচ্ছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে ৫ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড জাহাজ মনসুর আলী, স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট শাহপরী ও বাহারছড়া যৌথভাবে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

​অভিযান চলাকালীন একটি সন্দেহজনক বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি অমান্য করে দ্রুত গভীর সমুদ্রের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ধাওয়া করে বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকা থেকে বোটটি আটক করতে সক্ষম হয়। এরপর বোটে তল্লাশি চালিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং ৯ জন মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়।

​স্টেশন কমান্ডার টেকনাফ লেঃ কমান্ডার মোঃ মুত্তাকীন সিদ্দিকী জানান, উদ্ধারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যে, একটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের টেকনাফে নিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে তাদের গোপন আস্তানায় আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায় করা হতো। পাচারকারীরা উদ্ধারকৃতদের সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের চূড়ান্ত পরিকল্পনা করেছিল। এছাড়া কয়েকজন ভুক্তভোগীকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের তথ্যও পাওয়া গেছে।

​উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগী, আটককৃত বোট এবং মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।